আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে একটি সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্যের দেশ

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, আবহমানকাল থেকেই এদেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একত্রে বসবাস করে আসছে। আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন আমরা সবাই এক পরিবার এবং এটা আমরা কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করতে চাই। বহুবছর ধরে এদেশে বিভিন্ন ধর্ম এবং উপাসনালয় পাশাপাশি অবস্থান করছে এবং ধর্মচর্চা পালন করে যাচ্ছে। কারণ বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে একটি সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্যের দেশ।

আজ চট্টগ্রামের পাথরঘাটাস্থ সেন্টপ্লাসিট স্কুল ও চট্টগ্রাম জপমালা রানী ক্যাথিড্রাল গির্জা পরিদর্শন শেষে কাথলিক আর্চডাইয়োসিসের আর্চবিশপ হাউসে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম আর্চডাইয়োসিসের ভিকার জেনারেল ফাদার টেরেন্স রড্রিক্স’র সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম, চট্টগ্রাম ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক বোরহান উদ্দীন মো: আবু আহসান, খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব নির্মল রোজারিও, চট্টগ্রামের বিভিন্ন গির্জার পাস্টারগণ, কাথলিক সেবা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, ব্রতধারী ব্রাদার ও সিস্টার এবং খ্রিস্টভক্তগণ উপস্থিত ছিলেন।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, চট্টগ্রাম জপমালা রানী ক্যাথিড্রাল গীর্জা ৪০০ বছরের পুরোনো একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও এখানে স্কুল, কলেজ এবং হাসপাতাল রয়েছে। এসবের পাশাপাশি এতিম, দুস্থ ও বিধবাদের জন্য স্বাস্থ্য, চিকিৎসা ও শিক্ষার বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি মানবতার সেবায়ও আমাদের নিয়োজিত থাকা দরকার। বিভিন্ন ধর্মের ধর্মগুরুদের নিয়ে আপনারা সমসাময়িক বিষয় যেমন ডেঙ্গু, মাদক, স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা এসব নিয়ে সেমিনার বা আলোচনা সভার আয়োজন করতে পারেন। এতে সবার মাঝে সৌহার্দ্যে ও ভাতৃত্ত্ব বোধ জেগে উঠবে।

তিনি আরো বলেন, একশ্রেনীর দুর্র্বূত্ত মাঝেমধ্যে উপসনালয়ে হামলা চালায়। আপনারা মনে রাখবেন রাষ্ট্র পক্ষপাতহীনভাবে প্রতিটি ধর্মের পাশে রয়েছে। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, ধর্মচর্চা, ধর্মঅনুশীলন এবং ধর্মপ্রচার এসব বিষয়ে সরকার সবসময় আপনাদের সহযোগিতা করে যাবে।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, এবার প্রায় ৩২ হাজার মন্ডপে দুর্গাপূজা হবে। নির্বিঘ্নে পূজার কাযক্রম সম্পন্ন করার জন্য সরকার যথেষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আমি ৬৪ জেলার ডিসি, এসপিকে ভার্চুয়াল মিটিংয়ের মাধ্যমে নির্দেশনা দিয়েছি যাতে স্থানীয় লোকদের সাথে যোগাযোগ করে জোড়দার নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয় যাতে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। আমাদের উচিত সবাইকে সাথে নিয়ে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাওয়া।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গাউসিয়া হক মনজিলে হুজুর গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী (কঃ)’র মহান চাহরম শরীফ অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান ১০ মাঘ ওরশ মোবারকের বদৌলতে এই বিশ্ববাসীর উপর, বাংলাদেশের উপর,মুসলিম উম্মাহর উপর আল্লাহর রহমত বর্ষণের প্রার্থনা করেছেন হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভান্ডারী (মাঃ)

মহান ১০ মাঘ, ইমামুল আউলিয়া হযরত শাহ্ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ‘র পবিত্র উরস্ ওরশ মোবারকের বদৌলতে এই বিশ্ববাসীর উপর , এই বাংলাদেশের উপর, মুসলিম উম্মাহর উপর রহমত বর্ষণ করার জন্য আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করেছেন মাইজভাণ্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মনজিল-এর সম্মানিত সাজ্জাদানশীন রাহবারে আলম হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মাঃ)।

মহান ১০ মাঘ ইমামুল আউলিয়া হযরত শাহ্ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (কঃ)’র পবিত্র ১২০তম বার্ষিক উরস্ শরীফের চাহরম শরীফ উপলক্ষে বিশ্বঅলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ‘র মাজার শরীফে কেন্দ্রীয় মিলাদ কিয়াম শেষে অনুষ্ঠিত মোনাজাতে তিনি এই ফরিয়াদ জানান।

তিনি পবিত্র চাহরম শরীফকে মাইজভাণ্ডার শরীফ দরবারের ঐতিহ্যবাহী উর্ফ বা প্রথা উল্লেখ করে এই চাহরম শরীফের ফলার ফাতেহার তবাররুকাতে সকলের রুহানি-জিসমানী বিমারীর শেফা দান করার জন্য তিনি আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানান।

তিনি হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ‘র মহান আদর্শকে,মানবাত্মার উন্নয়নের আদর্শ ও সমাজ উন্নয়নের আদর্শ উল্লেখ করে এই আদর্শ যাতে দিকে দিকে পৌঁছে দিতে পারে, উপযুক্তভাবে উপস্থাপন করতে পারে,সেই তৌফিক কামনা করে তিনি আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানান। এই উপস্থাপনের মাধ্যমে বিশ্বঅলি শাহান শাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ‘র আশেকগণ যাতে সমাজের কল্যাণ সাধন করতে পারে,দেশ দশের কল্যাণ সাধন করতে পারে তিনি আল্লাহর কাছে সেই তৌফিক কামনা করেন।

তিনি এ মহান ত্বরীকা-র অনুসরণ করে আল্লাহর বান্দারা যে অগণিত দ্বীনি-সামাজিক-মানবিক কর্মসূচিগুলো,অনুষ্ঠান প্রতিষ্ঠান গুলো আয়োজন করে চলেছে,গড়ে তুলেছে, পরিচালনা করে চলেছে, সেই সমস্ত খেদমতকে কবুল করার জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা জানান।

তিনি মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ-এর সমস্ত খেদমতকে কবুল করার জন্য আল্লাহ সুবহানাহুতাআলার কাছে ফরিয়াদ জানান।পরিশেষে আগত অগণিত আশেক-ভক্ত-জায়েরীণদের তবাররুকাত পরিবেশন করা হয়।

বিপদে ফেলে গেছে সমর্থকদের, নির্দোষদের পাশে আছে বিএনপি: ফখরুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সমর্থকদের বিপদে ফেলে গেছেন, তাদের মধ্যে যারা অন্যায় করেনি, বিএনপি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, এ কথা বলেছেন দলের মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ (বুধবার, ২৮ জানুয়ারি) নিজ আসনে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এর আগে এমপি নির্বাচন করছি ১৫ বছর আগে। মাঝখানে আমরা আর কোনো ভোট দিতে পারিনি। সব ভোট নিয়ে গেছে ওরা। কারা? ওই ফ্যাসিস্ট, হাসিনার লোকেরা, পুলিশ, প্রশাসন। এবার একটা সঠিক ভোট হবে বলে আশা করছি আমরা। অর্থাৎ যার ভোট, সে দিতে পারবে। যাকে খুশি তাকে দিতে পারবে।

তিনি বলেন, এবারের ভোটটা একটু অন্যরকম হচ্ছে। অন্যান্যবার এলাকায় আমার খালি দৌড়াদৌড়ি করি, নৌকা আর ধানের শীষ, নৌকা আর ধানের শীষ। এবার তো নৌকা নাই, নৌকা এবার পালাইছে। চলে গেছে হাসিনা, যারা সমর্থক আছে, তাদের বিপদে ফেলে গেছে। আমরা সে বিপদ থেকে তাদের পাশে দাঁড়াইছি।

যারা অন্যায় করেছে তাদের জন্য শাস্তি হবে উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, আমরা হিন্দু ভাইদের বলছি, আপনারা কোনো চিন্তা করবেন না, আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে। যারা অন্যায় করছে তাদের জন্য শাস্তি হবে। যারা অন্যায় করেনি, সাধারণ মানুষ, তাদের আমরা আমাদের বুকের মধ্যে রেখে দেবো।
তিনি শেষে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে ধানের শীর্ষে ভোট চান বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল।
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ