আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

মার্চ ফর জাস্টিস চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গনে বিক্ষোভে যোগ দিলেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা প্রায় ১৫দিন পর প্রকাশ্যে এসেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, চট্টগ্রাম’র দুই সমন্বয়ক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গনে প্রায় চার ঘণ্টা অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন ‘বৈষম্যবিরোধী’ আন্দোলনকারীরা। এর আগে পুলিশ মূল প্রবেশপথে অবস্থান নেওয়ায় বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা মিছিল করে আন্দোলনকারীদের আদালত প্রাঙ্গনে নিয়ে যান। পরে মূল আদালত ভবনের পাশে আইনজীবী এনেক্স ভবনের সামনে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিকেল পর্যন্ত বিক্ষোভ কর্মসূচি চালিয়ে যান আন্দোলনকারীরা। তাদের বিক্ষোভকে ঘিরে আদালত অঙ্গনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন।
গতকাল বুধবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল সোয়া ৩টা পর্যন্ত বিক্ষোভের পর আন্দোলনকারীরা আদালত থেকে মিছিল নিয়ে নিউমার্কেটে গিয়ে তাদের কর্মসূচি শেষ করেন। মিছিলে কিশোর-তরুণ থেকে মধ্যবয়সী হাজারখানেক লোক অংশ নেন। বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে পুলিশ কয়েকজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়, তবে ঠিক কতজনকে আটক করা হয়েছে সেটি জানানো হয়নি।
‘শিক্ষার্থী হত্যার বিচার ও বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়াসহ ৯ দফা দাবিতে’ কেন্দ্রঘোষিত ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা সেখানে অবস্থান নিয়েছিলেন, যদিও পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে তারা মূল আদালত ভবনের সামনে পৌঁছাতে পারেননি।
আদালত প্রাঙ্গনে ঘোষিত কর্মসূচি শুরুর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে খন্ড খন্ড মিছিল এসে লালদিঘীর পাড়ে জেলা পরিষদ মার্কেটের সামনে জড়ো হয়। আগে থেকেই লালদিঘীর পাড়, আদালত প্রাঙ্গন থেকে কোতোয়ালী মোড় পর্যন্ত এলাকায় পুলিশ-বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন ছিল। এ সময় আদালত প্রাঙ্গনে কোনো যানবাহন ঢুকতে দিচ্ছিল না পুলিশ।
অন্যদিকে আন্দোলনকারীরা দুইদিকের প্রবেশপথে অবস্থান নিয়ে সাধারণ মানুষকে আদালতে প্রবেশে বাধা দিতে থাকেন। এ সময় পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিলেন। পুলিশ দেখলেই আন্দোলনকারীরা ‘ভূয়া, ভূয়া’ বলে চিৎকার করতে থাকেন। মূল ফটকে পুলিশের শক্ত অবস্থানের কারণে আন্দোলনকারীরা সেদিকে না এগিয়ে জেলা পরিষদ মার্কেটের সামনেই অবস্থান করতে থাকেন।
সকাল ১১টার দিকে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা মিছিল করে জেলা পরিষদ মার্কেটের সামনে যান। তারা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে নিয়ে পুলিশের বেষ্টনী সরিয়ে আদালত প্রাঙ্গনে যান। তারা আইনজীবী এনেক্স ভবনের সামনে তিন রান্তার মোড়ে অবস্থান নেন। আন্দোলনকারীরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, চেয়েছিলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার, আমার ভাই মরল কেন, সরকার জবাব চাই’- এ ধরনের বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। তাদের ঘিরে থাকেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা।
দুপুর ১২টার দিকে বিক্ষোভস্থলের একপাশে ‘বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ’র ব্যানারে আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা মিছিল করার চেষ্টা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত তারা মিছিল করেননি। প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়ায় আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবীরা বিক্ষোভকারীদের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের সঙ্গে তাদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী এসে আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবীদের সরিয়ে নেন।
বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিকেল সোয়া ৩টা পর্যন্ত আন্দোলনকারীরা সেখানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। এ সময় ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, চট্টগ্রাম’র সহ সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফিসহ তিনজন শিক্ষার্থী বক্তব্য দেন। পরে তারা মিছিল নিয়ে নিউমার্কেট মোড়ে গিয়ে কর্মসূচি সমাপ্তির ঘোষণা দেন। মিছিলের অগ্রভাগে ছিলেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম ওবায়দুল হক বলেন, আন্দোলনকারীরা আদালত প্রাঙ্গনে অবস্থান নিয়ে শান্তিূর্ণভাবে বিক্ষোভ করেছে। পুলিশের অবস্থান থাকলেও কাউকে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া হয়নি। বিক্ষোভ শেষে তারা চলে গেছেন। কাউকে আটক কিংবা গ্রেফতার করা হয়নি।
তবে কোটা সংস্কারের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, প্রাণহানিসহ বিভিন্ন ঘটনার প্রায় ১৫দিন পর প্রকাশ্যে এসেছেন ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, চট্টগ্রাম’র দুই সমন্বয়ক রাসেল আহমেদ ও খান তালাত মাহমুদ রাফি।
দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গনে এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যোগ দেন তারা। এ সময় আন্দোলনকারীরা স্লোগান দিয়ে তাদের অভ্যর্থনা জানান।
সমবেতদের উদ্দেশে খান তালাত মাহমুদ রাফি বলেন, খুনিদের বিচার না নিয়ে ঘরে ফিরব না আমরা। আমার ভাইদের জেল থেকে বের না করা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। হয় আমার ভাইদের ছাড়তে হবে, নয়তো কারাগারের আয়তন বড় করতে হবে। সারা বাংলাদেশ জেগে গেছে। ঘরে বসে থাকার সুযোগ আর নেই।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাবার বন্ধুদের কাছে পেয়ে সম্মান জানাতে ভুললেন না প্রতিমন্ত্রী পুতুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারি সফরে পাবনা এসে বাবার বাল্যবন্ধুদের সান্নিধ্যে আবেগতাড়িত হলেন প্রয়াত সমাজকল্যান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে বর্তমান সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

সোমবার দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসে বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধু বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক রবিউল ইসলাম রবি, প্রফেসর শিবজিত নাগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেবী ইসলাম ও অধ্যক্ষ মাহাতাব বিশ্বাসকে দেখে ছুটে কাছে যান এবং পরম শ্রদ্ধায় দোয়া চান প্রতিমন্ত্রী পুতুল। এ সময় মাথায় হাত দিয়ে স্নেহের পরশ বুলিয়ে দেন বাবার বন্ধুরা। এরপর পাবনার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বলেন, প্রয়াত প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের কৈশোর তারুণ্য কেটেছে পাবনায়। তিনি পাবনার সাবেক এমপি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ এডভোকেট আমিনউদ্দিনের ভাতুষ্পুত্র। শহীদ আমিনউদ্দিনের মধ্য শহরের পুষ্পালয় নামক বাড়িতেই ফজলুর রহমান পটল থাকতেন ও ছাত্র রাজনীতি, মুুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। সে সময়ের তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের কয়েকজন জীবিত আছেন। পাবনা প্রেসক্লাব প্রতিমন্ত্রী পুতুলের অনুরোধে তার পিতার বন্ধুদের প্রেসক্লাবে আমন্ত্রন জানান। পিতার বন্ধুদের কাছে পেয়ে প্রতিমন্ত্রী যে বিনয় ও সম্মান দেখিয়েছেন তা সত্যিই অনুকরণীয়।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক জীবনের কর্মক্ষেত্রে যেখানেই যাই, শুনতে পাই- ও আচ্ছা তুমি পটলের মেয়ে, পটল ভাইয়ের মেয়ে? আমার এগিয়ে যাবার প্রধান নিয়ামক আমার বাবা। আমার বাবা যাদের হাতে হাত মিলিয়ে আড্ডা দিয়েছেন, সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করেছেন। আজ তাদের হাতের স্নেহের পরশ পেয়েছি। সন্তান হিসেবে এটি আমার জন্য ভীষণ সৌভাগ্যের।

পাবনা প্রেসক্লাবের ঐহিত্য ও প্রয়াত সংবাদকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী পুতুল বলেন, বিগত সময়ে আপনারা অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দেশকে এগিয়ে নিতে আপনাদের সহযোগিতা ভীষণ প্রয়োজন। আপনারা আমাদের পথ দেখান, ভুলগুলোর গঠনমূলক সমালোচনা করবেন বলে আশা রাখি।

পাবনার প্রতি স্মৃতিচারণ করে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, পাবনা ও নাটোর লালপুরের মাটির গন্ধ একই। কারণ এই পাবনায় আমার শেকড় পোতা। সুতরাং নাটোর লালপুরের মত উন্নয়নের ছোঁয়া পাবনাতেও লাগবে। পাইলটিং পদ্ধতিতে দ্বিতীয় ধাপে পাবনার হতদরিদ্র মানুষ ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। অন্যান্য সকল উন্নয়নে তিনি পাবনাবাসীর সাথে থাকবেন বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাহিত্য সম্পাদক ইয়াদ আলী মৃধা পাভেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, সদর আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা ২ আসনের এমপি একেএম সেলিম রেজা হাবিব, প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল মতীন খান,প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, সাবেক সম্পাদক উৎপল মির্জা প্রমুখ।

 

 

দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে বিএনপি – প্রতিমন্ত্রী পুতুল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, সরকার গঠনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ কে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে বিএনপি।সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে পাবনার পদ্মকোল খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, অত্যন্ত ক্রান্তিলগ্নে আমরা দেশের দায়িত্ব পেয়েছি। সরকার গঠনের একমাসও পূর্ণ হয়নি। তবুও এরই মধ্যে বিএনপি সরকার দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, মসজিদ মন্দিরের ইমাম পুরোহিতদের সম্মানী ভাতা ও কৃষি ঋণ মওকুফের মতো উদ্যোগ আমরা ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করেছি।

তিনি আরও বলেন, কৃষি ও কৃষক আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। সেই কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি সহ জীবনমান উন্নয়নের জন্য শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এক সময় খাল থেকে সেচ ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন। তার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান এবার খননের মাধ্যমে খাল কে পুনরুজ্জীবন দিয়ে সেচ ব্যবস্থা কে আরো উন্নত করতে উদ্যোগ নিয়েছেন। এ উদ্যোগের আওতায় সারা দেশে ৫৪টি খাল খনন কর্মসূচির আজ উদ্বোধন হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মরে যাওয়া খালগুলো পানিপ্রবাহ ফিরে পেলে যেমন কৃষি উৎপাদন বাড়বে, তেমনই গ্রামীণ জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। এর ফলে ভূ-উপরিস্থ পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমবে, যা খরা, বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমাতে সহায়ক হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পাবনা সদর আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য মরে যাওয়া খালগুলো খনন করে জীবন ফিরিয়ে দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই সারা দেশের মতো পাবনায় এ খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্টরা খেয়াল রাখবেন, শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে যেন খাল খনন সম্পন্ন হয়৷

পাবনার জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফার সভাপতিত্বে খাল খনন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম রেজা হাবিব, পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার, পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুধাংশু কুমার সরকার, পাবনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার ও সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম সহ অনেকেই।

প্রসঙ্গত, পাবনার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের নাজিরপুর থেকে মন্ডলমোড় পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার এই খালটি পাবনা শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতী নদীতে গিয়ে মিশেছে। ৬ ফুট গভীর ও গড় ৪০ ফুট প্রশস্ত করে খালটি খনন কাজ শুরু হচ্ছে।

এই খালটি পূর্ণ খনন হলে পদ্মা থেকে ইছামতিতে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হবে। খালের পার্শ্ববর্তী হেমায়েতপুর ইউনিয়নের জমিগুলো সহজেই সেচ সুবিধা পাবে। এই কর্মসূচির আওতায় এটি ছাড়াও পাবনায় ১০৬ টি খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

 

 

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ