আজঃ সোমবার ২২ জুন, ২০২৬

মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী।

ঢাকা অফিস:

বহিবিশ্ব:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জার্মানির মিউনিখে তিন দিনব্যাপী ‘মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন’ ২০২৪-এ যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি নিয়মিত ফ্লাইট সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১১টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি জার্মানির মুনচেন ফ্রাঞ্জ জোসেফ স্ট্রস, মুনচেন বিমানবন্দর থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি (স্থানীয় সময়) রাত ৯টা ৮মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।

প্রধানমন্ত্রী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম সরকারি সফরে ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় মিউনিখ এসে পৌঁছান। সেখানে অবস্থানকালে শেখ হাসিনা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। পাশাপাশি তিনি বেশ কয়েকজন বিশ্ব নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রধানমন্ত্রী জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলৎজ, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট, আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ, কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল-থানি এবং ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডারিকসেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।
জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলৎজ, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় শেখ হাসিনা যুদ্ধ, বিশেষকরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং গাজায় হামলা বন্ধের আহ্বান জানান।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর এবং যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বর্তমান পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন এবং জার্মান ফেডারেল অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন মন্ত্রী সভেনজা শুলজেও শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাত করেন।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারতীয় মুদ্রা টাকা ও রুপি ব্যবহারের ওপর জোর দেন।
উইমেন পলিটিক্যাল লিডার (ডব্লিউপিএল) এর প্রেসিডেন্ট সিলভানা কোচ-মেহরিন, সিনিয়র ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ডেভেলপমেন্ট পলিসি অ্যান্ড পার্টনারশিপ অ্যাক্সেল ভ্যান টর্টসেনবার্গ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়াসিস, মেটার গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের প্রেসিডেন্ট এবং যুক্তরাজ্যের সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী ড. স্যার নিক ক্লেগও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাদাভাবে সাক্ষাৎ করেন।
শেখ হাসিনা মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে ‘ফ্রম পকেট টু প্ল্যানেট: স্কেলিং আপ ক্লাইমেট ফাইন্যান্স’ শীর্ষক একটি প্যানেল আলোচনায় বক্তৃতা ও ছয়টি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য জলবায়ু অর্থায়ন ছাড় করতে এবং অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে সে অর্থ জলবায়ু তহবিলে জমা দিতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি মিউনিখের বার্গারহাউস গার্চিং হোটেলে জার্মানি ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেয়া সংবর্ধনায়ও যোগ দেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আটকে পড়া প্রবাসীদের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের সুখবর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আঞ্চলিক অস্থিরতার কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটকে পড়া বিদেশিদের জন্য ৩০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড ঘোষণা করেছে দেশটির ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্ট সিকিউরিটি (আইসিপি)।

এই ছাড়ের সময়সীমা এই বছরের ১০ জুন থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত বজায় থাকবে।এ সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জরিমানা ছাড়াই নিজেদের ভিসা বা আবাসিক অবস্থার বৈধতা নিশ্চিত করতে পারবেন অথবা দেশ ত্যাগ করতে পারবেন।

এই সুবিধা তাদের জন্য প্রযোজ্য, যারা আঞ্চলিক পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে ইউএই ছাড়তে না পারায় আগে ‘ওভার স্টে’ জরিমানা থেকে অব্যাহতি পেয়েছিলেন।কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অঞ্চলজুড়ে পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের বৈধভাবে দেশটিতে বসবাস ও কাজের সুযোগ বজায় রাখতে কিংবা স্বাভাবিক নিয়মে ফিরে যেতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আইসিপি আরও বলেছে, এর আগে ওভার স্টে জরিমানা মওকুফের সিদ্ধান্ত ছিল জরুরি ও ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে ভ্রমণকারী এবং দর্শনার্থীদের সহায়তা করার মানবিক পদক্ষেপের অংশ। সংস্থাটির ভাষ্য, বর্তমানে অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরে আসায় জরিমানা মওকুফের প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি আর বিদ্যমান নেই।

এই সুবিধা পেতে সংশ্লিষ্টদের কোনো অতিরিক্ত প্রাথমিক আবেদন বা পদক্ষেপও নিতে হবে না। যারা ইউএইতে থাকতে চান, তারা গ্রেস পিরিয়ডের মধ্যে আবাসন বা কর্মসংস্থানের অবস্থা নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তন করতে পারবেন। আর যারা দেশ ছাড়তে চান, তারা বিদ্যমান প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই সরাসরি চলে যেতে পারবেন।
সংশ্লিষ্টদের সর্বশেষ নির্দেশনা ও তথ্য জানার জন্য সরকারি মাধ্যম অনুসরণ করার আহ্বানও জানিয়েছে আইসিপি।

৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে কেনা চট্টগ্রাম বন্দরে আনা ৪টি ক্রেন পণ্য

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারবাহী জাহাজ থেকে দ্রুত ও নিরাপদে পণ্য ওঠানামার জন্য চারটি অত্যাধুনিক কিউ গ্যান্ট্রি ক্রেন (কিউজিসি) আগামী মাস থেকে পন্য উঠানামায় কাজ করবে বলে জানা গেছে। চীনের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘স্যানি মেরিন হেভি ইন্ডাস্ট্রি’ থেকে ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে এই ক্রেনগুলো কেনা হয়েছে। বিশেষ করে নিজস্ব ক্রেনবিহীন জাহাজ থেকে কনটেইনার খালাসে এসব ক্রেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ক্রেনগুলো বন্দরের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের (পিসিটি) জন্য আনা হয়েছে। এসব ক্রেন বহনকারী বিশেষায়িত ডেক জাহাজ এমভি ল্যান হাই হং ইউন গত শুক্রবার সন্ধ্যায় পিসিটি জেটিতে ভিড়ে। আগামী মাসের (জুলাই) মাঝামাঝি এগুলো দিয়ে পুরোদমে পণ্য ওঠানামা শুরু করা যাবে বলে বন্দর সূত্রে জানা গেছে।
বর্তমানে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান দুটি টার্মিনাল- নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) এবং চিটাগাং কন্টেইনার টার্মিনাল (সিসিটি)-তে মোট ১৮টি কী গ্যান্ট্রি ক্রেন সচল রয়েছে। এর মধ্যে এনসিটিতে ১৪টি এবং সিসিটিতে ৪টি ক্রেন ব্যবহৃত হচ্ছে।

জানা গেছে, পিসিটির বিশেষ ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমাবদ্ধতার কথা মাথায় রেখেই স্যানি মেরিন থেকে এই ক্রেনগুলো কাস্টমাইজড বা বিশেষভাবে তৈরি করে নেওয়া হয়েছে। পিসিটির মোট তিনটি জেটির মধ্যে একটিতে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান ওঠানামার উচ্চতার কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। ফলে ওই জেটিতে কোনো গ্যান্ট্রি ক্রেন বসানো সম্ভব নয়। বাকি দুটি জেটিতেও উচ্চতার সীমাবদ্ধতা থাকায় ক্রেন চারটির উচ্চতা নির্দিষ্ট করে ৪২ ফুট রাখা হয়েছে।

বন্দর ও আরএসজিটি সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে চারটি কিউজিসি সংগ্রহের জন্য চুক্তি করে আরএসজিটি। এক বছরের বেশি সময় ধরে নির্মাণকাজ শেষে ক্রেনগুলো এসেছে। নতুন চারটি ক্রেন চালু হলে পিসিটির বার্ষিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বর্তমান ২ লাখ ৫০ হাজার টিইইউএস থেকে বেড়ে ৬ লাখ টিইইউএসে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে জাহাজের অপেক্ষার সময় কমবে এবং লজিস্টিক ব্যয়ও হ্রাস পাবে।

এর আগে পিসিটির জন্য ১৪টি রাবার টায়ার্ড গ্যান্ট্রি (আরটিজি) ক্রেন সংগ্রহে ২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে আরএসজিটি। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত পাঁচ মাসে পিসিটিতে ১ লাখ ৪৩ হাজার টিইইউএস কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ