শহীদ জিয়ার আদর্শে যুবসমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে: চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম দেশ রক্ষা তারেক মঞ্চের উদ্যোগে আয়োজিত ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (৫ জুলাই) বিকেলে পাহাড়তলী শহীদ শাহজাহান মাঠে অনুষ্ঠিত এই জমকালো আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। ফাইনাল খেলার উদ্বোধন করেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরামের পিতা শফিউল আলম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা এবং আধুনিক বাংলাদেশের দূরদর্শী নির্মাতা। তিনি যেমন এদেশের রাজনীতি ও অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিলেন, ঠিক তেমনি যুবসমাজ ও ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নেও ছিলেন সমান আন্তরিক। আজকের এই টুর্নামেন্ট শুধু একটি খেলা নয়, এটি শহীদ জিয়ার দেশপ্রেম, সাহসিকতা ও আদর্শকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার একটি দারুণ মাধ্যম।

ফুটবল খেলা ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ক্রীড়াচর্চার গুরুত্ব উল্লেখ করে মেয়র আরও বলেন, ফুটবল আমাদের জাতীয় জীবনে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খেলা। মাঠের এই প্রতিযোগিতা যুবসমাজকে শৃঙ্খলা, একতা ও নেতৃত্বের গুণাবলী শেখায়। তরুণদের মাদক, অলসতা ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রেখে একটি সুস্থ ও মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ওয়াসিম আকরামের মতো যুবকেরা যেভাবে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছে, আজকের যুবসমাজকেও সেই সাহসিকতায় উজ্জীবিত হয়ে ক্রীড়াঙ্গনসহ দেশের সব ক্ষেত্রে ইতিবাচক অবদান রাখতে হবে।

একটি অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হয় প্রবাসী কিংস চট্টগ্রাম ও শহীদ ওয়াসিম আকরাম একাদশ। নির্ধারিত সময়ে খেলাটি ২-২ গোলে ড্র হলে ম্যাচ গড়ায় ট্রাইবেকারে। শেষ পর্যন্ত ট্রাইবেকারে শহীদ ওয়াসিম আকরাম একাদশকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে প্রবাসী কিংস চট্টগ্রাম।
ম্যাচ ও টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় এবং সেরা গোলরক্ষক নির্বাচিত হন প্রবাসী কিংস চট্টগ্রাম ও জাতীয় দলের গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার পান প্রবাসী কিংসেরই জাফর ইকবাল। এছাড়া শহীদ ওয়াসিম আকরাম একাদশের ওহি টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় এবং পটিয়া মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব টুর্নামেন্টের সুশৃঙ্খল দল হিসেবে মনোনীত হয়। খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি’র সভাপতিত্বে
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্ব অঞ্চলের মহাপরিচালক মো. সুবক্তগীন, প্রধান প্রকৌশলী তানভীরুল ইসলাম, প্রধান পরিবহন কর্মকর্তা মো. শফিকুর রহমান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় রেলওয়ের ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শফিকুর রহমান স্বপন, কেন্দ্রীয় যুবদলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাবেক সহ সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ, কেন্দ্রীয় রেল শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক এড এম আর মঞ্জু, নগর যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি এম এ রাজ্জাক, শাহেদ আকবর, ফজলুল হক সুমন, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জিয়াউর রহমান জিয়া, সদস্য সচিব ইন্জিনিয়ার জমির উদ্দিন নাহিদ, মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য শরিফুল ইসলাম তুহিন, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ আজম, ড্যাব নেতা ডা. একে এম আশরাফুল করিম, ডা. শাহনেওয়াজ সিরাজ মামুন, বেসরকারি কারা পরিদর্শক আঁখি সুলতানা, বিএনপি নেতা মনিরুল ইসলাম মনির, হাবিবুর রহমান চৌধুরী, শাহরিয়ার জিয়া, শহীদুল্লাহ বাহার, যুবদল নেতা হাবিবুর রহমান মাসুম, মো. হেলাল হোসেন, শাহজালাল পলাশ, আশিক মল্লিক, ইউনুছ মুন্না, জিল্লুর রহমান জুয়েল, মোহাম্মদ সাগির, শাহেদুল ইসলাম শাহেদ, গোলজার হোসেন মিন্টু, নগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আসিফ চৌধুরী লিমন, আরিফুর রহমান (মাস্টার আরিফ), স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জহিরুল হক টুটুল, রাজিব আকন্দ, শওকত খান রাজু, মামুনুর রশিদ মামুন, ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক আহবায়ক সাইফুল আলম, বাদশা আলমগীর, জহিরুল ইসলাম, রাসেল খানসহ প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনা-ঢাকা সরাসরি এক্সপ্রেস ট্রেনের নামকরণ ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ করার দাবি জানালেন পাবনা শেকড় ফাউন্ডেশন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চালু হতে যাওয়া ঢাকা–পাবনা সরাসরি আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নাম ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ করার দাবি জানিয়েছে শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন।একই সঙ্গে পাবনার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবের প্রতিনিধিত্ব করে-এমন কোনো নাম বিবেচনারও আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

গত শনিবার ২২ আগস্ট এক যৌথ বিবৃতিতে শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন এর সভাপতি খান হাবিব মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক মো: মোস্তাফিজুর রহমান খান এ দাবি জানান।বিবৃতিতে তারা বলেন, নানা প্রতিকূলতা, দীর্ঘদিনের দাবি ও অপেক্ষার পর ঢাকা–পাবনা সরাসরি ট্রেন চালুর উদ্যোগে তারা স্বাগত জানাচ্ছেন। এই ট্রেন চালু হলে পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে এবং রাজধানী ঢাকার সঙ্গে পাবনার যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে। এ উদ্যোগের জন্য রেল মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান তারা।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সূত্রে প্রস্তাবিত ট্রেনটির নাম ‘সপ্তপদী এক্সপ্রেস’ করা হয়েছে বলে প্রচারিত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা তারা এখনো পাননি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের নেতারা বলেন, একটি জেলার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগকারী আন্তঃনগর ট্রেনের নাম শুধু একটি আনুষ্ঠানিক পরিচয় নয়। এর সঙ্গে ওই জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, আত্মপরিচয় এবং মানুষের আবেগ জড়িয়ে থাকে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও প্রত্যাশার পর পাবনার জন্য চালু হতে যাওয়া ট্রেনটির নামেও তাই পাবনার স্বতন্ত্র পরিচয়ের প্রতিফলন থাকা উচিত।

তাদের মতে, এ বিবেচনায় ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ নামটি সহজ, গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ ও প্রতিনিধিত্বশীল। পাশাপাশি পাবনার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি কিংবা জেলার কৃতী ব্যক্তিত্বের নামেও ট্রেনটির নামকরণের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।বিবৃতিতে বলা হয়, পাবনাবাসীর ওপর কোনো নাম চাপিয়ে দেওয়া হলে ট্রেনটির সঙ্গে মানুষের প্রত্যাশিত আবেগ ও মালিকানাবোধ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যে ট্রেনটি পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও আন্দোলনের ফল, সেটির নাম নির্ধারণের ক্ষেত্রেও জেলার মানুষের মতামত ও অনুভূতির যথাযথ মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

‘সপ্তপদী’ নামের প্রসঙ্গে সংগঠনটি বলেছে, নামটি যদি কোনো বিশেষ ঐতিহাসিক বা সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় প্রস্তাব করা হয়ে থাকে, তবুও পাবনার সঙ্গে এর প্রত্যক্ষ সম্পর্ক কী—তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। একই সঙ্গে বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এবং জনমতের সংবেদনশীলতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ ধরনের নামকে কেন্দ্র করে যেন অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

তবে সংগঠনটি বলেছে, তারা কোনোভাবেই নতুন এই রেল যোগাযোগ কে অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে দেখতে চায় না। বরং তাদের প্রত্যাশা, ঢাকা-পাবনা সরাসরি এক্সপ্রেস ট্রেনটি হবে পাবনার মানুষের গর্ব, পরিচয় ও ঐতিহ্যের প্রতীক।শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ নামের দাবি কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক দলের দাবি নয়; এটি পাবনার মানুষের আত্মপরিচয় ও আবেগের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি দাবি। পাবনার মানুষের জন্য চালু হতে যাওয়া ট্রেনের নামেও পাবনার মাটি, মানুষ, ইতিহাস ও গৌরবের প্রতিফলন থাকা উচিত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সপ্তপদী এক্সপ্রেস’ নামটি যদি কোনো প্রশাসনিক পর্যায়ে অনুমোদিত হয়েও থাকে, তাহলে পাবনাবাসীর আবেগ, অনুভূতি ও আপত্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে। এতে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক, অসন্তোষ ও উত্তেজনা এড়ানো সম্ভব হবে।এ সময় রেলপথ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত ট্রেনটির নাম চূড়ান্ত করে তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের দাবি জানিয়ে তারা বলেন, পাবনার ট্রেন -পাবনার পরিচয়ে। আমাদের প্রত্যাশা
পাবনা এক্সপ্রেস’।

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষকের স্ত্রী -সন্তানসহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রংপুর শহরে তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েলসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে পুলিশ মরদেহগুলো উদ্ধার করে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিহতরা হলেন রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ভোলা (৫০), মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী (২৫) এবং ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী (১২)।
নিহতদের প্রত্যেকের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ জানায় রংপুর শহরের মাছুয়াপাড়ার ওই বাড়িটি দীর্ঘ সময় ধরে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। এনিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হলে পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির দরজা ও তালা ভেঙে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহগুলোর ময়নাতদন্ত করা হবে। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হবে।তদন্ত শেষ হওয়ার পর চারজনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে কেউ জড়িত কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ