তরুণ প্রজন্মকে মাদক মুক্ত রাখতে ব্যারিষ্টার মীর হেলাল সাহেব এর গৃহীত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করুন – সালাউদ্দীন আলী

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

তারেক রহমানের ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদান মাইলফলক হয়ে থাকবে — কাজী সাইফ টুটুল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার নাঙ্গলমোড়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে “বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি নাঙ্গলমোড়া আন্তঃ গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট”-এর প্রথম রাউন্ডের তৃতীয় ম্যাচ। রবিবার (১০ মে) বিকেল নাঙ্গলমোড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এ খেলাকে ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়ামোদী দর্শকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

নাঙ্গলমোড়া খেলোয়াড় সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে সভাপতিত্ব করেন নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ও এশিয়ান হেলথ কেয়ার গ্রুপ এর চেয়ারম্যান লায়ন সালাউদ্দিন আলী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) এর সভাপতি কাজী সাইফুল ইসলাম টুটুল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী সাইফুল ইসলাম টুটুল বলেন, “তারুণ্যের শক্তিকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান প্রজন্মকে মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়াচর্চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবসময় তরুণদের উন্নয়ন ও ক্রীড়াক্ষেত্রের প্রসারে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন। দেশের ক্রীড়াঙ্গনে তার অবদান ভবিষ্যতে মাইলফলক হয়ে থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে দেশের যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার আয়োজন বাড়াতে হবে। ক্রীড়া চর্চার মাধ্যমে সমাজে সৌহার্দ্য, শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকশিত হয়।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কৃষকদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক লায়ন আনোয়ার হোসাইন উজ্জ্বল। তিনি বলেন, “গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা নতুন প্রজন্মকে সুস্থ বিনোদনের পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি গড়ে তুলতে সহায়তা করে। এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকলে যুবসমাজ ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে আরও বেশি সম্পৃক্ত হবে।”

অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন মাহমুদ ও সদস্য সচিব নুরুল আজম। আয়োজকরা জানান, টুর্নামেন্টের মাধ্যমে এলাকার তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করাই তাদের মূল লক্ষ্য।

এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলা যুবদলের সহ-ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক আমজাদ সুমন, নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. মহিনুল ইসলাম, প্যানেল চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ মামুন, আহমেদ আরমান, নুরুল আজিম মিন্টু, ওসমান গনি, গাজী বাবুল, গাজী রাসেল, আল হেলাল, বশির আল হেলাল, মোঃ জুনায়েদ, আতাউলা সিকদার, আলী রিয়াজ,মোঃ মোরশেদ, মো রিপন,মোঃ বাবু,মোঃ রিয়াজ, মোঃ শাওন,শাকিল, সাকিব, নয়নসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক ও বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

খেলা শুরুর আগে জাতীয় সংগীত পরিবেশন, অতিথিদের পরিচিতি ও খেলোয়াড়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। মাঠজুড়ে হাজারো দর্শকের উপস্থিতি পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে। দর্শকদের উচ্ছ্বাস, করতালি ও খেলোয়াড়দের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পারফরম্যান্সে উদ্বোধনী ম্যাচটি হয়ে ওঠে উপভোগ্য।

সালাউদ্দীন আলী বলেন এলাকার যুবসমাজকে খেলাধুলার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ করা এবং সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার করাই এ টুর্নামেন্ট আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। তরুণ প্রজন্মকে মাদকমুক্ত রাখতে জননেতা ব্যারিস্টার মীর হেলাল সাহেবের গৃহীত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।একটি সুস্থ, সচেতন ও মানবিক সমাজ গঠনে তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখা আজ সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।আসুন, আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতনতা সৃষ্টি করি, সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলি এবং যুবসমাজকে খেলাধুলা, শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের পথে উৎসাহিত করি।
মাদক নয় শিক্ষা,ক্রিড়া, সংস্কৃতি ও মানবিকতাই হোক আগামী প্রজন্মের শক্তি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের কয়েকটি হাসপাতালের পার্কিংয়ে ক্যান্টিন-ওষুধের দোকান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বেসরকারি হাসপাতাল ল্যানসেটে অভিযান চালিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। অভিযানে বিভিন্ন অনিয়ম ধরা পড়ে। এতে দেখা যায়, আবাসিক ভবনের অনুমোদন নিয়ে হাসপাতাল পরিচালনা, পার্কিংয়ের জায়গায় বসেছে ক্যান্টিন ও ওষুধের দোকান, নেই বিকল্প অগ্নিনিরাপত্তা ও নির্গমন ব্যবস্থা। সোমবার (২৪ আগস্ট) বেসরকারি হাসপাতালের অনিয়ম তদন্তে যায় সংস্থাটি। শুধু ল্যানসেট নয়, শেভরণ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আল হিদায়াহ স্কুলেও অভিযান চালিয়েছে সিডিএ। অভিযানে এসব প্রতিষ্ঠানে নকশা ও বিধিবিধান না মানার বিভিন্ন চিত্র উঠে আসে। অনিয়ম দূর করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক মাসের সময় দিয়েছে সংস্থাটি।

নগর পরিকল্পনাবিদ ও নাগরিকরা বলছেন, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা নকশাবহির্ভূত ব্যবহার দীর্ঘদিনের সমস্যা। বিশেষ করে হাসপাতালের পার্কিং ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জননিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তাই শুধু অভিযান নয়, নির্ধারিত সময় শেষে প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ম মানছে কি না, তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত মনিটরিং জরুরি।

সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, আবাসিক এলাকায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম, হাসপাতালের পার্কিং ব্যবস্থার কারণে যানজট এবং নকশাবহির্ভূত ভবন ব্যবহারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান চলছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়, অনিয়মের বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আবাসিক ভবনে পরিচালিত হাসপাতালগুলোকে এক মাসের মধ্যে বিকল্প জায়গায় স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইভাবে আবাসিক ভবনে পরিচালিত একটি স্কুলকেও এক মাসের মধ্যে বিকল্প স্থানে যাওয়ার অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলোর কিছু পার্কিং-সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে তিন মাসের সময় দেওয়া হয়েছে।সিডিএ চেয়ারম্যান আরও বলেন, অভিযানের পর কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পার্কিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পরিবর্তন এসেছে। তবে এসব পরিবর্তন কতটা কার্যকর হচ্ছে, তা দেখতে নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন।

এদিকে ল্যানসেট হাসপাতালের পরিচালক মহসীন হোসেন বলেন, হাসপাতাল পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন আমাদের রয়েছে। মানুষের সেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হচ্ছে। এখানে অনেক কর্মচারীর জীবিকা নির্ভরশীল। আমাদের লাইসেন্সসহ অন্যান্য অনুমোদনও আছে। তবে পার্কিংয়ের জায়গায় কিছুটা দুর্বলতা রয়েছে। সিডিএ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। আমরা সরকারের সহযোগী হিসেবে তাদের নির্দেশনা মেনে প্রয়োজনীয় দুর্বলতা দূর করার চেষ্টা করব।

তিনি আরও বলেন, ভবনটি আবাসিক হিসেবে কীভাবে অনুমোদন পেয়েছে, সেটি ভবন মালিকের বিষয়। আমরা ভাড়াটিয়া হিসেবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছি। অতীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিদর্শন করেই বিভিন্ন অনুমোদন দিয়েছে। তবে সিডিএ এখন যেসব বিষয় চিহ্নিত করেছে, সেগুলো সমাধানে আমরা সহযোগিতা করব।
সিডিএ জানিয়েছে, এক মাসের সময়সীমা শেষে এসব প্রতিষ্ঠান পুনরায় পরিদর্শন করা হবে। নিয়ম না মানলে সিলগালা ও উচ্ছেদসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরে নিলামে বিক্রি হচ্ছে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা ৪৪২ কনটেইনার পণ্য

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা ৪৪২ কনটেইনার পণ্য ই-অকশনের মাধ্যমে নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। কাস্টমসের আগস্ট মাসের নিলাম কার্যক্রমে দুটি ই-অকশনের মাধ্যমে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে। এর মধ্যে বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এ ১০১ লটে ২৯০ কনটেইনার এবং ই-অকশন নম্বর-০৯/২০২৬-এ ১০৯ লটে ১৫২ কনটেইনার রয়েছে। বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এর ২৯০ কনটেইনারে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ, প্লাস্টিক বর্জ্য, চেস্ট ফ্রিজার, পাইপ, সুতা, কাপড়, সৌর মডিউল, বিভিন্ন ধরনের লবণ, কাগজ, টাইলস ও গৃহস্থালি পণ্য রয়েছে।

বন্দরের কনটেইনার জট কমানো, সক্ষমতা ও কর্ম উপযোগিতা বাড়ানো এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে এসব পণ্য নিলামে তোলা হচ্ছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।
জানা গেছে, এ নিলামে ৮৬টি পুরোনো খালি কনটেইনারও রাখা হয়েছে। এসব পণ্যের ক্ষেত্রে কোনো সংরক্ষিত মূল্য রাখা হয়নি।অন্যদিকে, ই-অকশন নম্বর-০৯/২০২৬-এর ১৫২ কনটেইনারে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ক্যাপিটাল মেশিনারি, ফেব্রিক্স, পিভিসি ফ্লেক্স ব্যানার, কেমিক্যাল, এসির যন্ত্রাংশ, টাইলস, স্টেইনলেস স্টিল কয়েল, স্ক্যানার, ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট, এলিভেটর ও লবনসহ বিভিন্ন পণ্য।

কাস্টমস হাউস জানিয়েছে, পুরো নিলাম কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। ই-অকশন নম্বর-০৯/২০২৬-এর পণ্য ৩০ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর এবং বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এর পণ্য ৩০ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অফিস চলাকালে সরেজমিনে পরিদর্শন করা যাবে।আগ্রহী ক্রেতারা ২৭ আগস্ট থেকে অনলাইনে দরপত্র দাখিল করতে পারবেন।

ই-অকশন নম্বর-০৯/২০২৬-এর দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা এবং বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এর শেষ সময় ১৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা।অনলাইন বিডিংয়ের সময় প্রস্তাবিত দর মূল্যের ন্যূনতম ১০ শতাংশ জামানতের স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে। সর্বোচ্চ দরদাতাদের আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪-এর প্রযোজ্য শর্ত পূরণ সাপেক্ষে পণ্য খালাস নিতে হবে। ই-অকশন নম্বর-০৯/২০২৬-এর দরপত্র ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টায় এবং বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এর দরপত্র ২০ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় উন্মুক্ত করা হবে।
কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, ই-অকশনের মাধ্যমে বন্দরে পড়ে থাকা অখালাসকৃত ও নিলামযোগ্য পণ্য দ্রুত নিষ্পত্তির পাশাপাশি কনটেইনার জট কমানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে বন্দরের ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ