আজঃ শনিবার ১৪ মার্চ, ২০২৬

যশোরে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

ইয়ানূর রহমান, যশোর।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যশোরে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের ফলে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। দু’দিনের ব্যবধানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ মাঝারি আকার ধারণ করেছে। বুধবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে দু’দিন যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও রেকর্ড করা হয়েছে।

যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানাগেছে, যশোরাঞ্চলে পৌষের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ব্যারোমিটারের পারদ নেমে গেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। শুরু হয় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) যশোরের তাপমাত্রা নেমে যায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ওইদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল। এর আগে যশোরে শুক্রবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিলো । এরপর গত তিনদিন তাপমাত্রার ব্যারোমিটারের পারদ সামান্য উর্ধ্বমুখি হলেও শীত কমেনি। বরং সূর্যের দেখা না মেলায় কুয়াশা আর উত্তরের বাতাসে বেড়েছে শীতের তীব্রতা।

আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, যশোরে এখন মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। বুধবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় গোপালগঞ্জে, ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যশোরে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বিরাজ করছে কুয়াশা ও বাতাসের দাপট। দুইয়ে মিলে হাড়ে কাঁপন লেগেছে।

যশোরাঞ্চলের উপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। প্রচন্ড শীতের কারণে মানুষজনের স্বাভাবিক কর্মকান্ড ব্যহত হচ্ছে। মোটা জ্যাকেট, মাফলারে ঢেকে মানুষজনকে জুবুথুবু হয়ে পথ চলতে দেখা যায়। হাড় কাঁপানো শীতে ঘর থেকে বের হননি অনেকে। শীতের কারণে সারা দিনই গরম পোশাক পরে মানুষজনকে চলাচল করতে দেখা যায়।

তবে শৈত্যপ্রবাহ হলেও ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই শ্রমজীবী মানুষের। যশোর শহরের লালদীঘি পাড়ে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪শ’ মানুষ শ্রম বিক্রির জন্য জড়ো হয়ে থাকেন। প্রচন্ড শীতে সেই সংখ্যা অর্ধেকে এসে দাঁড়িয়েছে। তবে তারপরও কাজ না পাওয়ায় অনেকেই বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। কিছু মানুষ অনেক বেলা অবধি অপেক্ষা করছেন কাজের আশায়।

যশোরের শার্শার দক্ষিন বুরুজ বাগান গ্রামের কৃষক বলেন, শীতে ঘরের বাইরে যাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু না যেয়ে তো উপায় নেই। এখন ইরি-বোরো রোপনের মৌসুম চলছে। ক্ষেতে সেচ চলছে। জমির পাক শেষ হলেও রোপনের জন্য শ্রমিক মিলেছ না প্রচন্ড শীেেতার জন্য। একই গ্রামের দিনমুজুর বাবুল হোসেন বলেন, আমি ক্ষেতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করি। এখন ইরি-বোরো রোপনের মৌসুম চললেও ঠান্ডা পানিতে নেমে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। শীতের ভিতরে অনেক কষ্ট হচ্ছে।

নাভারন এলাকার রিকশা ভ্যানচালক আবুল হাসান বলেন, শীতে ঘরে থেকে মানুষ বের হচ্ছে খুবই কম। এজন্য যাত্রী পাচ্ছি না। আয় রোজগারও কমেছে। খুবই কষ্টে দিন পার করছি। গায়ে কাঁপন ধরানো ঠান্ডায় মানুষের পাশাপাশি প্রাণিকূলেরও জবুথবু অবস্থা। মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

ইয়ানূর রহমান : যশোরে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের ফলে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। দু’দিনের ব্যবধানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ মাঝারি আকার ধারণ করেছে। বুধবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে দু’দিন যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও রেকর্ড করা হয়েছে।

যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানাগেছে, যশোরাঞ্চলে পৌষের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ব্যারোমিটারের পারদ নেমে গেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। শুরু হয় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) যশোরের তাপমাত্রা নেমে যায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ওইদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল। এর আগে যশোরে শুক্রবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিলো । এরপর গত তিনদিন তাপমাত্রার ব্যারোমিটারের পারদ সামান্য উর্ধ্বমুখি হলেও শীত কমেনি। বরং সূর্যের দেখা না মেলায় কুয়াশা আর উত্তরের বাতাসে বেড়েছে শীতের তীব্রতা।

আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, যশোরে এখন মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। বুধবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় গোপালগঞ্জে, ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যশোরে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বিরাজ করছে কুয়াশা ও বাতাসের দাপট। দুইয়ে মিলে হাড়ে কাঁপন লেগেছে।

যশোরাঞ্চলের উপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। প্রচন্ড শীতের কারণে মানুষজনের স্বাভাবিক কর্মকান্ড ব্যহত হচ্ছে। মোটা জ্যাকেট, মাফলারে ঢেকে মানুষজনকে জুবুথুবু হয়ে পথ চলতে দেখা যায়। হাড় কাঁপানো শীতে ঘর থেকে বের হননি অনেকে। শীতের কারণে সারা দিনই গরম পোশাক পরে মানুষজনকে চলাচল করতে দেখা যায়।

তবে শৈত্যপ্রবাহ হলেও ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই শ্রমজীবী মানুষের। যশোর শহরের লালদীঘি পাড়ে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪শ’ মানুষ শ্রম বিক্রির জন্য জড়ো হয়ে থাকেন। প্রচন্ড শীতে সেই সংখ্যা অর্ধেকে এসে দাঁড়িয়েছে। তবে তারপরও কাজ না পাওয়ায় অনেকেই বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। কিছু মানুষ অনেক বেলা অবধি অপেক্ষা করছেন কাজের আশায়।

যশোরের শার্শার দক্ষিন বুরুজ বাগান গ্রামের কৃষক বলেন, শীতে ঘরের বাইরে যাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু না যেয়ে তো উপায় নেই। এখন ইরি-বোরো রোপনের মৌসুম চলছে। ক্ষেতে সেচ চলছে। জমির পাক শেষ হলেও রোপনের জন্য শ্রমিক মিলেছ না প্রচন্ড শীেেতার জন্য। একই গ্রামের দিনমুজুর বাবুল হোসেন বলেন, আমি ক্ষেতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করি। এখন ইরি-বোরো রোপনের মৌসুম চললেও ঠান্ডা পানিতে নেমে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। শীতের ভিতরে অনেক কষ্ট হচ্ছে।

নাভারন এলাকার রিকশা ভ্যানচালক আবুল হাসান বলেন, শীতে ঘরে থেকে মানুষ বের হচ্ছে খুবই কম। এজন্য যাত্রী পাচ্ছি না। আয় রোজগারও কমেছে। খুবই কষ্টে দিন পার করছি। গায়ে কাঁপন ধরানো ঠান্ডায় মানুষের পাশাপাশি প্রাণিকূলেরও জবুথবু অবস্থা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মোড়েলগঞ্জে আবুল কালাম হত্যা মামলায় আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মোড়েলগঞ্জ উপজেলায় আবুল কালাম খান হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে নিহতের পরিবার ও স্বজনরা। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার ঢেপুয়ারপাড় চিংড়াখালী এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দা, আত্মীয়-স্বজন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল খান ও তার সহযোগীরা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তার করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, অস্ত্র প্রদর্শন ও মাদক সংশ্লিষ্ট কার্যকলাপে জড়িত। তারা দাবি করেন, আবুল কালাম খান হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।

খুলনা বিভাগ সফরে তারেক রহমান তারেক রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ ২২ বছর পর আজ সোমবার খুলনা আসছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। হেলিকপ্টারে খুলনায় এসে দুপুর ১২টায় খালিশপুর প্রভাতী স্কুল মাঠে জনসভায় বক্তব্য দেবেন। এই জনসভা শেষে দুপুর ১টার দিকে হেলিকপ্টারে তিনি যশোরের উদ্দেশে খুলনা ছাড়বেন। যশোর উপশহর ডিগ্রি কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিয়ে ২টা ৪০ মিনিটে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ