আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

নায়ক পরীমণিকে চাওয়ায় সিনেমা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মাহি

বিনোদন ডেস্ক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চলতি বছরের ২৮ মার্চ প্রথমবারের মতো মা হয়েছেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। মা হওয়ার আগে-পরে মিলিয়ে বছরখানেক সিনেমার শুটিংয়ে দেখা যায়নি তাঁকে। বিরতি কাটিয়ে গত ১০ অক্টোবর ‘ডার্ক ওয়ার্ল্ড’ সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নেন মাহি। সিনেমাটিপরিচালনা করছেন পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মানিক। বেশ খোশমেজাজেই সিনেমাটির শেষ ক্লাইমেক্সের শুটিংও শেষ করেন। এরপরই শুরু হয় বিপত্তি। মাহি জানান, সিনেমাটির শুটিং আর করবেন না তিনি। মাহির এমন সিদ্ধান্তের কারণ জানতেন না স্বয়ং পরিচালকও। তাই তিনিও হেতু খুঁজতে থাকনে। পেয়েও যান।

 

 

জানা গেছে সিনেমার নায়ক ও প্রযোজক মুন্না খান এক সাক্ষাৎকারে জানান, তিনি পরীমণির ভক্ত। তাই সে পরীমণিকে সিনেমাটতে নায়িকা হিসেবে চেয়েছিলেন। পরীমণি না করায় সিনেমাটিতে নায়িকা হিসেবে মাহিয়া মাহিকে নেওয়া হয়েছে।

পরিচালক পরিচালকমোস্তাফিজুর রহমান মানিক জানিয়েছেন ভিন্ন কথা। তিনি জানান, সিনেমার শুরু থেকেই মাহিয়া মাহিকে ভেবেছিলেন তিনি। অন্য কোনো নায়িকার সঙ্গে আলোচনাই করেননি।

পরিচালকের ভাষ্য, ‘সিনেমাটিতে নায়িকা হিসেবে শুরু থেকেই আমি মাহিয়া মাহিকে ভেবেছিলাম। পরে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে চূড়ান্তও করি। মাহিয়া মাহি ছাড়া অন্যকোনো নায়িকার সঙ্গে সিনেমাটি নিয়ে আমি যোগাযোগ করিনি। কিন্তু সিনেমার নায়ক এক সাক্ষাৎকারে অন্য একনায়িকার নাম বলেন। সেই নায়িকা সিনেমাটিনা করায় মাহিকে নেওয়া হয়েছে। মাহি মনে করেছেন, তাঁর কাছে বিষয়টি গোপন করেছি আমরা। তাই হয়তো অভিমান করে শুটিং করবেন না বলে জানিয়েছেন। কিন্তু মাহি ছাড়া অন্য নায়িকার সঙ্গে আমি কথা বলিনি।’

পরিচালকের এমন ভাষ্যের পর আরও খোলাসা হতে মাহিয়া মাহির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে পরিচালক জানিয়েছেন, মাহির সঙ্গেসাক্ষাৎ করে বিষয়টি সুরাহা করবেন। তাঁর আশা, মাহির মান ভাঙবে এতে।ক্রাইম থ্রিলার ঘরানার সিনেমাডার্ক ওয়ার্ল্ড। সিনেমায় দেখা যাবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশ্লীল ফুটেজ ছড়িয়ে একটি চক্র প্রতারণা করে। তাদের নির্মূলের অভিযান নিয়েই তৈরি হচ্ছে ছবিটি। ছবিতে একজন পুলিশ অফিসারের চরিত্রে দেখা যাবে মাহিকে।মাহি ছাড়াও ডার্ক ওয়ার্ল্ডে আরও অভিনয় করছেন মিশা সওদাগর ও নবাগত নায়ক মুন্না খান।

 

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত সচিব হলেন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার ১১৮ কর্মকর্তা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত সচিব হলেন প্রশাসনের যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার ১১৮ কর্মকর্তা। পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের সবাই বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২০তম ব্যাচের।মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই পদোন্নতির তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পদোন্নতির আদেশে উল্লিখিত কর্মস্থল থেকে কোনো কর্মকর্তার দপ্তর বা কর্মস্থল ইতোমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম-ঠিকানা উল্লেখ করে তাকে যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে। জনপ্রশাসন সচিবের কাছে সরাসরি বা ইমেইলে যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে।

পদোন্নতি পাওয়া কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরবর্তীতে কোনো বিরূপ বা ভিন্নরূপ তথ্য পেলে তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন বা বাতিল করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগে বড় পরিবর্তনবর্তমানে ২৮৫ জন অতিরিক্ত সচিব রয়েছেন। নতুন ১১৮ জনকে নিয়ে অতিরিক্ত সচিবরে সংখ্যা হয়েছে ৪০৩ জন। অতিরিক্ত সচিবের স্থায়ী পদের সংখ্যা ২১২ জন হওয়ায় পদোন্নতি পাওয়া বেশির ভাগ কর্মকর্তাকে আগের পদেই (ইনসিটু) কাজ করতে হবে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের এই পদোন্নতির ক্ষেত্রে অনেক যোগ্য ও দক্ষ কর্মকর্তা আবারও বাদ পড়েছেন। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির অপেক্ষায় ছিলেন, তাদের বড় একটি অংশ এই তালিকায় জায়গা পাননি বলে জানা গেছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ