বৃষ্টির ছোঁয়া পেতেই প্রকৃতির সবুজ সৌন্দর্যে গা ভাসিয়েছে চা-বাগান।

তিমির বনিক মৌলভীবাজার:

মৌলভীবাজার:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ কয়েক মাস শীতের আবহাওয়া ও শুকনো আদ্রতায় সিলেটের চা বাগানগুলোতে দেখা দিয়ে ছিলো পাতা শুন্য ও হলদে বাগান। কিন্তু বসন্তের আগমনে চা বাগান গুলোতে বৃষ্টির ছোঁয়া পেতেই ফিরে পাচ্ছে প্রকৃতি সবুজ সৌন্দর্য । সিলেট মানেই চা বাগান, সবুজের সমারোহ। এই সবুজের টানে পর্যটকরা ছুঁটে আসেন সারাদেশ থেকে। শীতের শেষে এসেছে বসন্ত। পাতাঝরা মৌসুম শেষে প্রকৃতিতে এসেছে প্রাণের সঞ্চার। চা বাগনে এসেছে নতুন কুঁড়ি। সুবজে ছেয়ে গেছে চারিদিক। এই সৌন্দর্য্যের টানে কয়েক দিন থেকে ছুঁটে আসছেন পর্যটকরা। যারা আসছেন তারা সিলেটের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে সবশেষে প্রশান্তির নিঃশ্বাস ছাড়েন চা বাগানে।

সিলেট শহরের থেকে লাক্কাতুরা ও মালিনীছড়া চা বাগানের দূরত্ব মাত্র তিন কিলোমিটার। শহরের উত্তর প্রান্তে এ দুটি বাগানের অবস্থান। এ বাগান দুটি ও তার চারপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দর্শকদের মনে নতুন প্রাণের স্পন্দন জোগায়। যা দেখতে প্রতিদিন অসংখ্য পর্যটক আসেন এসব চা বাগানে। সপ্তাহের শেষে বৃহস্পতিবার এই দু’টি চা বাগান ঘুরে দেখা যায় ইতিমধ্যে নতুন পাতার কুঁড়ি দিতে শুরু করেছে।

বিকেলের দিকে দেখা যায়, এই সবুজ গালিচার ছবি ফ্রেম বন্দি হতে ব্যস্ত চা বাগানে ঘুরতে আসা পর্যটকরা। চা বাগানের ভিতরে প্রবেশ করতেই দেখা যায় নতুন গজানো চা গাছের এই সৌন্দর্যের লীলা ভূমি দেখতে কেউ পরিবার নিয়ে, কেউ বন্ধু বান্ধব নিয়ে বাগানে ঘুরতে এসেছেন। আর কেউ বা চা বাগানের মধ্যে বসে ছোট ছোট টং দোকানে বসে চা পান করছেন আর বাগানের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন।

উঁচু নিচু টিলা সমতল যে দিকেই তাকানো যায়, শুধু সবুজ আর সবুজ দেখতে যেন শিল্পীর আল্পনায় আঁকা ছবির মতো। সিলেটের এই চা বাগানের সৌন্দর্য উপভোগ করতে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুঁটে আসেন পর্যটকরা। শুধু বাংলাদেশ নয় বাংলাদেশের বাইরে থেকে ছুঁটে আসেন পর্যটকরা এসব চা বাগানের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য। যে দিকেই তাকানো যায় শুধু সবুজ আর সবুজ আর কচি পাতার হলুদ বরণ আবরণের স্নিগ্ধতা।

এছাড়াও সিলেট বিভাগের মধ্যে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সদর জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে রয়েছে প্রায় দেড় শতাধিক চা বাগান। কয়েক লাখ একর জায়গার এ চা-বাগান গুলোতে দেশের শতকরা ৯৫ ভাগ চা উৎপন্ন হয়। দেশের চাহিদা মিটিয়ে চা বিদেশে রপ্তানি হয়, আয় হয় প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা। এ চা-পাতা উৎপাদিত হয় দু’টি পাতা ও একটি কুঁড়ি থেকে। সাধারণত নিচু জায়গা হতে তুলনামূলক উঁচু সমতল ভূমি এবং ছোট আঁকারের টিলা ও তার পাদদেশে চা গাছ জন্মায় বেশি। চা গাছের চারা রোপণ করার প্রায় পাঁচ বছর পর থেকে উৎপাদন শুরু হয়।

দর্শনার্থীরা জানান, অনেক সময় এসব চা বাগানের ভিতরে নানান ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তারা উধ্বর্তন প্রশাসনের প্রতি পর্যটকদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা এবং ট্যুরিস্ট পুলিশের ক্যাম্প করার দাবি জানান।

টং দোকানির সাথে কথা বলে জানা যায়, চা বাগানে সারা বছর পর্যটক আসেন তবে সব থেকে বেশি সময় পর্যটক আসেন যখন নতুন চা পাতা গজায় তখন। আর এমনিতে আমাদের শহরের আশপাশের মানুষ প্রতি সপ্তাহেই আসেন। আর পর্যটক আসলে আমাদের বেচাকেনা ভালো হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হবিগঞ্জে সারজিস ও নাছিরের বিরুদ্ধে মামলা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় নাগরিক পার্টি, র মূখ্য সমন্বয়ক নাছির উদ্দিন পাটোয়ারী ও উত্তররাঞ্চলের মূখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম সহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৪০/৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ ইকবাল হোসেন রুকন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন।

যাদের নামে মামলা হয়েছে, তারা হলেন হবিগঞ্জ জেলা জাতীয় শক্তির আহ্বায়ক নুর আলম চৌধুরী, ফকরুদ্দিন, আব্দুল হাই কামাল, রুহাম গাজী, সদস্য সচিব মাহবুবুল বারী চৌধুরী, নাহিদ উদ্দিন তারেক, আবু হেনা মোস্তফা কামাল ও ওয়াদুদ মাহমুদ চৌধুরী। এজাহারে বাদী ইকবাল হোসেন রুকন উল্লেখ করেন, ২৮ জুলাই কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের কর্মসূচির অংশ হিসেবে জুলাই আন্দোলনের শহীদ রিপন শীলের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং শোকসভায় অংশ নিতে নেতাকর্মীরা হবিগঞ্জ কোর্ট মসজিদের সামনে জড়ো হন।

এ সময় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা নাছির উদ্দিন পাটোয়ারী, সারজিস আলম, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, মাহবুবুল বারী চৌধুরী নেতৃতে ৪০/৫০ জন এনসিপির নেতাকর্মীরা ছাত্রদলের বিরুদ্ধে শ্লোগান দেয়। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও পাল্টা শ্লোগান দিলে উভয় পক্ষের মাঝে সংঘর্ষ বাঁধে।এতে জেলা ছাত্রদলের নেতা মাহফুজ চৌধুরী ও মোজাক্কির হোসেন ইমনসহ কয়েকজন আহত হন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, হামলার সময় কয়েকজনের কাছে থাকা পাঁচটি মোবাইল ফোন ও নগদ ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্তরা চলে যায় এবং আহতরা হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুল হক জানান-অভিযোগ পেয়েছি,আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বালুর ট্রাক দিয়ে এনসিপিকে আটকে রাখা যাবেনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)র মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া বলেছেন- বালুর ট্রাক দিয়ে নেতাকর্মীদের আটকে রাখা যাবেনা। ২৯ জুলাই নিজের ফেসবুকে এ-সংক্রান্ত পোস্ট দিয়েছেন।ওই পোস্টে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া লিখেছেন, ‘বালুর ট্রাক ভোলা সহজ নয়। কিন্তু আমাদের আপনাদের মতো বালুর ট্রাক দিয়ে আটকে ফেলা যাবে না।

এদিকে বৃষ্টির মধ্যেও হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলায় অবস্থিত রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্র এলাকার রাস্তায় অবস্থান নিয়েছেন এনসিপি নেতাকর্মীরা।এর আগে বুধবার এনসিপি নেতৃবৃন্দ মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজ থেকে রওনা দিয়ে বিকেল ৫টার দিকে শ্রীমঙ্গলের চা কন্যা ভাস্কর্যের সামনে পৌঁছালে পুলিশ রাস্তায় ব্যারিকেড দেয়।

এ সময় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা নাহিদ ইসলাম, ডা. মাহমুদা জাহান মিতু, সারজিস আলম, নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী, হাসনাত আবদুল্লাহসহ এনসিপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের দীর্ঘসময় বাগ্‌বিতণ্ডা চলে। একপর্যায়ে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে সামনের দিকে অগ্রসর হন তারা।

২৮ জুলাই হবিগঞ্জ জেলা শহরে পদযাত্রা ও সমাবেশ শেষে স্থানীয় বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে এনসিপির নেতৃবৃন্দের সংঘর্ষে বাধে। এতে সারজিস আলমসহ বেশ কয়েকজন আহত হন এবং বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।এ ঘটনার ওইদিন রাতে এনসিপির পক্ষ থেকে হবিগঞ্জে প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়।একই দিনে হবিগঞ্জ জেলা যুবদলের পক্ষ থেকে সমাবেশের ডাক দেওয়া হলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ