আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

মুন্সিগঞ্জ:

গজারিয়ায় বখাটের হামলার শিকার চার বছরের শিশু; ৩দিনেও আসামি আটক না হওয়ায় স্বজনদের ক্ষোভ

মো: দুলাল সরকার গজারিয়া মুন্সিগঞ্জ:

গজারিয়া:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ৫ বখাটেদের হামলার শিকার হয়েছে চার বছরের এক শিশু। স্থানীয় লোকজন ওই পাঁচ তরুণের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করায় এ হামলা হতে পারে বলে ধারণা ওই শিশুর স্বজনদের। তবে ঘটনার তিন দিন পার হলেও এখনো পর্যন্ত কেউ আটক না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।

হামলায় আহত ওই শিশুর নাম নাম তাহসিন (৪)। সে গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের দত্তেরচর গ্রামের হান্নান মুন্সীর ছেলে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও হামলার শিকার শিশুটির মা রূপালী বেগম বলেন, স্থানীয় ৫ বখাটে শুভ, রমজান, শাকিল, জিহাদ ও রিমন প্রায় বিকেলে আমাদের বাড়ির সামনে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যায়। রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় তারা বিভিন্ন মেয়েদের উত্ত্যক্ত করে বলে আমরা জানতে পেরেছি। স্থানীয় লোকজন সবাই তাদের এই কর্মকাণ্ডে বিরক্ত। গত মঙ্গলবার (১৮ জুন) রাত সাড়ে আটটার দিকে এরা পাঁচজন আরো কিছু লোকজন নিয়ে আমাদের মহল্লায় হামলা করে। এ সময় তারা আমার ঘরে ভাঙচুর চালিয়ে প্রায় এক লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন করে। আমি তাদের বাধাঁ দিতে গেলে আমাকে মারধর করে। এ সময় আমার চার বছরের শিশু পুত্র তাহিসন তাদের সামনে চলে আসলে তাকেও লোহার রড এবং লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে তারা। আহত তাহসিনকে আমরা প্রথমে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমাদের ঢাকা পাঠিয়ে দেন।

তিনি আরো বলেনন, ‘আমার স্বামী বিদেশ থাকে, কোনদিন ওই বখাটে ছেলেদের সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয়নি। কেন তারা আমাদের বাড়িঘরে হামলা চালানো তা আমার জানা নেই। এ ঘটনায় আমি থানাতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি তিন দিন হয়ে গেলো। এখনো পর্যন্ত কোনো আসামি আটক না হওয়ায় আমরা হতাশ’।

স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ মিয়া বলেন,’ ছেলেগুলো বখাটে স্বভাবের। প্রায় সময় দেখি রাস্তা দিয়ে হেটে তারা মেয়েদের উত্ত্যক্ত করে। এলাকাবাসীর বিভিন্ন কারণে তাদের উপর বিরক্ত’।

বিষয়টি সম্পর্কে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রাজিব খান বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

বোয়ালখালীতে বসতঘর চুরি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীর বসতঘরে ভেন্টিলেটর ভেঙে নিয়ে গেছে নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার। উপজেলার পোপাদিয়ার আকুবদন্ডী মিনা গাজী মাজার এলাকার প্রবাসী জয়নাল মাস্টারের ঘরে এ ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে পরিবারের সদস্যরা নগরী থেকে বাড়িতে এসে এ ঘটনা জানতে পারেন।

পরিবারের সদস্য প্রবাসী মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন মানিক জানান, তার বড় ভাই জয়নাল মাস্টার গত সপ্তাহে পরিবার নিয়ে নগরের হালিশহরে মেয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, সেমি-পাকা ঘরের ভেন্টিলেটর ভেঙে চোরের দল প্রবেশ করেছে। তারা আলমারি ভেঙে প্রায় ২ ভরি স্বর্ণের গয়না ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে এবং ঘরের সমস্ত জিনিসপত্র এলোমেলো করে রেখেছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মামুন বলেন, ‘জয়নাল মাস্টার ঘরে না থাকার সুবাদে চোরের দল এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করার জন্য ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের বলা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ