সিএন্ডএফ এজেন্টদের ট্রেড লাইসেন্স নবায়নে চসিকের অস্থায়ী বুথ স্থাপনের নির্দেশ সিটি মেয়রের

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিএন্ডএফ এজেন্টদের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রমকে আরও সহজ, দ্রুত ও নির্বিঘ্ন করতে আগ্রাবাদস্থ সিএন্ডএফ কার্যালয়ে একটি অস্থায়ী সেবা বুথ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস্ এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সাথে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এই অনুরোধ জানান। ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি লাঘবে মেয়রের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে এই বুথ স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সাক্ষাতকালে সিএন্ডএফ এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ মেয়রের নিকট তুলে ধরেন যে, প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক সিএন্ডএফ এজেন্টের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে নানাবিধ প্রাতিষ্ঠানিক আনুষ্ঠানিকতায় সময়ক্ষেপণ হয়। যদি আগ্রাবাদস্থ সিএন্ডএফ ভবনেই চসিকের একটি অস্থায়ী বুথ স্থাপন করা যায়, তবে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল পরিবেশে দ্রুততম সময়ে এই সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।

ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের এই যৌক্তিক ও জনবান্ধব অনুরোধে তাৎক্ষণিক সাড়া দেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি উপস্থিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন।

সাক্ষাতকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে সিএন্ডএফ এজেন্টদের অবদানের কথা গুরুত্বের সাথে তুলে ধরে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির প্রবেশদ্বার, আর এই প্রবেশদ্বারকে সচল ও প্রাণবন্ত রাখার পেছনে মূল কারিগর হলেন সিএন্ডএফ এজেন্টরা। তাঁরা দিনরাত পরিশ্রম করে রাজস্ব আহরণ ও আমদানি রপ্তানি বাণিজ্যকে গতিশীল রাখছেন। দেশের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি এই ব্যবসায়ী সমাজকে কোনো ধরনের প্রশাসনিক আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ভোগান্তিতে ফেলা যাবে না।

মেয়র আরও বলেন, স্মার্ট ও ব্যবসাবান্ধব চট্টগ্রাম বিনির্মাণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন সবসময় ব্যবসায়ীদের পাশে থাকবে। আমরা ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মতো সেবা নিশ্চিত করতে চাই, যাতে ব্যবসায়ীদের মূল্যবান সময় নষ্ট না হয় এবং তাঁরা স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন। সিএন্ডএফ কার্যালয়ে এই অস্থায়ী বুথ স্থাপন আমাদের সেই আধুনিক ও ওয়ান স্টপ সেবারই একটি অংশ। ভবিষ্যতেও চসিকের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের জন্য সব ধরনের নাগরিক সুবিধা ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ মেয়রের এই দ্রুত সিদ্ধান্ত ও ব্যবসাবান্ধব সদিচ্ছার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সারোয়ার কামাল, রাজস্ব কর্মকর্তা সাব্বির রহমান সানি, চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস্ এসোসিয়েশনের বন্দর বিষয়ক সম্পাদক রোকন উদ্দিন মাহমুদ, প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ ও আইন বিষয়ক সম্পাদক এস এম ফরিদুল আলম, সহকারি কাস্টম বিষয়ক সম্পাদক মোরশেদুল আলম, নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, মাহবুবুর রহমান সাগর প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

লোহাগাড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতপ বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সমাবেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

L

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলা সদর বটতলী শহরের প্রধান সড়কে লোহাগাড়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ইসফাক উদ্দিন চৌধুরী ইভুর নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৮ অক্টোবর মঙ্গলবার বিকেল ৪ টায় লোহাগাড়া পুরান থানা আসহাব উদ্দিন চৌধুরীর বাড়ীর সামনে থেকে র‍্যালটি শুরু হয়ে বটতলী শহরের চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌধুরী প্লাজা গিয়ে শেষ হয়।

পরে লোহাগাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি খলিল চৌধুরীর সঞ্চালনায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ সভাপতির বক্তব্য রাখেন লোহাগাড়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক আহবায়ক কমিটি সদস্য ইসফাক উদ্দিন চৌধুরী ইভু।

এ সমাবেশে লোহাগাড়া উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটি সাবেক সদস্য মোঃ দিদারুল আলম, মোঃ লিয়াকত হোসেন, লোহাগাড়া উপজেলা যুবদলের নেতা মোঃ গিয়াস উদ্দিন, মোঃ ফোরকানুল হক, মোঃ গিয়াস উদ্দিন,, রিফাত উদ্দিন চৌধুরী, শহিদুল্লাহ সাগর, শাওকাত হোসেন শওকত, ডাঃ জাবেদ হোসেন, সাইফুল ইসলাম, মোঃ এনায়াত উল্লাহ, কলিমুল্লাহ জিসান, আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ শোয়াইব, এনাম, মোমিন, মোহাম্মদ আলম ও নবী হোসেন উপস্থিত ছিলেন

এ বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশে উপজেলার যুবদল ও বিভিন্ন ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ সহ যুবদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে বক্তারা যুবদলের সাং গঠনিক কার্যক্রম ও দলকে শক্তিশালী করা সহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

বোয়ালখালীতে ৬ হাজার ৫০০ গাছ রোপণ করবে উপজেলা প্রশাসন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম জেলায় এক লাখ বৃক্ষরোপণ করা হবে। এর অংশ হিসেবে ২৭ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, বোয়ালখালী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৬ হাজার ৫০০টি বৃক্ষরোপণ করা হবে।

এক দিনে লক্ষ বৃক্ষ সবুজ পরিবেশ আমাদের লক্ষ্য স্লোগান সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসুচি ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপনের আওতায় জেলা প্রশাসন চট্টগ্রাম জেলায় ১ দিনে ১ লক্ষ বৃক্ষরোপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বোয়ালখালী উপজেলায় একদিনে ৬,৫০০ বৃক্ষরোপন

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম মিয়ার উদ্যোগে জেলাব্যাপী এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

বোয়ালখালীতে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করবেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক।
উপস্থিত ছিলেন বোয়ালখালী উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ