শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করতে হেলথ কার্ড চালু করেছি” — মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের স্কুল ও কলেজগুলোতে প্রথমবারের মতো ‘হেলথ কার্ড’ চালু করা হয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালের সেবায় বিশেষ ছাড় ও সুবিধা পাবেন।

সোমবার নগরীর ষোলশহরস্থ হোসেন আহম্মদ চৌধুরী সিটি কর্পোরেশন স্কুল অ্যান্ড কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও হেলথ কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক ও গভর্নিং বডির সদস্য মো. শায়েস্তা উল্লাহ চৌধুরী।

মেয়র বলেন, “হেলথ কার্ডের মাধ্যমে নির্ধারিত ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন পরীক্ষায় বিশেষ ছাড় পাবেন। পাশাপাশি প্রয়োজন হলে বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা গ্রহণের ক্ষেত্রেও বিশেষ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এটি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “সময় ও শৃঙ্খলা জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। সময় একবার চলে গেলে তা আর ফিরে আসে না। তাই প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগাতে হবে। সুস্থ থাকার জন্য নিয়মিত সকালের নাস্তা খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। স্বাস্থ্য ভালো থাকলে পড়াশোনায় মনোযোগ ও সফলতা দুটোই বৃদ্ধি পায়।”

আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে মেয়র পরামর্শ দিয়ে বলেন, “পরীক্ষার হলে কোনো প্রশ্ন প্রথমে কঠিন মনে হলে ভয় পাবে না। প্রশ্নটি বারবার মনোযোগ দিয়ে পড়বে। ধৈর্য ধরে চিন্তা করলে উত্তর নিজে থেকেই বেরিয়ে আসবে। আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে হবে এবং নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে।”

শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “তোমরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার কারিগর। তোমাদের মধ্য থেকেই ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, মেয়র, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তিত্ব তৈরি হবে। তবে জীবনের যেখানেই যাও না কেন, নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও শেকড়কে কখনো ভুলে যেও না।”

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন উন্নয়ন দাবির বিষয়ে মেয়র বলেন, কলেজের অবকাঠামো উন্নয়ন, ভবন নির্মাণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় কাজগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য খেলার মাঠের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করে বলেন, উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ করা গেলে সেটিকে মাঠ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, চট্টগ্রাম নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে খেলার মাঠ নির্মাণ ও সংস্কারের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি মাঠের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং আরও কয়েকটির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

অনুষ্ঠান শেষে মেয়র শিক্ষার্থীদের সুস্বাস্থ্য, উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও পরীক্ষায় সাফল্য কামনা করেন এবং সবাইকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ, স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ চট্টগ্রাম গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম মহানগরের ৮ ওয়ার্ড ডেঙ্গু ঝুঁকিতে, মাঠে থাকবে ১০ ম্যাজিস্ট্রেট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) মাসব্যাপী মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু করেছে। বিশ্ব মশা দিবসে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) মহানগরের সেন্ট প্লাসিডস স্কুলের সামনে থেকে এ কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিহ্নিত নগরের আটটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব এলাকায় অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ করে মশার প্রজননস্থল শনাক্ত ও ধ্বংস, লার্ভা নিধন এবং প্রাপ্তবয়স্ক মশা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রয়োগ করা হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা, ম্যাজিস্ট্রেট ও আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি, গোলাম বাকী মাসুদসহ রেড ক্রিসেন্টের ভলান্টিয়ার এবং নেদারল্যান্ডসভিত্তিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এমএসএফের কর্মকর্তারা।
জানা গেছে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টিতে লিফলেট ও বিভিন্ন প্রচারণামূলক কনটেন্ট বিতরণ করা হবে। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

চসিক সূত্র জানায়, বিশ্ব মশা দিবস উপলক্ষে শুরু হওয়া বিশেষ কর্মসূচি পুরো এক মাসব্যাপী চলবে। পাশাপাশি নগরের অন্যান্য এলাকায় নিয়মিত মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে। ক্রাশ প্রোগ্রাম শেষে পাথরঘাটা সিটি করপোরেশন বালক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু বিষয়ক সচেতনতামূলক প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়।

চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশক নিধনের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে নালা-নর্দমা, ড্রেন, নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত জায়গা ও বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।
তিনি বলেন, নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী সফলতা অর্জন সম্ভব নয়। প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসাবাড়ি, ছাদ, বারান্দা ও আশপাশের এলাকায় পানি জমতে না দেওয়ার বিষয়ে সচেতন হতে হবে। ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা কিংবা নির্মাণসামগ্রীতে পানি জমে থাকলে তা নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।বিশ্ব মশা দিবস উপলক্ষে শুরু হওয়া বিশেষ কর্মসূচির আওতায় আগামী এক মাস ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালিত হবে। পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন বিভাগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিভাগও সমন্বিতভাবে এ কার্যক্রমে অংশ নেবে।

গত দুই-তিন মাস ধরে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চসিক ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন পুরো কার্যক্রম ব্যক্তিগতভাবে মনিটর করছেন এবং নিয়মিত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন।
চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব আশরাফুল আমিন বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে গত পাঁচ-ছয় মাস ধরে চসিক বিটিআই ব্যবহার করছে। এর ফলে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।গত বছর এ সময়ে সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৮০০-এর বেশি থাকলেও চলতি বছরে তা প্রায় ৫৫০-৫৮০ জনে রয়েছে। একই সময়ে গত বছর ডেঙ্গুতে আটজনের মৃত্যু হলেও চলতি বছরে এখন পর্যন্ত সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

তিনি বলেন, আমরা আটটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করেছি। এগুলো হলো ২,৩,১৭,১৮,১৯,৩২,৩৪,৩৯ নম্বর ওয়ার্ড। এসব এলাকায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। মশক নিধন কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে শতাধিক কর্মীকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত জনবল দিয়ে কাজ করার পাশাপাশি অন্যান্য এলাকায় নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আশরাফুল আমিন বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু ওষুধ প্রয়োগ নয়, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত জায়গা, জমে থাকা পানি এবং বিভিন্ন স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা শনাক্ত করে তা ধ্বংস করা হবে।এ লক্ষ্যে চসিকের ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেটকে বিভিন্ন অঞ্চলে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। আগামী এক মাস তারা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করবেন। যেখানে ডেঙ্গুর লার্ভা পাওয়া যাবে, সেখানে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হবে।

লাইসেন্সবিহীন ডিপটিউবওয়েল বন্ধে মাঠে নেমেছে চট্টগ্রাম ওয়াসা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ওয়াসার বকেয়া রাজস্ব আদায়ে পুরোদমে মাঠে কাজ করছে রাজস্ব ও প্রকৌশল বিভাগের সমন্বয়ে গঠন করা আটটি মনিটরিং টিম। চট্টগ্রাম ওয়াসার নির্বাহী প্রকৌশলী, রাজস্ব কর্মকর্তা, রাজস্ব তত্ত্বাবধায়ক ও মিটার পরিদর্শকদের সমন্বয়ে এ মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। সকল মনিটরিং টিমের কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে আছেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অর্থ)।

চট্টগ্রাম ওয়াসার হিসাবমতে সরকারী দপ্তরে বকেয়ার পরিমাণ ৭১ কোটি ৫২লক্ষ আর সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ে বকেয়া পরিমাণ ১৮৭ কোটি ৪৩লক্ষ। বৈশ্বিক অর্থনীতির কারণে পানির উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি ও অন্যান্য খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। এ বিশাল অংকের বকেয়া আদায়ে প্রতি কর্মদিবসে মনিটরিং টিমের মাধ্যমে বকেয়াধারী গ্রাহকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিল আদায় কার্যক্রম দ্রুতগতিতে চলছে।

জানা গেছে, বকেয়া বিল আদায়ের পাশাপাশি অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ, জরিমানা ও লাইসেন্সবিহীন গভীর নলকূপ চিহ্নিত করে বন্ধ বা জরিমানা দিয়ে লাইসেন্স গ্রহণপূর্বক বৈধ করার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।। এ কার্যক্রমের আওতায় গত ১৬ আগষ্ট বিমানবন্দর রোডে বন্দরটিলা এলাকায় একজন গ্রাহকের ৩টি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। মোঃ জসিম উদ্দিন নামের এই গ্রাহকের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে পানি বিক্রির অভিযোগও রয়েছে। এই গ্রাহকের ৩টি সংযোগের বিপরীতে বকেয়া পরিমাণ ১৫লক্ষ টাকা।বকেয়া আদায়ে জনসচেতনা : চট্টগ্রাম ওয়াসা বকেয়া আদায়ে জনগণকে উদ্ভুদ্ধ করার লক্ষ্যে জুলাই মাস হতে মহানগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করে আসছে।

বকেয়া আদায়ে পদক্ষেপ ও সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ :বকেয়া আদায়ে ৫০ হাজার টাকার উর্দ্ধে বকেয়াধারী গ্রাহকদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছে চট্টগ্রাম ওয়াসার মনিটরিং টিম। গ্রাহকের সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে বকেয়া টাকা আদায় করার চেষ্টা করা হয়। গ্রাহক বকেয়া দিতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করলে সংযোগ সাময়িক বিচ্ছিন্ন করার তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে সরকারী রাজস্ব আদায়ে চট্টগ্রাম ওয়াসা বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করে।

অবৈধ সংযোগ বৈধকরণ :চট্টগ্রাম ওয়াসার অনুমতিবিহীন অবৈধভাবে সংযোগকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী জরিমানা করার কার্যক্রম কঠোরভাবে হাতে নেওয়া হয়েছে। অবৈধ গ্রাহকদের কারণে সিস্টেম লস দিন দিন বৃদ্ধি পায়। চট্টগ্রাম ওয়াসার আইন অনুযায়ী অবৈধ গ্রাহকদের জরিমানা প্রদানপূর্বক বৈধ গ্রাহক হিসেবে অর্ন্তভূক্ত করার সুযোগ দেয়া হচ্ছে। এতে সংস্থার রাজস্ব আদায় বাড়বে এবং সিস্টেম লস কমে আসবে।
লাইসেন্সবিহীন গভীর নলকূপ বন্ধ ও জরিমানা :চট্টগ্রাম ওয়াসার অনুমতিবিহীন গভীর নলকূপ স্থাপনকারীগণের বিরুদ্ধে নলকূপ বন্ধসহ জরিমানার কার্যক্রম কঠোরভাবে হাতে নেওয়া হয়েছে। লাইসেন্সবিহীন গভীর নলকূপ স্থাপনকারীদের চট্টগ্রাম ওয়াসার আইন অনুযায়ী জরিমানা করে লাইসেন্সের আওতায় আনা হচ্ছে। এতে সংস্থার রাজস্ব আদায় বাড়বে।

এবিষয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম বলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসা বকেয়া রাজস্ব আদায়ে বদ্ধ পরিকর। এজন্য ডিএমডি(অর্থ) এর তদারকিতে আটটি মনিটরিং টিম জোরালেভাবে কাজ করছে। বকেয়া গ্রাহকগণের কাছে আমার অনুরোধ হলো এটি সরকারের রাজস্ব তাই মওকুপ করার সুযোগ নাই। সকল বকেয়া গ্রাহকগণ বিল পরিশোধ করে ওয়াসার সেবা উত্তোরোত্তর বৃদ্ধিতে সহায়তা করার উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি। আর অবৈধ সংযোগ ও লাইসেন্সবিহীন গভীর নলকূপ স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থান নিয়েছি। সকলকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বৈধ গ্রাহক এবং নলকূপের লাইসেন্স করার জন্য অনুরোধ করছি।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ