আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

জলাতঙ্ক নির্মূলে কুকুরের টিকাদান কর্মসূচি চালাবে চসিক

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 জলাতঙ্ক নির্মূলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অধীনে ৪১টি ওয়ার্ডে ব্যাপক হারে কুকুরের টিকাদান (এমভিভি) কর্মসূচি আগামী ৭মে থেকে শুরু হয়ে ১১ মে পর্যন্ত প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে। চসিকের ৪১টি ওয়ার্ডের এমডিভি কার্যক্রমে সহযোগীতায় থাকবেন ওয়ার্ডে সচিব, সার্ভেয়র, ভ্যাক্সিনেটর, দক্ষ কুকুর ধরার লোক, ও স্থানীয় দিক নির্দেশনা প্রদর্শন করার লোক। মাইকিং এর মাধ্যমে প্রতিটি ওয়ার্ডে (এমডিভি) কার্যক্রমের প্রচার প্রচারণা করা হবে এবং নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের মধ্যে কুকুর টিকাদানের ক্যাম্প করা হবে। ভ্যাক্সিনকৃত কুকুরকে লাল রং বা লাল ফিতার মধ্যমে চিহ্নিত করা হবে এবং ডিজিটাল মোবাইল এ্যাপের মাধ্যমে প্রতিটি কুকুরের রেকর্ড নিশ্চায়ন করা হবে। গৃহিত এই কার্যক্রমের মধ্যে রোগ ও রোগীর গুরুত্ব বিবেচনা করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ৪১টি ওয়ার্ডে ৪৬টি টিম কাজ করবে। প্রতিটি টিমে কাজ করবে ২জন দক্ষ কুকুর ধরার লোক, ১জন ভ্যাক্সিনেটর, ১জন ডাটা কালেক্টর, ১জন লোকাল দিক নির্দেশনা কর্মী। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ৪১টি ওয়ার্ডে ৪৬টি টিম পর্যবেক্ষন করবেন এমডিভি সুপার ভাইজর, ওয়ার্ড সচিব ও এমডিভি এক্সপার্ট। প্রতিটি ওয়ার্ডে দুপুর ৩টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত পর্যবেক্ষন করা হবে এবং যে সকল কুকুর টিকার আওতায় আসে নাই তা পরবর্তী দিন টিকার আওতায় আনা হবে। গতকাল সোমবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে ব্যাপকহারে কুকুরের টিকাদান (এমডিডি) সম্পর্কীত অবহিতকরণ ও প্রস্তুতিমূলক সভায় এ তথ্য উঠে আসে। সভায় চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ফজরের নামাজ পড়তে মসজিদে গেলে দেখি কুকুর খুব আগ্রাসী থাকে এবং দলবদ্ধভাবে প্রায়শ পথচারীদের ধাওয়া করে।
এজন্য জলাতঙ্ক নির্মূলে কুকুর নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান প্রয়োজন। আশা করি এমডিভি কর্মসূচির মাধ্যমে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে জলাতঙ্ক রোগ শতভাগ নির্মূল করা সম্ভব হবে। সভায় প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সচিব নজরুল ইসলাম, কাউন্সিলর হাজী নুরুল হক, ছালেহ আহম্মদ চৌধূরী, জহর লাল হাজারী, নাজমুল হক (ডিউক), হাসান মুরাদ বিপ্লব, মোঃ মোবারক আলী, গাজী মোঃ শফিউল আজিম, আবুল হাসনাত মোঃ বেলাল, মোঃ নুরুল আমিন, মোঃ ইলিয়াছ, মোঃ শেখ জাফরুল হায়দার চৌধুরী, মোঃ আবদুস সালাম মাসুম, আতাউল্লা চৌধুরী, মো. ইসমাইল, নূর মোস্তফা টিনু। সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রন শাখার এমডিজি এক্সপার্ট ডা. সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ মূল কর্মসূচি তুলে ধরেন। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), চট্টগ্রাম ডাঃ মোঃ মহিউদ্দিন, সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ ইলিয়াছ চৌধুরী, মেডিকেল অফিসার (রোগতত্ত্ব) সিভিল সার্জন অফিস, চট্টগ্রাম ডাঃ মোঃ নুরুল হায়দার এবং জেলা প্রানি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ নজরুল ইসলাম।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ফের অনিশ্চয়তায় সিসিসিআই নির্বাচন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শীর্ষ ব্যবসায়িক সংগঠন চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিসিআই) নির্বাচন অনিশ্চয়তায় পড়েছে। দুপক্ষের আইনি বিরোধের কারণে উচ্চ আদালতের নির্দেশে নির্ধারিত ৪ এপ্রিলের নির্বাচনও স্থগিত হয়ে গেছে। তবে আদালত আগামী ২৬ এপ্রিলের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ট্রাইব্যুনালকে বিরোধ নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন।
তথ্যটি নিশ্চিত করে রিটকারী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ বেলালের পক্ষে আইনজীবী আশফাকুর রহমান বলেন, আদালত আগামী ২৬ এপ্রিলের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ট্রাইব্যুনালকে বিরোধ নিষ্পত্তি করে সিদ্ধান্ত দিতে বলেছেন। পাশাপাশি হাইকোর্টের সর্বশেষ আদেশ আমলে না নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন।

চেম্বার সূত্রে জানা যায়, ৩ মার্চ প্রায় পাঁচ মাস স্থগিত থাকার পর চট্টগ্রাম চেম্বারের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের নতুন তফশিল ঘোষণা করা হয়েছিল। তফশিল অনুযায়ী আগামী ৪ এপ্রিল নগরের আগ্রাবাদ এলাকার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ভোট গ্রহণের কথা ছিল। ২৬ ফেব্রুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আইনি মতামতের ভিত্তিতে সাধারণ ও সহযোগী গ্রুপের ১৮ জন পরিচালক নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। তবে আদালতের নতুন আদেশে সেই নির্বাচনও স্থগিত হয়ে গেল।

এর আগে, গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের আটটি সংগঠনকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নির্দেশ দেয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ বেলাল হাইকোর্টে রিট করেন এবং এফবিসিসিআইতেও অভিযোগ করেন।
রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২২ অক্টোবর হাইকোর্ট দুই শ্রেণিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন পরিচালনার নির্দেশনা দিয়ে রুল জারি করেন এবং মন্ত্রণালয়ের ৪ সেপ্টেম্বরের চিঠির ওপর স্থগিতাদেশ দেন। পরে আপিলের পর ৩০ অক্টোবর আদালত দুই সপ্তাহের জন্য নির্বাচন স্থগিত করেন।

পরবর্তীতে গত ১১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট ছয়টি টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের ছয় প্রতিনিধিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেন। এ আদেশের বিরুদ্ধেও আপিল করেন রিটকারী মোহাম্মদ বেলাল। সেই আপিলের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত এফবিসিসিআইয়ের ট্রাইব্যুনালে বিরোধ নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন এবং মৌখিকভাবে বলেন, ৪ এপ্রিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ নেই।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচনে সাধারণ শ্রেণি থেকে ১২ জন, সহযোগী শ্রেণি থেকে ৬ জন এবং টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ শ্রেণি থেকে ৩ জন করে মোট ৬ জন পরিচালক নির্বাচিত হন। এভাবে ২৪ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হয়। পরে নির্বাচিত পরিচালকদের ভোটে একজন সভাপতি ও দুজন সহসভাপতি নির্বাচিত হন।এবার টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ শ্রেণি থেকে ছয়জন পরিচালক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে ছিলেন। তবে দুপক্ষের আইনি বিরোধের কারণে নির্ধারিত সময়েও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি এবং নতুন তফশিল ঘোষণার পরও তা আবার স্থগিত হয়ে গেছে।

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ