
চট্টগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একমাত্র প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভরাডুবির মুখে পড়েছেন। তিনি চট্টগ্রাম-৮ ( বোয়ালখালী,চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ ) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছেন মাত্র ২ হাজার ৯০৬ ভোট, যা মোট ভোটারের শূন্য দশমিক ৫২ শতাংশ।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ১৩৪টি। ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ ১ লাখ ৫০ হাজার ৭৩৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবু নাছের পেয়েছেন ৫২ হাজার ৩৩ ভোট। চট্টগ্রামের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন এবং বোয়ালখালীর সহকারী রিটার্নিং অফিসার মেহেদী হাসান ফারুক ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্র অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। সে হিসাবে চট্টগ্রাম-৮ আসনে জামানত রক্ষা করতে প্রার্থীকে কমপক্ষে ২৩ হাজারের বেশি ভোট পেতে হতো (প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশ প্রায় ৩২ হাজার)। এনসিপি প্রার্থী সেই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় তার জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।
শুধু এনসিপি প্রার্থী নন, এ আসনে আরও দুই প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল আলম পেয়েছেন ১ হাজার ১৮৮ ভোট এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ এমদাদুল হক পেয়েছেন ৮৭ এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম জেলার ১৬টি আসনের মধ্যে ১৪টিতে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। বাকি দুটি আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থীরা।