নির্বাচনের আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যবেক্ষণ করতে চায় ইইউ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে চট্টগ্রাম অঞ্চল পর্যবেক্ষণ করতে চায় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল। মূলত পার্বত্য চট্টগ্রামে ছয় সপ্তাহ অবস্থান করে সেখানকার সার্বিক পরিস্থিতি যাচাই করতে চান চান জাতীয় নির্বাচনের পরিবেশ মূল্যায়ন করতে আসা দলটি।  

সোমবার (১০ জুলাই) সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে ইইউয়ের প্রতিনিধি দল। বৈঠক শেষে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, তারা আমাদের কাছে সহায়তা চাচ্ছেন। আমরা বলেছি সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে। তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় যাওয়ার বিষয়ে বলেছেন। বিষয়টি দেখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আমরাও দেখব। আমাদের দিক থেকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে বলেছি। নির্বাচনের সঙ্গে আমাদের মন্ত্রণালয়ের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। সুতরাং তাদের থাকা, পরিদর্শন করা বা চলাচল করার ক্ষেত্রে সব ধরনের সহায়তা আমরা দেব।

তিনি আরও বলেন, প্রতিনিধি দল পার্বত্য চট্টগ্রামে গিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ দেখিয়েছেন। এ বিষয়ে তারা জানতে চেয়েছেন। আমরা বলেছি এটা যেহেতু নির্বাচনকেন্দ্রিক পর্যবেক্ষণ তাই এ বিষয়টি নির্বাচন কমিশন দেখবে। তাদের পর্যবেক্ষণের বিষয়টি আমাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।

আমিনুল ইসলাম বলেন, তারা নির্বাচনের আগে ৬ সপ্তাহ পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা পর্যবেক্ষণ করতে চান। তারা নির্বাচনকালীন সময়ে আসবেন। আমাদের দিক থেকে জানিয়েছি, সেখানে বিশেষ তিনটি জেলায় কিছু নিরাপত্তা ইস্যু আছে। যদিও বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই ভালো। ওই তিন জেলার ২৬টি উপজেলা, ১২২টি ইউনিয়ন ও প্রশাসনিক বিষয়ে আমরা তাদের জানিয়েছি। এ বিষয়ে তারা খুবই সন্তুষ্ট।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, তারা সরকারের আমন্ত্রণে নির্বাচনের ব্যাপারে পর্যবেক্ষক হিসেবে এসেছেন। যেহেতু এটা নির্বাচনকেন্দ্রিক পর্যবেক্ষণ, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভ্রমণে তাদের যাবতীয় পরামর্শ দেবে নির্বাচন কমিশন। আমরা তাদের সেখানকার পরিস্থিতি সম্পর্কে জানিয়েছি। সেখানে স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি সেনাবাহিনী রয়েছে। সুতরাং তারা যেন নিরাপত্তার ইস্যুটি মাথায় রাখেন সেটিও বলেছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আমেরিকার ‘দ্য রিপাবলিক’-এর পাতায় ইংল্যান্ড প্রবাসী মনসুর নোমান


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

লেখার জগতে দীর্ঘদিনের পথচলার পাশাপাশি ক্যামেরার লেন্সেও প্রকৃতি ও জীবনের গল্প তুলে ধরছেন শাহ মনসুর আলী নোমান। প্রকৃতির বৈচিত্র্য, মানুষের জীবন এবং নান্দনিক মুহূর্ত তাঁর আলোকচিত্রের প্রধান অনুষঙ্গ। বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্য,ভৌগোলিক পরিসর বদলালেও তাঁর এই সৃজনশীল চর্চায় ছেদ পড়েনি।সম্প্রতি তাঁর সেই আলোকচিত্রচর্চায় যুক্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির নতুন অধ্যায়।

ইংল্যান্ডের ল্যাঙ্কাশায়ারের বার্নলি থেকে ধারণ করা তাঁর একটি প্রকৃতিনির্ভর ছবি যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী দৈনিক ‘দ্য রিপাবলিক’-এর ৮ আগস্ট ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। ছবিটি পত্রিকাটির ‘ঞধশব ণড়ঁৎ ইবংঃ ঝযড়ঃ’ বিভাগে নির্বাচিত আলোকচিত্র হিসেবে স্থান পেয়েছে।

একই দিনে পত্রিকাটির অনলাইন সংস্করণেও ‘ঞধশব ণড়ঁৎ ইবংঃ ঝযড়ঃ: ঝযধয গড়হংঁৎ অষর ঘঁসধহ’ শিরোনামে ছবিটি প্রকাশ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্য থেকে প্রকাশিত দৈনিক ‘দ্য রিপাবলিক’ ১৮৭২ সাল থেকে প্রকাশিত হয়ে আসছে। স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি পত্রিকাটির ‘টেক ইয়োর বেস্ট শট’ বিভাগে নির্বাচিত আলোকচিত্র প্রকাশিত হয়।

জানা গেছে, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা শাহ মনসুর আলী নোমান পেশাগত জীবনে শিক্ষা প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি কলাম ও ফিচার লেখায়ও সক্রিয়। তাঁর লেখায় সমাজ, প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীবনঘনিষ্ঠ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।

ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখি ও আলোকচিত্র চর্চার প্রতি অনুরাগ শাহ মনসুর আলী নোমানকে সৃজনশীল এই দুই জগতের সঙ্গে সম্পৃক্ত রেখেছে। তাঁর কলাম, প্রতিবেদন ও আলোকচিত্র প্রকাশিত হয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ও প্রভাবশালী সংবাদপত্রে।বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের পাশাপাশি ইংল্যান্ডের ইঁৎহষবু ঊীঢ়ৎবংং, খধহপধংযরৎব ঞবষবমৎধঢ়য এবং ইইঈ বাংলা’র প্রবাহ অনুষ্ঠানেও তাঁর ধারণকৃত ছবি স্থান পেয়েছে।

মনসুর নোমান লেখালেখিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটি কর্তৃক ২০২৫ সালের সেরা ফিচার লেখক’ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।রিপাবলিকের মতো ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীনতম দৈনিক সংবাদপত্রে কোনো আলোকচিত্র প্রকাশিত হওয়া নিঃসন্দেহে শাহ মনসুর আলী নোমান এর সৃজনশীল প্রতিভার স্বীকৃতি এবং একটি মর্যাদাপূর্ণ অর্জন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সমসাময়িক সমাজ, পরিবেশ দূষণ, নদীভাঙন, পাহাড় কাটা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, স্থানীয় অবকাঠামো সমস্যা, যোগাযোগ ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, সংস্কৃতি, প্রশাসন, রাজনীতি ও মানবাধিকার,এই বিষয়গুলো তাঁর লেখার প্রধান ক্ষেত্র। তাঁর একাধিক প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং বাস্তব উন্নয়নমূলক উদ্যোগ গ্রহণে ভূমিকা রেখেছে।

তাঁর লেখা কলাম, নিবন্ধ, প্রতিবেদন ও আলোকচিত্র দেশে-বিদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিয়মিতভাবে প্রকাশিত হচ্ছে। ইংল্যান্ডে আসার আগে তিনি নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

শাহ মনসুর আলী নোমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে এমজিএস (দ্বিতীয় মাস্টার্স) সম্পন্ন করে মেধাক্রমে ব্যাচে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসএস এবং এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন।

সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও মনসুর নোমানের রয়েছে সক্রিয় ও বহুমাত্রিক সম্পৃক্ততা। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবকল্যাণমূলক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নানা জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে ভূমিকা রেখে আসছেন।

শপথ নিলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ নিয়েছেন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের ঐতিহাসিক দরবার হলে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।শপথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, কূটনীতিক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানে ১ হাজার ২০০-এর বেশি অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ