আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

রাঙ্গামাটি:

প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ বির্নিমানে ছাত্রলীগকে জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে-দীপংকর তালুকদার এমপি

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:

রাজনীতি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ বির্নিমানে ছাত্রলীগকে জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাঙ্গামাটি সংসদ সদস্য ও বন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি দীপংকর তালুকদার এমপি।

তিনি বলেন, ছাত্রলীগ প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য কাজ করবে। মাদক নির্মূল্যে ক্যাম্পেইন করবে। বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে কাজ করবে। মেধা ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন ও বেকার সমস্যা দূরীকরণে কাজ করবেন।

বুধবার (১০ জুলাই) বিকেলে রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ে জেলা ছাত্রলীগের নব গঠিত আংশিক কমিটির মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রনি হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় ও পরিচিতি সভায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বৃষকেতু চাকমা, সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. মুছা মাতব্বর, স্বাস্থ ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ঝিনুক ত্রিপুরা, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল আলম সাইদুল, সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল জব্বার সুজন ও সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ চাকমা, ছাত্রলীগের উপ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অর্কপল তালুকদার, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রনি হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সোহাগ চাকমা, মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি তন্ময় চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আয়াদ শরিফ সিরাজ সহ নব কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দীপংকর তালুকদার এমপি আরো বলেন, আগামীতে এমন ছাত্রলীগ গঠন করতে হবে যাতে করে পদ-পদবি ব্যবহার করে কোনো দূর্নীতি বা চাঁদাবাজির সাথে জড়িত হবে না। লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশ সুনাম অক্ষুণœ রাখতে হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হাতিয়ার হিসেবে কাজ করতে হবে। দিনবদলের অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, শুধু জাতীয় প্রোগ্রাম নয়, ছাত্রলীগকে শক্তিশালী করতে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠান মালার আয়োজন করতে হবে। প্রতিটি উপজেলায় কর্মীসমাবেশের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে।

পরিচিতি সভায় স্বাগত বক্তব্যে নবগঠিত রাঙ্গামাটি জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রনি হোসেন বলেন, কমিটির সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ছাত্রলীগকে সংগঠিত করতে কাজ করবেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়ে আমাদের নতুন কমিটি ভূমিকা রাখবে। কোনো বিভেদ যাতে না হয়, বিষয়টি মাথায় রেখে মিলেমিশে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কর্মকান্ডকে এগিয়ে নেবো। তবে সংগঠনের জন্য দীর্ঘদিন কাজ করেও আংশিক কমিটি থেকে বাদ পড়াদের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে মূল্যায়ন করা বলে জানান তিনি। এসময় পরিচিতি সভায় নবগঠিত রাঙ্গামাটি জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহাগ চাকমাসহ কমিটির সকল সদস্যরা পরিচয় এবং অনুভূতি প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে উপস্থিত অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন জেলা ও মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান চবির নতুন উপাচার্য। 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান।তিনি  দীর্ঘ তিন দশকের বেশি  শিক্ষকতা, গবেষণা ও একাডেমিক নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদে আসীন হচ্ছেন।

বাংলাদেশ সচিবালয়ে  আজ সোমবার ১৬ মার্চ  এক প্রেস ব্রিফিংয়ে চবির নতুন উপাচার্যের নাম ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

 ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী  চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে অধ্যাপক ড. ফোরকানকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকানশি

ক্ষকতা জীবনের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার।

******************************

ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও অধ্যাপক। তিনি চবির উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে বিএসসি (সম্মান) ও এমএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ১৯৯৩ সালে একই বিভাগের প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন এবং ২০০৬ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রেও তাঁর রয়েছে উল্লেখযোগ্য সাফল্য। তিনি যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইন্ডিকা ধানের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ক গবেষণার ওপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে কানাডার ইউনিভার্সিটি অব আলবার্টা এবং অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চ কাউন্সিলে তেলবীজের গুণগত মান উন্নয়ন নিয়ে পোস্টডক্টরাল গবেষণা সম্পন্ন করেন।

এছাড়াও তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, ডেভিসে ভিজিটিং প্রফেসর ও গবেষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর পিএইচডি ও পোস্টডক্টরাল গবেষণার জন্য তিনি ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (IDB)-এর মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তি লাভ করেন।

২০০৪ সালে তাঁর উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। তাঁর উদ্যোগে বিভাগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ফাংশনাল জেনোমিক্স অ্যান্ড প্রোটিওমিক্স ল্যাবরেটরি (FGPL) এবং অত্যাধুনিক সুবিধাসম্পন্ন স্বয়ংক্রিয় জলবায়ু নিয়ন্ত্রিত গ্রিনহাউস।

 

এই ল্যাবরেটরিতে ডিএনএ সিকোয়েন্সার, আরটি-পিসিআর, জিন পালসারসহ অত্যাধুনিক গবেষণা যন্ত্রপাতি রয়েছে। ফলে উদ্ভিদ টিস্যু কালচার ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, প্রোটিওমিক্স, জেনোমিক ও ট্রান্সক্রিপ্টোমিক বিশ্লেষণ, মানব ও অন্যান্য রোগের গবেষণা, মাইক্রোবায়োলজি এবং বায়োইনফরমেটিক্সসহ জীববিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নত গবেষণা পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে।

 

২০১৯ থেকে ২০২২ সালের করোনা মহামারির সময় তিনি কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ কার্যক্রমে সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেন। ৩১ বছরের শিক্ষকতা ও গবেষণা জীবনে ড. আল-ফোরকানের প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা ৫১টি। তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিভিন্ন জার্নালের সম্পাদকীয় বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং জার্নাল অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস-এর প্রধান সম্পাদক হিসেবেও কাজ করেছেন।

গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তিনি ইউএসডিএ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বিসিসিটিসহ (BCCT), শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গারেই (GARE), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বরাদ্দ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পসহ দেশি-বিদেশি স্বনামধন্য সংস্থা থেকে ৫০টিরও বেশি গবেষণা অনুদান অর্জন করেছেন। গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে তিনি ৩৯ জন এমএস শিক্ষার্থীর থিসিস, সাতজন এম.ফিল গবেষক এবং একজন পোস্টডক্টরাল গবেষকের গবেষণা তত্ত্বাবধান করেছেন।

এছাড়াও তিনি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত আছেন। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী ফোরামের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ