আজঃ শনিবার ২ মে, ২০২৬

ডেমরা ও শনির আখরায় হারল্যান স্টোর উদ্বোধন করলেন অপু বিশ্বাস।

মাইনুল মিসির বার্তা সম্পাদক

ঢাকা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজধানীর ডেমরায় চালু হলো দেশের সবচাইতে বড় একমাত্র অথেনটিক রিটেইল কসমেটিক শপ ’হারল্যান স্টোর’। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় ডেমরা হাজী নগর স্টাফ কোয়ার্টার মান্নান সাদু টাওয়ারে এবং ৪টায় শনির আখরার কদমতলি জিয়া সরনির ইস্টার্ন সিটি টাওয়ারে এই দুই স্টোর উদ্বোধনে ছিলেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। এ সময় এই তারকাকে দেখতে ছিলো উপচেপড়া ভীড়।

উদ্বোধনকালে অপু বিশ্বাস বলেন, গত কয়েকদিন ধরে আমাদের দেশের কসমেটিকস-এ যে প্যারাবেন নামের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের বিপজ্জনক পরিমান উপস্থিতি মিলেছে বলে সংবাদ প্রকাশ হচ্ছে। যা ক্যানসারের মতো ঘাতক ব্যাধিতে আমাদের আক্রান্ত করতে পারে। তাই সচেতন হওয়ার এখনই সময়।

অপু বিশ্বাস আরও বলেন, এই শো’রুম মান সম্মত অথেনটিক প্রসাধনী পণ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করবে। হারল্যান স্টোর আন্তর্জাতিক মানের খ্যাতনামা অথেনটিক সব ভয়ংকর প্যারাবেন মুক্ত কসমেটিক্স ও প্রসাধনী পণ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করছে। কসমেটিক্স ব্যবহারকারীদের কাছে অথেনটিক প্রোডাক্ট প্রাপ্তির জন্য এই স্টোর এখন নির্ভরতার প্রতীক।

শুধু তাই নয়, ভেজাল থেকে রক্ষা করে আপনার ত্বক বাঁচাতে হারল্যান স্টোর আজ আপনার শহরে এসেছে। তাছাড়া প্রিমিয়াম কোয়ালিটির প্রোডাক্ট নিশ্চিত হওয়ায় হাতের নাগালে মিলবে হারল্যান, নিওর, সিওডিল এবং ব্লেইজ ও স্কিনের প্রোডাক্টগুলো।

এ সময় অন্যন্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হারল্যান স্টোরের হেড অব অপারেশনস আব্দুল আলিম শিমুলসহ কোম্পানির ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

হারল্যান সংশ্লিষ্টরা জানান, মানসম্মত অথেনটিক কসমেটিক্স পণ্য দেশের সবার কাছে পৌঁছে দিতেই নতুন করে এসব ‘হারল্যান স্টোর’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশজুড়ে প্রতিটি জেলা ও উপজেলাভিত্তিক এসব স্টোর সৌন্দর্যপ্রিয় ত্বক সচেতন মানুষের চাহিদাপূরন করবে।

এছাড়া উদ্বোধন ও বসন্ত উৎসব উপলক্ষে এসব স্টোরে চলছে বিশেষ ডিসকাউন্ট। হারল্যানের প্রতিটি স্টোরে রয়েছে একদম ফ্রি-তে স্কিন এনালাইজার মেশিন ব্যবহারের সুযোগ। যার মাধ্যমে ভোক্তারা তাদের ত্বকের জন্য কোন ধরণের কসমেটিক্স প্রয়োজন সহজেই তা জানতে পারবেন।

ভোক্তাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে হারল্যান তাদের প্রোডাক্ট লাইনআপ করেছে আধুনিক ও ট্রেন্ডি। প্রিমিয়াম প্যাকেজিং আর কোয়ালিটি প্রোডাক্ট নিয়ে এই ব্র্যান্ড তার লাইনআপে রেখেছে প্রাইমার, ফাউন্ডেশন, কনসিলার, লিপস্টিক, জেল আইলাইনার, মাসকারা ও নেইল পলিশের মত সাজসজ্জার নানা রকম অনুষঙ্গ। যার সবকটি পাওয়া যাবে হারল্যান- নিউ ইয়র্ক স্টোরে।

হারল্যান ছাড়াও বিশ্বখ্যাত জনপ্রিয় ব্র্যান্ড নিওর, সিওডিল, ব্লেইজ-ও-স্কিন এবং লিলি’র অরিজিনাল কসমেটিকস পণ্য পাওয়া যাবে এসব স্টোরে। ‘ব্লেইজ ও স্কিন’ এর শাওয়ার জেল, বডি জেলি, স্ক্রাব, লোশন ইত্যাদি। রয়েছে ‘লিলি’ ব্র্যান্ডের হানি, লেমন, কিউ কাম্বার ও অ্যালোভেরা ফ্লেভারের ফেসওয়াশ। সিওডিল ব্র্যান্ডের স্কিন কেয়ার পণ্য। সিওডিলের পণ্যে নিয়াসিনামাইড, ভিটামিন সি, ই, বি৩, স্যালিসাইলিক এসিড ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় যা ত্বক সমস্যা সমাধানে অনেক কার্যকর। শুধু তাই নয় এই স্টোরে চশমা, লেন্স বা আইল্যাসের মতো কসমেটিকস সংশ্লিষ্ট ফ্যাশন পণ্য যুক্ত করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যমুনা ইলেকট্রনিক্স এর এক্সক্লুসিভ শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যমুনা ইলেকট্রনিক্স এর এক্সক্লুসিভ শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন হয়েছে।
আজ ২৭ এপ্রিল সোমবার দুপুরে সঞ্চিতা ইলেকট্রনিক্স এর স্বত্বাধিকারী সংগীত কুমার পালের সভাপতিত্বে যমুনা ইলেকট্রনিকস এর হেড অব সেলস মাকসুদুর রহমান প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এই শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ভাঙ্গুড়া বণিক সমিতির সভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুজ্জামান তরুন, ভাঙ্গুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আজাদ খান প্রমূখ।
যমুনা ইলেকট্রনিকস এর প্রতিটি পন্য কোয়ালিটিতে ওয়ান নম্বার এবং বিশ্ব মানের বলে দিন দিন মার্কেটে ভোক্তাদের কাছে যমুনা ইলেকট্রনিকস এর সকল পন্য সামগ্রিই ব্যাপক চাহিদা বাড়ছে।

এছাড়াও দেশব্যাপি যমুনা ইলেকট্রনিকস এর সকল পার্টনারসবৃন্দ যমুনার পন্য বিক্রি করে অনেক বেশি মুনাফা হচ্ছে বলে তারা অনেক খুশি। শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন শেষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ভাঙ্গুড়া বাজারের বিভিন্ন প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শো-রুম এর অফিসে এসে শেষ হয়। অনুষ্ঠানে এলাকার বিভিন্ন রকমের সাধারণ জনগণ,সাধারণ ব্যবসায়ী,রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও পাবনা জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা হচ্ছে ১ কোটি ৩০ লাখ লিটার পাম ওয়েল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ভর্তুকিমূল্যে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্ডধারীদের জন্য ১ কোটি ৩০ লাখ ৩২ হাজার লিটার পরিশোধিত পাম ওয়েল এবং মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব এসব প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।বৈঠক শেষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত পুনঃদরপত্র পদ্ধতিতে ১ কোটি ৩০ লাখ ৩২ হাজার লিটার পরিশোধিত পাম ওয়েল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পাওয়ার হাউস জেনারেল ট্রেডিং এলএলসি থেকে এই তেল কিনতে ব্যয় হবে ১৮১ কোটি ২৯ লাখ টাকা।

একই বৈঠকে জাতীয় উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে মসুর ডাল ক্রয়েরও প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। ৮ হাজার টন ডাল সংগ্রহ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রথম ধাপে ২ হাজার টন ডাল কেনা হবে, যার জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ কোটি ৬৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ঢাকার গুলশানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইজ সার্ভিসেস লিমিটেড এই ডাল সরবরাহ করবে।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ