ইউক্রেন কেন ন্যাটোর সদস্য হতে মরিয়া হয়ে পড়েছে?

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মিত্রদের কাছ থেকে ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য যেসব অস্ত্রশস্ত্র পায় সেগুলো তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভিলনিয়াসে ন্যাটো জোটের যে সম্মেলন এখন চলছে, সেটি ইউক্রেনিয়ান সৈন্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এক মূহূর্ত। কারণ লড়াই চালিয়ে যেতে তাদের যা দরকার, তা নির্ভর করছে এই সম্মেলনের ওপর।

বেশ ব্যাপক একটা প্রত্যাশা আছে যে এই সম্মেলন থেকে ইউক্রেনকে আরও অস্ত্রশস্ত্রের প্রতিশ্রুতি দেয়া হবে। সেই সঙ্গে গোলা-বারুদ, সামরিক রসদ। যুক্তরাষ্ট্র তাদের বর্তমান মওজুদ থেকে ইউক্রেনকে ক্লাস্টার বোমা দেয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে গত সপ্তাহে, সেটির একটা উদ্দেশ্য নতুন অস্ত্রশস্ত্রের সরবরাহ না আসা পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়টার চাহিদা পূরণ করা। কিন্তু ইউক্রেনের কাছে এই সম্মেলন কেবল অস্ত্রশস্ত্র আর গোলাবারুদের ব্যাপার নয়। ইউক্রেন যে এই সামরিক জোটে যোগ দিতে চাচ্ছে, সেটির ব্যাপারে সম্মেলন থেকে কী ধরণের অঙ্গীকার পাওয়া যাবে, সেটাই তাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ন্যাটোর দরোজায় ইউক্রেন কড়া নাড়ছে বহু বছর ধরে। তারা কেবল কিছু ইতিবাচক কথা-বার্তায় সন্তুষ্ট নয়। তাদের মধ্যে এমন একটা বোধ তৈরি হয়েছে যেন তাদের স্থায়ীভাবে ওয়েটিং রুমে বসিয়ে রাখা হয়েছে। ইউক্রেন চায় এর চেয়ে বেশি কিছু। ন্যাটো সামরিক চুক্তির একেবারে মূলে আছে আর্টিকেল ৫, যেটিতে বলা হয়েছে, যে কোন সদস্য দেশের ওপর আক্রমণ সব দেশের বিরুদ্ধে আক্রমণ বলে গণ্য হবে। সম্মিলিত প্রতিরক্ষার এই নীতি ইউক্রেনকে সুরক্ষা দিতে পারে। কিন্তু ন্যাটোর প্রায় সব সদস্য দেশই একমত যে, একটি দেশ যখন আগে থেকেই যুদ্ধে জড়িয়ে গেছে, তখন তাকে ন্যাটোর সদস্য করা কঠিন।

‘আমাদের বিশ্বাস, ইউক্রেনকে ন্যাটোতে অনেক আগেই আসলে আমন্ত্রণ জানানো উচিৎ ছিল,’ বলছেন ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখপাত্র ওলেগ নিকোলেংকো, ‘ন্যাটোতে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানোর মানে তো এই নয় যে সাথে সাথে ইউক্রেন ন্যাটোর সদস্য হয়ে যাবে। আমরা এটা বুঝি যে, যতদিন যুদ্ধ চলছে, ততদিন ইউক্রেন ন্যাটোতে যোগ দিতে পারবে না। আমরা তো বলছি আমাদের ন্যাটোর সদস্য হওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হোক, এবং কতদিনের মধ্যে এটা ঘটবে তার একটি সুস্পষ্ট সময়সীমা ঠিক করা হোক।’

বুখারেস্টে ২০০৮ সালে ন্যাটো জোটের যে সম্মেলন হয়েছিল, তখন ইউক্রেন এবং জর্জিয়াকে বলা হয়েছিল, ভবিষ্যতে তাদের ন্যাটো জোটের সদস্য করার কথা বিবেচনা করা হবে। কিন্তু কিভাবে এটি ঘটবে সেটি স্পষ্ট করে বলা হয়নি, এবং শীঘ্রই ঘটবে এমন কোন প্রত্যাশা কখনোই করা হয়নি। বুখারেস্ট সম্মেলনের ঐ ঘটনা রাশিয়াকে ক্রুদ্ধ করেছিল। ইউক্রেন বা জর্জিয়ার সুরক্ষার জন্য কোন ব্যবস্থা ন্যাটো জোট করেনি। ২০০৮ সালে রাশিয়া জর্জিয়ায় আক্রমণ চালায়। এরপর ইউক্রেনেও, প্রথমে ২০১৪ সালে, তারপর ২০২২ সালে। বুখারেস্ট সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের যারা অংশ নিয়েছিলেন, তারা এখন স্বীকার করেন ন্যাটোর ঐ সিদ্ধান্ত ছিল ভুল।

এবার ইউক্রেন আরও সুস্পষ্ট ঘোষণা এবং দৃঢ় নিশ্চয়তা চায়। ইউক্রেনকে সদস্য করার ব্যাপারে কী ধরণের অঙ্গীকার করা হবে এবং কতদিনের মধ্যে তা ঘটবে, সেগুলোর বিরাট প্রভাব পড়বে যুদ্ধের ওপর। যেমন, অনেকে যুক্তি দিচ্ছেন, যদি বলা হয় যে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরই কেবল ইউক্রেনকে সদস্য করা হবে, তাহলে রাশিয়া এই পথ বন্ধ করার জন্য সেখানে দীর্ঘ সময় ধরে নিচু মাত্রার লড়াই চালিয়ে যেতে পারে। কিন্তু ন্যাটোর অনেক সদস্য দেশই আসলে এখনই ইউক্রেনকে কিছু দেয়ার অঙ্গীকার করার ব্যাপারে বেশ সতর্ক। তাদের আশংকা, এর ফলে রাশিয়ার সঙ্গে ন্যাটো জোটের সত্যিকার যুদ্ধ বেধে যাওয়ার আশংকা বাড়বে।

তবে এরকম কথা-বার্তায় ইউক্রেন বেশ ক্ষুব্ধ। ‘সত্যি কথা বলতে কি, অনেক দিন ধরেই ন্যাটো জোট আসলে সময়ক্ষেপণ করে যাচ্ছে রাশিয়া তাদেরকে কিছু করতে দেবে কিনা, সেটা নিয়ে,’ বলছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের অফিসের একজন উপদেষ্টা মিখাইলো পডোলিয়াক, ‘ন্যাটোকে একেবারে খোলাখুলি কোন রাখ-ঢাক না করে বলতে হবে যে রাশিয়ার হুমকির সঙ্গে এ সদস্যপদ পাওয়ার বিষয়টি শর্তযুক্ত নয়।’

ইউক্রেনিয়ানরা মনে করে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ থামানোর একটা পথ হচ্ছে তাদের ন্যাটোর সদস্যপদ পাওয়া। কারণ এতে যুদ্ধ আর বাড়বে না, বরং সেটি রাশিয়াকে ঠেকাবে। তবে তারা স্বীকার করে, যেটা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বাইডেন সম্প্রতি বেশ স্পষ্ট করে বলেছেন, এজন্য ইউক্রেনে অনেক সংস্কার দরকার হবে। যে কোন দেশ ন্যাটোর সদস্য হতে হলে এসব সংস্কার জরুরি।

তবে ইউক্রেনিয়ানরা যুক্তি দেখায় যে, ন্যাটো তো গঠনই করা হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মস্কোকে মোকাবেলার জন্য। অথচ এখন ন্যাটোর হয়ে ইউক্রেনকেই কার্যত রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হচ্ছে। ন্যাটোর পূর্ব দিকের সীমান্ত এখন রক্ষা করছে কার্যত ইউক্রেন, আর সেখানে প্রতিদিন লড়াইয়ে মারা যাচ্ছে ইউক্রেনের সৈন্য এবং বেসামরিক মানুষ। ন্যাটো জোটের ভেতরে অনেকে মনে করেন, ইউক্রেনকে সদস্য হওয়ার আমন্ত্রণ জানানোর অনেক ঝুঁকি আছে। কিন্তু কিয়েভের অনেকের মতে, এটা ভুল। তাদের প্রশ্ন: যদি কিছু করা না হয় সেটির ঝুঁকি তাহলে কী?

তবে প্রকাশ্যে ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা বেশ আশাবাদী কথাবার্তাই বলে যাচ্ছেন। যদি তাদের কোন অস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়, বা একটি ‘শিথিল নিরাপত্তার’ নিশ্চয়তা দেয়া হয়, তখন কী হবে, সেটি নিয়ে তারা কথাবার্তা বলতে চায় না। তারা এমন কিছু বলতে চায় না যাতে মনে হতে পারে ইউক্রেন অকৃতজ্ঞ। কারণ ন্যাটো জোটের কাছ থেকে তাদের এখনো অস্ত্রশস্ত্র গোলাবারুদের সরবরাহ দরকার।

তবে ইউক্রেনকে যদি পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ জোটে না রাখা হয়, তখন দীর্ঘ মেয়াদে কী ঘটবে, সেটি নিয়ে অনেক ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাই একান্তে তাদের দুশ্চিন্তার কথা জানালেন। তাদের মতে, মস্কো তখন এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বলার চেষ্টা করবে, ‘দেখো পশ্চিমারা কীভাবে ইউক্রেনকে পরিত্যাগ করেছে, পশ্চিমাদের বিশ্বাস করা যায় না।’ একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বললেন, তখন ইউক্রেনের মানুষেরও মনে হতে পারে, তাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।

ইউক্রেনকে আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্য করা না হলে পশ্চিমা দেশগুলো অস্ত্রশস্ত্র এবং গোলাবারুদের সরবরাহ কতদিন অব্যাহত রাখবে সেটাও একটা দুশ্চিন্তা। কারণ যুদ্ধে অচলাবস্থা তৈরি হওয়ায় এক্ষেত্রে পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যেও ক্লান্তি আসতে পারে। ভ্লাদিমির পুতিন এবং রাশিয়া হয়তোবা সেটার ওপরই ভরসা করছে। সূত্র: বিবিসি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

একসঙ্গেই কোণঠাসা ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বেমিয়ামিন নেতানিয়াহু


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রে এবার কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাল ক্ষমতাসীন ট্রাম্পের দল। আবার ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও একই রকম ধাক্কা খেয়েছেন।দুই দেশের নির্বাচনে প্রভাবশালী নেতাদের ক্ষমতার দাপট কমে এসেছে । ট্রাম্পের ক্ষেত্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল কংগ্রেসে তাঁর দলের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করবে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর মেয়াদ এখনই শেষ হচ্ছে না। নেতানিয়াহুর ক্ষেত্রে নির্বাচনের ফল সরাসরি সরকার গঠনের প্রশ্ন তুলেছে। তাঁর দল লিকুদ পার্টি সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসনের সমর্থন নেই।

কীভাবে তাঁরা শেষের দ্বারপ্রান্তে এলেন
বুধবার বেলা আড়াইটায় মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। প্রয়োজনীয় ২২৫টিতে জিতেছে। উচ্চকক্ষ সিনেটে ৫৪টিতে নিশ্চিতভাবে জিতেছে। । এই ফলকে ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে জনমতের একটি স্পষ্ট বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভোটারদের ক্ষোভের কেন্দ্রে ছিল জীবনযাত্রার ব্যয়, জ্বালানির দাম, মূল্যস্ফীতি ও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ। দ্বিতীয় মেয়াদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে নিজেকে শান্তির দূত হিসেবে প্রতিষ্ঠার বার্তা দিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু যুদ্ধ, জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা ও শুল্কের প্রভাব সেই প্রতিশ্রুতিকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। তাই মধ্যবর্তী নির্বাচন শুধু কংগ্রেসের আসন বণ্টনের লড়াই ছিল না; এটি ট্রাম্পের নেতৃত্বের ওপর এক ধরনের গণভোটে পরিণত হয়।

ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর সংকটের ধরন ট্রাম্পের থেকে আলাদা। গত ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে তাঁর দল লিকুদ পার্টি নেসেটের ১২০ আসনের মধ্যে এককভাবে ২৭টি পেয়েছে। জোটের শরিকদের আসন মিলিয়ে তা দাঁড়ায় ৫৩টি। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ৬১ আসন। বিরোধী জোট ৪৮ আসন পেলেও তাদের সমর্থন দিচ্ছে ১৯ আসন পাওয়া আরব দলগুলো। ফলে বিরোধীরা সরকার গঠনের দৌঁড়ে অনেকটাই এগিয়ে।

বুধবার ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল গ্রহণ করবেন। একই সঙ্গে তিনি সরকার গঠনের জন্য সম্ভাবনাময় জোটের একজন নেতাকে দায়িত্ব দেবেন। দেশটির গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিরোধীদের সঙ্গে আরবদের সমর্থন থাকায় প্রথমে গাদি আইজেনকোটের সরকার গঠনের সম্ভাবনা বেশি।এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর প্রতিক্রিয়াগুলোতেও শেষের আবেগের বার্তা আছে।

আরব আমিরাত দুবাই জমকালো আয়োজনে ‘এনআরবি সিআইপি সম্মাননা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে জমকালো ও সুশৃঙ্খল আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘এনআরবি সিআইপি সম্মাননা ২০২৬’। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুবাইয়ের ক্রাউন প্লাজা হোটেলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত প্রায় ৩৬ জন কমার্শিয়ালি ইম্পর্ট্যান্ট পারসনকে (সিআইপি) সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য জননেতা আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাবেক মন্ত্রী মহামান্য ড. মোহাম্মদ সাঈদ আল কিন্দি, আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমদ এবং দুবাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল রাশেদুজ্জামানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে আমিরাতে বসবাসরত প্রায় ৩৬ জন সিআইপির হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। আমিরাতের সাবেক মন্ত্রী ড. মোহাম্মদ সাঈদ আল কিন্দি, বাংলাদেশ থেকে আগত সংসদ সদস্যরা এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও কনসাল জেনারেলসহ অতিথিরা সম্মাননা প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন। পুরো আয়োজন ছিল অত্যন্ত গোছানো, প্রাণবন্ত ও সুশৃঙ্খল। অতিথিরা অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলা ও সুন্দর আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাবেক মন্ত্রী মহামান্য ড. মোহাম্মদ সাঈদ আল কিন্দি এবং দুবাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল রাশেদুজ্জামান এমন সুন্দর ও সুশৃঙ্খল আয়োজনের প্রশংসা করেন।

প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা এবং দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা রেমিট্যান্সযোদ্ধা ও সফল উদ্যোক্তাদের সম্মাননা জানানোর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করে।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ