আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে সহকারির বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার কধুরখীল ইউনাইটেড মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের ল্যাব সহকারি সবুজ চক্রবর্ত্তী অভিজিৎ (৩০) এর বিরুদ্ধে স্কুলের ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ঐ ল্যাব সহকারির বাড়ি পটিয়া উপজেলায় কেলিশহর বলে জানা যায়। এ বিষয়ে গত কয়েকদিন আগে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. ইলিয়াছকে পৃথক ৪টি লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী ছাত্রীদের মধ্য থেকে কয়েকটি পরিবার। এদিকে অভিযোগ দেয়ার পর সবুজ স্কুলে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে পালিয়ে গেছে বলেও জানান তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্রীর পরিবারের সদস্য বলেন, মেয়ে কোচিংয়ে গেলে স্কুলে পাশ করানো, ভালো নম্বর পাওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখাতো সবুজ। পরে মেয়েকে জড়িয়ে ধরতো এবং তার বাসায় নিয়ে গিয়ে যৌন হয়রানি করতো। স্থানীয়রা জানান, সবুজ চক্রবর্ত্তী অভিজিৎ স্কুলের একজন ল্যাব সহকারি। কিন্তু তাকে স্কুলে ক্লাস করতে দেয়া হয়েছে। সে লালার দীঘির পাড়ে ক্যানভাস নামের একটি কোচিং সেন্টার পরিচালনা করত। ক্লাস করার সুবাধে সে কোচিংয়ে স্কুলের অষ্টম ও নবম শ্রেণির ছাত্রীদের পড়াতো।
সেখানের কয়েকজন ছাত্রীকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে সে তার বাসায় নিয়ে গিয়ে যৌন হয়রানি করত।
এ বিষয়ে কধুরখীল ইউনাইটেড মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইলিয়াছ বলেন, গত ৩ দিন আগে তার বিরুদ্ধে ৪ টি পৃথক যৌন হয়রানির অভিযোগ পেয়েছি। স্কুলের সভাপতি বর্তমানে দেশের বাইরে। তবে কমিটির অন্যান্য সদস্যরা বসে ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিব তার বিরুদ্ধে। ল্যাব সহকারি ক্লাস করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার জন্য নির্দিষ্ট কোন ক্লাস বণ্টন ছিলো না। অন্যান্য কোন শিক্ষক অনুপস্থিত থাকলে সে ক্ষেত্রে ক্লাসে যেতো। তবে এখন পাঠদানে নতুন কারিকুলাম আসায় আর ক্লাসে যাওয়ার সুযোগ নেই। অভিযুক্ত ল্যাব সহকারি সবুজ চক্রবর্ত্তী অভিজিৎ বলেন, আমার সাথে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। যারা অভিযোগ এনেছে তাদের মধ্যে একজন এসএসসি পাশ করে কলেজে যাওয়ার পথে। অন্যজন আমার থেকে প্রাইভেট পড়েছে ডিসেম্বরে, তাহলে জুলাই মাসে এসে কেন অভিযোগ উঠছে। এতেই বুঝা যায় আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমি চাই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ