আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

অভূতপূর্ব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য আজ বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে

জনগণের নির্বিঘ্নে চলাচলের যারা ক্ষতি করেছে, তাদের বিচার এদেশের জনগণ-প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন -কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যেভাবে বেছে বেছে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা দানবীয় কায়দায় ধ্বংস করা হয়েছে, তা চোখে না দেখলে যায় না। যেসব স্থাপনা মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করেছে, সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। আজ মিরপুর -১০ মেট্রো রেল স্টেশন পরিদর্শন শেষে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে সরকারি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করার জন্য দেশবাসীর কাছে বিচার চেয়েছেন। তিনি বলেন – আমি এই অপরাধীদের বিচার চাই জনগণের কাছে। এই ধ্বংস

লীলার বর্ণনা দেওয়ার ভাষা আমার নেই। স্টেশনের ভিতরে ডিজিটাল ইলেকট্রনিক সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে। কতদিনে ঠিক হবে কষ্টে গড়া মেট্রোরেল।
মিরপুর- ১০ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশন পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলতে বলতে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। এই মেট্রোরেলে সরকারের মন্ত্রী, এমপি, কিংবা সরকারি পদস্থ কর্মকর্তারাই শুধু যাতায়াত করবেন না, যাতায়াত করবেন সাধারন জনগণও।জনগণের এই সুবিধা যারা নষ্ট করল, দেশের সম্পদ নষ্ট করল, তাদের বিচার জনগণ করতে হবে।
মেট্রোরেল করতে যে অনেক বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করতে হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই মেট্রোরেল করতে সক্ষম হয়েছি। অফিসগামী মানুষের কষ্ট লাঘব হয়েছে। গত ১৭ জুলাই থেকে যে ধ্বংসযজ্ঞ করা হলো, কাদের কল্যাণে এসব করা হলো? এ প্রশ্ন রাখছি আপনাদের কাছে। এখন আপনাদের সেই আগের মত কষ্ট করে ট্রাফিক জামে পড়ে যাতায়াত করতে হবে। তারা শুধু স্থাপনাগুলো ধ্বংস করেনি, ব্যাপক লুটপাট চালিয়েছে। আধুনিক এ গণপরিবহনের সিসি ক্যামেরা এলইডি মনিটর, টিকিট কাটার মেশিন সহ সব মূল্যবান জিনিসগুলো লুটপাট হয়েছে। আগে বাংলাদেশের মানুষকে ভিক্ষুকের জাতি হিসেবে মনে করত বিদেশীরা
।এখন দেশের এসব অভূতপূর্ব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য আজ বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ যে কোন দেশে মর্যাদা পাচ্ছে।
আমি কোটা আন্দোলনকারীসহ সকলকে ধৈর্য ধারণ করতে বলেছিলাম। কিন্তু আমাদের শিক্ষার্থীরা ধৈর্য্য ধারণ না করে আন্দোলনে নেমেছিল। তাদের আন্দোলনের ওপর ভর করে দুষ্কৃতকারীরা দেশের ব্যাপক ক্ষতি করেছে।শেষ পর্যন্ত বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে আদালতের মাধ্যমে। ইতিমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে কোটা সংস্কারের জন্য আপিল করা হয়েছিল।
এই মেট্রোরেল করতে অনেক কষ্ট করেছি। তিনি বলেন জনগণের নির্বিঘ্নে চলাচলের যারা ক্ষতি করেছে, তাদের বিচার এদেশের জনগণ করতে হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরো ৫৩ হাজার টন ডিজেল নিয়ে বন্দরে এলো ২ জাহাজ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরো ৫৩ হাজার ৬০০ টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছেছে দুটি জাহাজ। শনিবার চীন ও ভারত থেকে আসা এসব জাহাজগুলোর স্থানীয় শিপিং এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, এপ্রিল মাসে ২০টি জাহাজে করে মোট ৬ লাখ ৫ হাজার ২২৭ টন জ্বালানি আমদানি করা হয়েছিল।মে মাসেও ১ লাখ টন ক্রুড অয়েলসহ মোট ৬ লাখ টন জ্বালানি আমদানির লক্ষ্যমাত্রা নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রাইড শিপিং লাইনের তথ্যমতে, চীন থেকে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ ‘লিলা কিংস্টন’ ১৯ হাজার টন ডিজেল নিয়ে গত শুক্রবার বিকাল ৩টায় বহির্নোঙরে পৌঁছে। শনিবার ভোরে আরো ৩৪ হাজার ৬০০ টন ডিজেল নিয়ে পানামার পতাকাবাহী জাহাজ ‘প্রাইভেট সোলানা’ এসে কুতুবদিয়া এঙ্করেজে ভিড়েছে। প্রাইড শিপিং লাইনের ম্যানেজিং পার্টনার নজরুল ইসলাম বলেন, ডলফিন জেটিতে বর্তমানে দুটি জাহাজ আছে এবং বহির্নোঙরে অপেক্ষমান আছে আরো দুইটি। একটি জাহাজ থেকে লাইটারিং চলমান আছে। নতুন আরো দুইটি জাহাজ আসায় বর্তমানে বন্দরে জ্বালানি তেলবাহী জাহাজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাতটিতে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ