আজঃ রবিবার ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নোয়াখালীত কোটা আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভ, জেলা আ.লীগ কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ-ভাংচুর

রিপন মজুমদার স্টাফ রিপোর্টার নোয়াখালী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীত কোটা আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভ মিছিল থেকে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ-ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। তবে এ সময় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। শনিবার (৩ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে এই অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, শনিবার বিকেল ৩টার দিকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও তাদের সমর্থকরা জেলা শহর মাইজদী বাজার থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে। বিক্ষোভ মিছিলে তারা বিভিন্ন সরকার বিরোধী স্লোগান দিতে থাকে। একপর্যায়ে আন্দোলনকারী ও তাদের সমর্থকরা বিকেল ৪টার দিকে জেলা শহর মাইজদীর টাউন হল মোড়ে অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সামনে অবস্থান নেয়। পরবর্তীতে তারা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এরপর হামলাকারীরা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে তাল ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে কার্যালয়ে থাকা আসবাবপত্রে অগ্নিসংযোগ করে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। এ সময় তারা সেখানে কোনো বাঁধা ছাড়া ঘন্টাব্যাপী অবস্থান করে তান্ডব চালায়। দলীয় একাধিক নেতাকর্মি জানায় হামলার সময় সেখানে কোনো দলীয় নেতাকর্মি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ছিলনা। আন্দোনকারীরা চলে গেলে পরে দলীয় কিছু নেতাকর্মি এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ।

দলীয় কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরের বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ এ এইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরী বলেন, এ হামলায় কোটা আন্দোলনকারীরা নয়, দুস্কৃতিকারী ও দুর্বৃত্তরা জড়িত ছিল। এরা এখন ছাত্র্ আন্দোলন নয়, আছে জ্বালানি পোড়ানো নিয়ে।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে। তবে এ নিয়ে তিনি আর কোনো মন্তব্য করননি।

অপরদিকে, চলমান শান্তিপূর্ণ কোটা সংস্কার আন্দোলনে হামলা, মামলা, হত্যার বিচার সহ ৯ দফা দাবি বাস্তবায়নে নোয়াখালীতে ছাত্র, শিক্ষক-জনতার সমন্বয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে বৃষ্টির বাঁধা উপেক্ষা করে জেলা শহরের মাইজদী বাজার থেকে ছাত্র জনতার সমন্বয়ে বিক্ষোভ মিছিলটি প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জিলা স্কুলের সামনের প্রধান সড়কে এসে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

এসময় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, চৌমুহনী সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও জনতা নিহতের সহপাঠীদের হত্যার বিচার ও দাবি মেনে নিতে বিভিন্ন শ্লোগানে ঘন্টাব্যাপী বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

এছাড়াও আটক শিক্ষার্থীদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি, দমন-নিপীড়ন বন্ধ, বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবার পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন শ্লোগান দেয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আশার আলো মানবিক ফাউন্ডেশন,চট্টগ্রাম কর্তৃক বার্ষিক মিলনমেলা,আলোচনা সভা,সম্মাননা প্রদান,ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

৩১ জানুয়ারি শনিবার সকাল ১০ ঘটিকায় আশার আলো মানবিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সংগঠনের শতাধিক সদস্যদের নিয়ে পারকিচর রয়েল পার্ক কমিউনিটি সেন্টার মিলনায়তনে বার্ষিক মিলন মেলা,ভোজ আলোচনা সভা,সম্মাননা প্রদান ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করা হয়।এই উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন মোঃ আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।সাধারণ সম্পাদক মোঃ রুহুল আমিন সালমানের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা লেখক ও মানবাধিকার কর্মী মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম।বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সমাজ সেবক মোহাম্মদ আবু তাহের,শিক্ষিকা সেলিনা পারভীন,প্রবীর কুমার চৌধুরীসহ প্রমুখ।

সংগঠনের পক্ষে আমন্ত্রিত অতিথিসহ আরো উপস্থিত ছিলেন জীবন চৌধুরী, মোঃ এমরান, শরীফুল ইসলাম,রেশমা আমিন,সাইফুল ইসলাম সিকদার,মোঃ ইলিয়াস রিপন, এম এ মোতালেব আব্দুর নুর, মোহাম্মদ নুর, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, হাজী মাইনদ্দীন, মনজুর আহমদ, হাসমত আলী মনা , মোঃ সেলিম, মোঃ আল আমিন, মোঃ জসিমউদদীন রকি, নাছিমা বেগম, আবদুর রউফ, বাবুর্চিরুনায়েত, আমিন সাদমান, সাইদুল চৌধুরী, অনুপম বরুয়া, গোলাম মোস্তফা খান সহ আরো অনেকে। দিনব্যাপী নারী, পুরুষ ও শিশু কিশোরদের মধ্যে নানা ধরনের খেলার আয়োজন করা হয়।আয়োজন শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরন করা হয়।আমন্ত্রিত অতিথি সহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি মোঃ কামরুল ইসলাম বলেন,মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাবোধ নেই বললে চলে।

আমরা আজ যে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি এবং যাদের আত্মত্যাগে পেয়েছি,তাদের আত্মত্যাগকে সম্মান করে ও আগামীতে ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বৈষম্যহীণ,দূর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন করতে সামাজিক সংগঠন সমুহের বার্ষিক মিলন মেলা সহ এই ধরনের আয়োজনের এর কোন বিকল্প নেই।তিনি এই ধরনের আয়োজনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।তিনি আরো বলেন,এই সংগঠন প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে বিভিন্ন মানবিক ও সমাজ উন্নয়ন মুলক কাজ করে আসছে।

একজন মানুষের প্রকৃত মূল্য নির্ধারিত হয় তার অর্থ বা প্রতিপত্তির মাধ্যমে নয়, বরং সে অন্যের জন্য কতটা উদার,উপকারী হতে পারে তার মাধ্যমে। সমাজে দুঃস্থ, অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হচ্ছে প্রকৃত মানব সেবা।মানব সেবা এমন এক দোয়া, যা মুখে নয়, কারো চোখের জল মুছে দিলে তার নিঃশব্দ প্রার্থনা আপনার ভাগ্য বদলে দিতে পারে।সভাপতি আগামীতে যার যার অবস্থান থেকে মানবিক হয়ে মানুষের কল্যানে দূর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে সকলকে কাজ করার আহবান জানান ও ধন্যবাদ জানান।

৬৯ পদাতিক ব্রিগেড সদর দপ্তরের আরএইচআইসি’র অভিযানে শটগানের কার্তুজ ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বান্দরবান ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড সদর দপ্তরের আরএইচআইসি’তেমোতায়েন আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যদের সাহসিকতা ও বিচক্ষণতায় শটগানের কার্তুজ ও বিভিন্ন প্রকার দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানের সময় অস্ত্র বহনকারী সন্ত্রাসীরা একটি ব্যাগ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় সন্দেহজনকভাবে তাদের আনাগোনা ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত ২৬ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৯টা ৫৫ মিনিটে বান্দরবান বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ট্যানেলের পশ্চিম পাশে দায়িত্ব পালনকালে বান্দরবান আনসার ব্যাটালিয়ন (১০ বিএন)-এর নায়েক মোঃ জাহিদুল ইসলাম এবং সিপাহি মকছুদুর রহমান দুইজন সন্দেহজনক ব্যক্তির গতিবিধি লক্ষ্য করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে গাঁজা সেবনের গন্ধ পাওয়া যায় এবং কথাবার্তায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়।


সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এগিয়ে গেলে তারা পূরবী পরিবহনের একটি বাসের পেছনে একটি পুরাতন শপিং ব্যাগ ফেলে রেখে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ফেলে যাওয়া ব্যাগটি তল্লাশি করে একটি পলিথিনে মোড়ানো ১০ রাউন্ড শটগানের কার্তুজ এবং ৫টি বিভিন্ন প্রকার দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ