আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

বায়েজীদ বোস্তামী থানা পুলিশের অভিযানে জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তির কাজে বাধ্য করার অপরাধে গ্রেফতার -৪ জন, ২ জন ভিকটিম উদ্ধার

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

বায়েজীদ বোস্তামী থানাদ এসআই (নি.) মোঃ আজহারুল ইসলাম  থানা এলাকায় অভিযানে  বায়েজীদ বোস্তামী থানাধীন রুপনগর আবাসিক ১নং গলি, কাপ ভবনের একটি ফ্ল্যাটের অভ্যন্তরে অভিযুক্ত আরাফাতুল ইসলাম তার ৩/৪ জন সহযোগী নিয়ে মেয়েদের আটক রেখে অর্থের বিনিময়ে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়ন করছে। তখন এসআই (নি.) মোঃ আজহারুল ইসলাম সঙ্গীয় অফিসার-ফোর্সসহ উক্ত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত ১। আরাফাতুল ইসলাম (৩০), ২। ফারজানা বেগম (৩০), ৩। আবু ওমর (৩২), ৪। মোঃ আনসার (৩৫) দেরকে আটক করেন এবং উক্ত স্থান থেকে ভিক্টিম ১। লায়লা (২০) (ছদ্মনাম), ২। পারভীন (১৫) (ছদ্মনাম) দ্বয়কে উদ্ধার করেন। ভিকটিম লায়লাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তিনি গত ১৯ এপ্রিল ২০২৪  তারিখ চাকরির খোঁজে চট্টগ্রাম শহরের বহদ্দারহাট আসলে ১ নং অভিযুক্ত আরাফাতুল ইসলামের সহিত পরিচয় হয় এবং পরিচয়ের সুবাদে ভিক্টিমকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে উক্ত অভিযুক্তের বাসা অর্থাৎ উল্লিখিত ফ্ল্যাটে নিয়ে আসে এবং উক্ত স্থানে ২ নং অভিযুক্ত ফারজানা বেগমের সহিত পরিচয় করিয়ে দেয়। তখন ভিকটিম লায়লা উক্ত স্থানে পারভীনকে দেখতে পান। এরপর ভিক্টিম লায়লা উক্ত বাসায় থাকাকালে ১ ও ২ নং অভিযুক্ত ভিক্টিম পারভীনকে বাইরে থেকে খদ্দের এনে যৌন নিপীড়নে বাধ্য করে।  জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তিতে নিয়োজিত করতে দেখে সে উক্ত বাসা থেকে চলে আসতে চায়। তখন উক্ত ১ ও ২ নং অভিযুক্ত ভিকটিম লায়লাকে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে খদ্দেরের সাথে পতিতাবৃত্তি করতে বাধ্য করে। একপর্যায়ে ভিকটিম লায়লা অসুস্থ হয়ে পড়লে সে ১ নং অভিযুক্তের নিকট জানায়। কিন্তুু অভিযুক্ত তাকে পুনরায় তার কথা মতো কাজ না করলে খাবারসহ কোনো প্রকার ঔষধ কিনে দিবে না বলে জানায়। ১ নং অভিযুক্ত আরাফাতুল ইসলাম বিভিন্ন সময় খদ্দের সংগ্রহ করে প্রতিটি কাজে কম বেশি ১,হাজার টাকা নিয়ে কখনোই ভিকটিমদ্বয়কে টাকাপয়সা না দিয়ে ভিকটিমদ্বয়কে আর্থিকভাবে শোষণ করে এবং পতিতাবৃত্তি থেকে অর্জিত আয়ের উপর মুনাফা ভোগ করে। ১ মে ২০২৪. রাত ১০টায় ৩ নং অভিযুক্ত আবু ওমর (৩২) ও ৪নং অভিযুক্ত মোঃ আনসার (৩৫)-দ্বয়কে ১ নং অভিযুক্ত বাসায় খদ্দের হিসেবে নিয়ে আসলে ২ নং অভিযুক্ত তাহদেরকে ভিক্টিমদের রুমে প্রবেশ করিয়ে দিয়ে যৌন নিপীড়নে ও পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করে। পরবর্তীতে এসআই আজাহারুল ইসলাম বাদী হয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করলে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় ২০১২ সালের মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা রুজু হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তদেরকে পুলিশ প্রহরায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।উল্লেখ্য আরফাতুল এবং পারজানার বিরুদ্ধে এর আগেও মানব পাচার আইনে মামলা রয়েছে।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ