আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর চার দিনের কর্মসূচি সফল করুন

প্রেস রিলিজ

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভায় এরশাদ উল্লাহ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর ৪৬ বছর উদযাপনে চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি।
মঙ্গলবার (২৭ আগষ্ট) বিকালে কাজীর দেউরী নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভা থেকে এই কর্মসূচী ঘোষণা করেন মহানগর বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ। এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ৩১ আগষ্ট শনিবার সকাল ১১ টায় নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় থেকে রাঙ্গুনিয়ায় শহীদ জিয়ার কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্যে যাত্রা এবং ফাতেহা পাঠ, দোয়া মাহফিল ও শ্রদ্ধা নিবেদন।

১ সেপ্টেম্বর রবিবার বিকাল ৩ টায় কাজীর দেউরী ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন হলে আলোচনা সভা। প্রধান অতিথি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এছাড়া সকালে দলীয় কার্যালয়সহ ৪৩ টি ওয়ার্ডের কার্যালয়গুলোতে দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং মাইকে শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার ভাষণ প্রচার।

২ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল ১১ টায় নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর বর্নাঢ্য র‍্যালী শুরু হবে।

৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বাদে আসর দলীয় কার্যালয় সংলগ্ন জামে মসজিদে বিগত ১৫ বছরে আন্দোলন সংগ্রামে নিহত ও সাম্প্রতিক বন্যায় হতাহতদের জন্য দোয়া মাহফিল। অনুরূপভাবে ৪৩ টি ওয়ার্ডের মসজিদেও সুবিধামত সময়ে এই কর্মসূচী পালিত হবে।

প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে এরশাদ উল্লাহ বলেন, বিএনপি গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছে। আজকে ছাত্র জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।এখন আমাদের সামনে কিন্তু বড় সংগ্রাম, বড় লড়াই। সেই লড়াইটা এই বিপ্লবের বিজয়কে সুসংহত করা। এই বিজয়কে যদি আমরা সুসংহত করতে না পারি আবার কিন্তু নব্য ফ্যাসিবাদ এসে হাজির হবে, এটা আমাদের মাথায় রাখতে হবে। আজকে কেউ যদি সন্ত্রাস করতে চায়, কেউ যদি চাঁদাবাজী বা অন্য কিছু করে, ক্ষতি করতে চায়, সেটা আমাদের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে রুখে দিতে হবে, প্রতিরোধ করতে হবে।

নাজিমুর রহমান বলেন, সর্বক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা যারা ভণ্ডুল করবে তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে এবং ভণ্ডুলকারীদেরকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিতে হবে। এ ব্যাপারে আমরা কোনো রকম বিশৃঙ্খলা সহ্য করব না। বিএনপি সমস্ত অন্যায়কে প্রতিহত করবে। তিনি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত রাঙ্গুনিয়া যাত্রা, আলোচনা সভা, র‌্যালি ও দোয়া মাহফিল কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানান। এছাড়াও দলীয় সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে নেতাকর্মীদেরকে দীক নির্দেশনা দেন।

এতে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি নেতা আলহাজ্ব এম এ আজিজ, সৈয়দ আজম উদ্দিন, এস কে খোদা তোতন, হারুন জামান, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, এস এম আবুল ফয়েজ, এস এম সাইফুল আলম, কাজী বেলাল উদ্দিন, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, আবুল হাশেম, আনোয়ার হোসেন লিপু, মন্জুর আলম চৌধুরী মন্জু, মো. কামরুল ইসলাম, থানা বিএনপির সভাপতি মন্জুর রহমান চৌধুরী, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, হাজী বাবুল হক, মো. আজম, হাজী মো. সালাউদ্দীন, মোশাররফ হোসেন ডেপটি, আবদুস সাত্তার সেলিম, মো. সেকান্দর, আবদুল্লাহ আল হারুন, ডা. নুরুল আবছার, থানা সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, মো. শাহাবুদ্দীন, হাজী বাদশা মিয়া, জসিম উদ্দিন জিয়া, মাঈনুউদ্দীন চৌধুরী মাঈনু, আবদুল কাদের জসিম, রোকন উদ্দিন মাহমুদ, নুর হোসাইন, জাহাঙ্গীর আলম, গিয়াস উদ্দিন ভূইয়া, বিভাগীয় শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল্লাহ বাহার, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, কৃষক দলের সদস্য সচিব কামাল পাশা নিজামী, তাতীদলের আহবায়ক মনিরুজ্জামান টিটু, জাসাসের আহবায়ক এম এ মুছা বাবলু, যুবদলের সি. যুগ্ম সম্পাদক মোশারফ হোসেন, ছাত্রদলের আহবায়ক সাইফুল আলম, সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন, মৎস্যজীবী দলের আহবায়ক নুরুল হক, সদস্য সচিব এড. আবদুল আজিজ প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিপদে ফেলে গেছে সমর্থকদের, নির্দোষদের পাশে আছে বিএনপি: ফখরুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সমর্থকদের বিপদে ফেলে গেছেন, তাদের মধ্যে যারা অন্যায় করেনি, বিএনপি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, এ কথা বলেছেন দলের মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ (বুধবার, ২৮ জানুয়ারি) নিজ আসনে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এর আগে এমপি নির্বাচন করছি ১৫ বছর আগে। মাঝখানে আমরা আর কোনো ভোট দিতে পারিনি। সব ভোট নিয়ে গেছে ওরা। কারা? ওই ফ্যাসিস্ট, হাসিনার লোকেরা, পুলিশ, প্রশাসন। এবার একটা সঠিক ভোট হবে বলে আশা করছি আমরা। অর্থাৎ যার ভোট, সে দিতে পারবে। যাকে খুশি তাকে দিতে পারবে।

তিনি বলেন, এবারের ভোটটা একটু অন্যরকম হচ্ছে। অন্যান্যবার এলাকায় আমার খালি দৌড়াদৌড়ি করি, নৌকা আর ধানের শীষ, নৌকা আর ধানের শীষ। এবার তো নৌকা নাই, নৌকা এবার পালাইছে। চলে গেছে হাসিনা, যারা সমর্থক আছে, তাদের বিপদে ফেলে গেছে। আমরা সে বিপদ থেকে তাদের পাশে দাঁড়াইছি।

যারা অন্যায় করেছে তাদের জন্য শাস্তি হবে উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, আমরা হিন্দু ভাইদের বলছি, আপনারা কোনো চিন্তা করবেন না, আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে। যারা অন্যায় করছে তাদের জন্য শাস্তি হবে। যারা অন্যায় করেনি, সাধারণ মানুষ, তাদের আমরা আমাদের বুকের মধ্যে রেখে দেবো।
তিনি শেষে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে ধানের শীর্ষে ভোট চান বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল।
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জনগণ গণতন্ত্রের পথে যাবে : আমীর খসরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণের ওপর আস্থা রেখে নির্বাচন করা ভালো। সব ধরনের খুটিনাটি নিয়ে, প্রপাগান্ডা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার যে প্রক্রিয়া সে পথে তো জনগণ যাবে না, জনগণ যাবে গণতন্ত্রের পথে। তারা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সে পথেই চলছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর ৩৮ নং দক্ষিণ মধ্য হালিশহর ওয়ার্ডের সল্ট গোলা ক্রসিং থেকে নিশ্চিন্তপাড়া ওয়ার্ড অফিস মাইজপাড়া, ১ নং সাইট, হিন্দু পাড়া, বাকের আলি ফকির টেকসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি ১২ তারিখ ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।আমীর খসরু বলেন, প্রত্যেক নির্বাচনে ছোটখাটো কিছু ঘটনা ঘটে থাকে এটার জন্য বা এটার অর্থ এই নয় যে নির্বাচনে লেভেল ফিল্ড নেই। সব জায়গায় সব সময় সারা বিশ্বে ঘটে থাকে ছোটখাটো ঘটনা। এটার জন্য নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা অর্থাৎ যারা নির্বাচন চায় না তারা এই কাজগুলো এই কথাগুলো বলে।কিছু ছোটখাটো ঘটনা, এটা সারা বিশ্বে ঘটছে, এটা বাংলাদেশেও ঘটেছে। জনগণের সমর্থনে এ নির্বাচন হচ্ছে। এটা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। এই নির্বাচনে তার মালিকানা ফিরে পেতে চায় মানুষ।

তারা নির্বাচিত সরকার দেখতে চায়, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দেখতে চায়, যারা তাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে, জবাবদিহি থাকবে। সে অপেক্ষায় তারা আছে। এটাকে বাধাগ্রস্ত করতে যারাই যাবে তারা নিজেরাই বাধাগ্রস্ত হবে। তাদের রাজনৈতিক কোনো ভবিষ্যৎ থাকবে না। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মহানগর বিএনপির সদস্য হাজী হানিফ সওদাগর প্রমুখ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ