প্রধানমন্ত্রী নিকট হাটহাজারী উন্নয়নে ৭ দফা কর্মসূচী বাস্তবায়নের দাবী

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিকট আলোকিত হাটহাজারী উন্নয়ন ফোরামের “হাটহাজারীর উন্নয়নে” ৭ দফা কর্মসূচী বাস্তবায়নের দাবী জানিয়েছেন হাটহাজারীর সংসদ সদস্য ও ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মো. হেলাল উদ্দিনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি নেতা, আলোকিত হাটহাজারী উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন গ্লোবাল বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম। শনিবার (৮ আগষ্ট) তিনি এ কর্মসূচিগুলো তুলে ধরেন।

৭ দফা কর্মসূচিগুলো যথাক্রমে (১) স্বাস্থ্যখাতঃ ভৌগলিক অবস্থান এবং একাদিক প্রবেশপথ বিবেচনায় হাটহাজারী উপজেলায় ফটিকা ও মিঠাই ছড়া মৌজায় “চায়না-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল” স্থাপন জরুরী ভিত্তিতে নির্মাণ কাজ শুরু, হাটাহাজারীর সকল ইউনিয়নের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে সম্প্রসারণ, নার্সিং কলেজ স্থাপন এবং একটি ডায়বেটিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করণ। (২) যোগাযোগ খাতঃ হাটহাজারীর মূল সড়কের যানযট নিরশনের লক্ষ্যে ওভারপাস সহ ৬ লাইন বিশিষ্ট আধুনিক মহা সড়ক নির্মাণ, সড়ক দূর্ঘটনা মোকাবেলায় হাটহাজারীর বড়

মাদ্রাসা হইতে নাজিরহাট হালদা ব্রিজ পর্যন্ত ৪ লেইনসহ সিংঙ্গেল ডিভাইডার নির্মাণ এবং হাটহাজারীর মূল সড়কের সাথে সংযুক্ত উপ-সড়ক গুলোর প্রয়োজনীয় উন্নয়ন। (৩) শিক্ষাখাতঃ হাটহাজারীর কৃষি ইনিষ্টিটিউকে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের রুপান্তর, চট্ট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিটি বিষয়ে আসন সংখ্যা বৃদ্ধি, হাটহাজারীর প্রাচীন উচ্চ বিদ্যালয় গুলোকে জাতীয়করণ, মির্জাপুর ইউনিয়নে একটি পূর্ণাঙ্গ কলেজ প্রতিষ্ঠা, হাটহাজারী আসনে ২নং জালালাবাদ ওয়ার্ডে বিসি আইসিএ প্রতিষ্ঠানকে “জালালাবাদ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা।

মির্জাপুর বাকেরিয়া মহিলা মাদ্রাসাকে সরকারি এমপিও ভুক্তকরণ (৪) বন্যা ও দূযোর্গ মোকাবেলাঃ হাটহাজারী ১নং ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের মন্দাগিনী হইতে বুড়িশ্বর ইউনিয়ন পর্যন্ত হালদা নদীর পশ্চিম পাড় সুরক্ষার জন্য বাধঁ/ব্লক নির্মাণ করে নিরাপত্তার ব্যবস্থা এবং হাটহাজারীর নিচু এলাকার ইউনিয়ন গুলোতে সাইক্লোন কেন্দ্র নির্মাণ। (৫) ক্রীড়াখাতঃ হাটহাজারীতে ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা, নাজিরহাট কলেজ মাঠ, কাটিরহাট বিদ্যালয় মাঠ,

মির্জাপুর বিদ্যালয় মাঠ, হাটহাজারী কলেজ মাঠ, ফতেয়াবাদ স্কুল মাঠ, কুয়াইশ কলেজ মাঠকে খেলার মান উপযোগী করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা সহ মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ এবং এলাকা ভিত্তিক সামাজিক ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান গুলোকে খেলার মান উন্নত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ। (৬) প্রশাসন ঢেলে সাজানোঃ হাটহাজারী মডেল থানার আওতাধীন ৪টি পুলিশ ষ্টেশন/পুলিশ বিট স্থাপনঃ (ক) নূর আলী মিয়ার হাট (খ) সরকারহাট (গ) বড়দিঘীর পাড় এবং (ঘ) নজুমিয়ার হাট। (৭) সামাজিক ক্ষেত্রেঃ সকল ধর্মের, বর্ণের, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের সহ- অবস্থান সৌহর্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, প্রতিটি মানুষের জীবনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করণ, হাটহাজারীর প্রেস ক্লাবের আধুনিকায়ন, হাটহাজারীর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান।

সংগঠনের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোস্তফা আলম আশা করেন, এই প্রকল্প শুধু হাটহাজারী নয়, পুরো উত্তর চট্টগ্রামের সাথে দুই পার্বত্য জেলায় ও দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এই অঞ্চলের তৃনমূল প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তাবায়নে ৭ দফা কর্মসূচী অতীবগুরুত্বপূর্ণ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আগামী ৫ অক্টোবর দিনব্যাপী বন্দর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দিলে দেশের কী লাভ হবে, তা সরকারকে জনগণের কাছে স্পষ্ট করতে হবে। একইভাবে এনসিটি ইজারা দেওয়া হলে দেশের কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে, সে বিষয়েও সরকারের সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ে সংলাপের প্রয়োজন রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটি আহূত আগামী ৫ অক্টোবর দিনব্যাপী বন্দর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে জাতীয় ফেডারেশন ও বেসিক ইউনিয়নগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। তাঁরা এ বিষয়ে প্রয়োজনে সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় সংলাপ আয়োজনের আহ্বান জানান।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সুলতান আহমদ হলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রামের আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার।সঞ্চালনা করেন কমিটির সদস্যসচিব ফজলুল কবির মিন্টু।সভা থেকে আগামী ৫ অক্টোবর বন্দর ভবনের সামনে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচিতে সর্বস্তরের শ্রমিক, জাতীয় ফেডারেশন, বেসিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র। বন্দরের সঙ্গে জাতীয় অর্থনীতি ও বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের স্বার্থ জড়িত। তাই বন্দরের ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনায় জাতীয় স্বার্থের পাশাপাশি শ্রমিকদের অধিকার ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বক্তারা ৫ অক্টোবরের অবস্থান কর্মসূচি সফল করতে বিভিন্ন জাতীয় ফেডারেশন, বেসিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান। তবে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি ও আন্দোলনকে সরকার দুর্বলতা হিসেবে বিবেচনা করলে তা ভুল হবে। সে ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে দাবি আদায়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে। প্রয়োজনে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে অবরোধ ও হরতালের মতো কর্মসূচিও ঘোষণার কথা জানান তারা।
সভায় আলোচনায় অংশ নেন টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি তপন দত্ত, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও বন্দর সিবিএর সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এসকে খোদা তোতন, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শ ম জামাল উদ্দিন, টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামাল খান, জাতীয়তাবাদী ডক শ্রমিক দলের সভাপতি মো. হারুন ও

সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল বাতেন, সহ-সম্পাদক ইব্রাহীম ফরাজি, বিএফটিইউসির সভাপতি আনোয়ারুল হক হুনি, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ মিয়া, বন্দর উইঞ্চ ক্রেন অপারেটর সমিতির নেতা ইমাম হোসেন স্বপন, বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুর রহিম, কমিউনিটি সেন্টার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. পারভেজ, চট্টগ্রাম যুব ট্রেড ইউনিয়ন নেটওয়ার্কের সদস্যসচিব হাসিবুর রহমান বিপ্লব, লুৎফুন্নাহার সোনিয়া, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের নেতা হেলাল উদ্দিন কবির, ইমান আলী জানুসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আগামী মাসে যুক্ত হচ্ছে আরও ১টি আন্তঃনগর ট্রেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম: ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেনে যাতায়াতের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এ কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই রুটে আগামী মাসে আরও একটি আন্তঃনগর ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচল করা মহানগর এক্সপ্রেসকে কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মাসের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে নতুন রুটে ট্রেনটি চলাচল শুরু করতে পারে। বর্তমানে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে দুই জোড়া এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে দুই জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করছে।

এদিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের ট্রেনগুলোর মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। বর্তমানে দুই জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করলেও একটি মাত্র রেক দিয়ে চারটি ট্রেন পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলে প্রায়ই সময়সূচিতে বিঘ্ন ঘটছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের।
রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক সুজিত বিশ্বাস বলেন, কক্সবাজার রুটে বিপুল যাত্রীর চাহিদা রয়েছে। এ কারণে মহানগর এক্সপ্রেসকে কক্সবাজার পর্যন্ত চালানোর প্রস্তুতি চলছে। এতে যাত্রীরা আরও স্বস্তি ও নিরাপদে পর্যটন শহরে যাতায়াত করতে পারবেন। একই সঙ্গে রেলওয়ের আয়ও বাড়বে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকার কমলাপুর থেকে রাত সাড়ে ৮টায় ছেড়ে সকাল ৬টার দিকে কক্সবাজার পৌঁছাতে পারে। ফিরতি ট্রেনটি সকাল ৯টায় কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। একদিকে যেতে সময় লাগতে পারে প্রায় সাড়ে ৯ ঘণ্টা। বর্তমানে মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকার কমলাপুর থেকে রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। পথে বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট, ফেনী ও কুমিরাসহ বিভিন্ন স্টেশনে যাত্রাবিরতি রয়েছে। কক্সবাজার পর্যন্ত রুট বাড়ানো হলে এসব এলাকার যাত্রীরাও সরাসরি পর্যটন নগরীতে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।তবে রুট সম্প্রসারণের আগে কক্সবাজারে ট্রেনটির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নতুন রুটে চলাচলের সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতাগুলো পর্যালোচনা করছে রেলওয়ে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ