আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

গা*জা সং*ঘাত বন্ধে হামাসকে যে শর্ত দিল যুক্তরাষ্ট্র।

আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফি*লিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হা*মাসের সদস্যরা আত্মসমর্পণ করলে তাৎক্ষণিকভাবে গা*জা যু*দ্ধ থামানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন।

বুধবার (২০ ডিসেম্বর) ওয়াশিংটনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এ সময় যুদ্ধবিরতির দাবি জানানোর পরিবর্তে হামাসকে আত্মসমর্পণ করতে চাপ দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছেন আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ব্লিঙ্কেন বলেন, যে বিষয়টি আমার কাছে অবাক লাগছে, তা হলো— অধিকাংশ দেশ গাজায় যুদ্ধবিরতির দাবিতে সোচ্চার, কিন্তু কেউই হামাসকে আত্মসমর্পণ করতে বলছে না। হামাসকে নিরীহ বেসামরিকদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে অস্ত্র চালানো বন্ধ করতে বলছে না কোনো দেশ। হামাস যদি অস্ত্র ফেলে দিতে রাজি হয়, তা হলে তাৎক্ষণিকভাবে এই যুদ্ধ থামানো সম্ভব।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই চাই যে এই যুদ্ধ শিগগিরই বন্ধ হোক; কিন্তু যদি হামাস তার সামরিক সক্ষমতাসহ গাজায় তার অবস্থান টিকিয়ে রাখে, তা হলে বারবার ৭ অক্টোবরের মতো হামলা সেখানে ঘটতে থাকবে। আর এ ধরনের হামলা ইসরাইলের জন্য হুমকি, মধ্যপ্রাচ্যের জন্য হুমকি এবং এমনকি বৈশ্বিক শান্তির জন্যও হুমকি।

সংবাদ সম্মেলনে ইসরাইল যে মাত্রায় গাজায় অভিযান চালাচ্ছে, তারও সমালোচনা করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা এর আগে একাধিকবার ইসরাইলকে বলেছি, আবারও বলছি— অভিযান যেন আরও সুনির্দিষ্ট করা হয়।

গত ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া হামাস–ইসরাইল সংঘাত গাজায় এখন পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে গাজায় ৫২ হাজার ৫৮৬ জন আহত হয়েছে। ধসেপড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছেন আরও হাজার হাজার মানুষ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ইরানের সঙ্গে সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্র আগের চেয়েও খারাপ অবস্থায়: ওবামা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন- ইরানের সঙ্গে সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পরিস্থিতি যুদ্ধ শুরুর আগের সময়ের তুলনায় আরও খারাপ হয়ে উঠেছে। ১৯ জুন মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওবামা বলেন, যুদ্ধের পেছনে শত শত কোটি ডলার ব্যয় করা হয়েছে।সামরিক বাহিনীর ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। কিন্তু এত বড় মূল্য চোকানোর পরও যুক্তরাষ্ট্র কার্যত আগের অবস্থানেই ফিরে এসেছে।

তারপরও আমরা যুদ্ধ শুরুর আগের জায়গাতেই ফিরে এসেছি। পরিস্থিতি এখন আরও খারাপ।
ইরানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারক নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ওবামা ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি (জেসিপিওএ) বাতিলের সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেন। তার মতে, ওই চুক্তি কার্যকর থাকলে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হতো। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে সরে যাওয়ায় তেহরান আরও বেশি পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।

সাক্ষাৎকারের শেষভাগে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন ওবামা। তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী রাখতে নাগরিকদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জবাবদিহির আওতায় রাখতে হবে।
সংগৃহীত –

ফুটবল বিশ্বকাপ -২০২৬ শুভ সূচনায় মেক্সিকোর চমক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ২-০ গোলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছে স্বাগতিক মেক্সিকো। তিনটি লাল কার্ডে উত্তপ্ত হয়ে ওঠা ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে কার্যত ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা আর কোনো প্রতিরোধ গড়তে পারেনি।ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মেক্সিকো। নবম মিনিটেই স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন হুলিয়ান কিনিয়োনেস। পঞ্চাশ মিনিটে দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডার সিথোলে পেনাল্টি বক্সের মাথায় ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। এর ফলে ১০ জনের দলে নেমে যায় সফরকারীরা।এরপর ছেষট্টি মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রাউল হিমিনেজ। এক গোল পেছনে পড়ে এবং একজন কম নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার লড়াই তখন আরও কঠিন হয়ে পড়ে।

চুরাশি মিনিটে আরও একবার লাল কার্ড দেখে বিপদ বাড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা। আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে ফাউল করে মাঠ ছাড়েন থেম্বা জেওয়ানে। যোগ করা সময়ের দুই মিনিটে লাল কার্ড দেখেন মেক্সিকোর সেজার মন্তেস, ফলে ম্যাচে মোট তিনটি লাল কার্ড দেখা যায়।শেষ পর্যন্ত দুই গোলের জয় নিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে মেক্সিকো।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ