আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

অভূতপূর্ব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য আজ বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে

জনগণের নির্বিঘ্নে চলাচলের যারা ক্ষতি করেছে, তাদের বিচার এদেশের জনগণ-প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন -কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যেভাবে বেছে বেছে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা দানবীয় কায়দায় ধ্বংস করা হয়েছে, তা চোখে না দেখলে যায় না। যেসব স্থাপনা মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করেছে, সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। আজ মিরপুর -১০ মেট্রো রেল স্টেশন পরিদর্শন শেষে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে সরকারি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করার জন্য দেশবাসীর কাছে বিচার চেয়েছেন। তিনি বলেন – আমি এই অপরাধীদের বিচার চাই জনগণের কাছে। এই ধ্বংস

লীলার বর্ণনা দেওয়ার ভাষা আমার নেই। স্টেশনের ভিতরে ডিজিটাল ইলেকট্রনিক সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে। কতদিনে ঠিক হবে কষ্টে গড়া মেট্রোরেল।
মিরপুর- ১০ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশন পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলতে বলতে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। এই মেট্রোরেলে সরকারের মন্ত্রী, এমপি, কিংবা সরকারি পদস্থ কর্মকর্তারাই শুধু যাতায়াত করবেন না, যাতায়াত করবেন সাধারন জনগণও।জনগণের এই সুবিধা যারা নষ্ট করল, দেশের সম্পদ নষ্ট করল, তাদের বিচার জনগণ করতে হবে।
মেট্রোরেল করতে যে অনেক বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করতে হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই মেট্রোরেল করতে সক্ষম হয়েছি। অফিসগামী মানুষের কষ্ট লাঘব হয়েছে। গত ১৭ জুলাই থেকে যে ধ্বংসযজ্ঞ করা হলো, কাদের কল্যাণে এসব করা হলো? এ প্রশ্ন রাখছি আপনাদের কাছে। এখন আপনাদের সেই আগের মত কষ্ট করে ট্রাফিক জামে পড়ে যাতায়াত করতে হবে। তারা শুধু স্থাপনাগুলো ধ্বংস করেনি, ব্যাপক লুটপাট চালিয়েছে। আধুনিক এ গণপরিবহনের সিসি ক্যামেরা এলইডি মনিটর, টিকিট কাটার মেশিন সহ সব মূল্যবান জিনিসগুলো লুটপাট হয়েছে। আগে বাংলাদেশের মানুষকে ভিক্ষুকের জাতি হিসেবে মনে করত বিদেশীরা
।এখন দেশের এসব অভূতপূর্ব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য আজ বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ যে কোন দেশে মর্যাদা পাচ্ছে।
আমি কোটা আন্দোলনকারীসহ সকলকে ধৈর্য ধারণ করতে বলেছিলাম। কিন্তু আমাদের শিক্ষার্থীরা ধৈর্য্য ধারণ না করে আন্দোলনে নেমেছিল। তাদের আন্দোলনের ওপর ভর করে দুষ্কৃতকারীরা দেশের ব্যাপক ক্ষতি করেছে।শেষ পর্যন্ত বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে আদালতের মাধ্যমে। ইতিমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে কোটা সংস্কারের জন্য আপিল করা হয়েছিল।
এই মেট্রোরেল করতে অনেক কষ্ট করেছি। তিনি বলেন জনগণের নির্বিঘ্নে চলাচলের যারা ক্ষতি করেছে, তাদের বিচার এদেশের জনগণ করতে হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সাত বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকার দেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগ দিয়েছে।সোমবার (১৬ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পাচ্ছেন অধ্যাপক রইস উদ্দিন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান খান, ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক নুরুল ইসলাম এবং খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) অধ্যাপক মোহাম্মদ মাসুদ।এছাড়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক মো. আল ফোরকান, এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম।

 

যতই শক্তিশালী হোক, খাল দখলদারদের ছাড় দেওয়া হবে না : অর্থমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


খাল দখলদারদের ছাড় না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সোমবার দুপুরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের বামনসুন্দর এলাকায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেছেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে। এসব প্রকল্পে দুর্নীতির স্থান নেই। যতই শক্তিশালী হোক, খাল দখলদারদের ছাড় দেওয়া হবে না। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশের অর্থনীতির অবস্থা ভালো নয়, মধ্যপ্রাচ্যেও যুদ্ধ চলছে। এর মধ্যেও সরকার সব কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি এনার্জি ক্রাইসিসের মধ্যেও সরকার কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রান্তিক মানুষকে সুফল দিতে খাল খনন কর্মসূচি কৃষি ও মৎস্যসহ নানা ক্ষেত্রে পরিবর্তনের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় ভূমিকা রাখবে।দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল জলাধরা খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের উদ্যোগে বামনসুন্দর এলাকার আলিরপোল এলাকা থেকে বানাতলী পর্যন্ত তিন কিলোমিটার এলাকা পুনঃখনন করা হবে। এতে করে সরাসরি উপকারভোগী হবেন সাধারণ কৃষক। কৃষিতে প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ নিশ্চিত করা যাবে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন, কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মুহাম্মদ বদিউল আলম সরকার প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ