আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

চট্টগ্রামে ক্যাম্পেইন, পারিবারিক চাপে উদ্যোক্তা হতে চায় না তরুণরা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ছবি-৬
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একঝাঁক তরুণ শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধির অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘আমিও জিততে চাই’ নামে ক্যাম্পেইন। বুধবার সকালে নগরের থিয়েটার ইনস্টিটিউটে (টিআইসি) এ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতে ছিল রেজিস্ট্রেশন পর্ব। এরপর জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠান।সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র রিজিওনাল ম্যানেজার মো. সদরুল আমিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের ডেপুটি চিফ অফ পার্টি আমিনুল এহসান।
তিনি বলেন, আমাদের সবার জীবনের সমস্যাগুলোর দিকে তাকালে কিছুটা মিল খুঁজে পাব। যেমন, ট্রাফিক সমস্যা, ডেঙ্গু আতঙ্ক। এছাড়া বেকারত্বের মতো সমস্যাগুলো আগে থেকেই রয়েছে। কিন্তু দেশে ক্ষমতায় পরিবর্তন এলেও আমাদের জীবনে পরিবর্তন আসে না। আমিনুল এহসান বলেন, ‘আমিও জিততে চাই’ প্ল্যাটফর্ম থেকে আমরা আপনাদের দাবি সরকার ও রাজনৈতিক দলের কাছে নিয়ে যাব। আর এর সাফল্য নির্ভর করছে আপনাদের অংশগ্রহণের ওপর।পরে ‘যুব কর্মসংস্থান: প্রত্যাশা ও সুপারিশ’ শীর্ষক পলিসি ডায়ালগে অংশগ্রহণ করেন ক্লিপটন গ্রুপের ডিরেক্টর এবং সিইও এমডিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী।
সরকারি চাকরির পেছনে তারুণ্যের একরোখা আগ্রহ নিয়ে তিনি বলেন, আসলে সরকারি চাকরি মানে নিশ্চিত জীবন। কোনো জবাবদিহি নেই। বেসরকারি চাকরিতে সেটা নেই। ফলে তরুণদের কাছে সরকারি চাকরি লোভনীয় বিষয়। অন্যদিকে বেসরকারি চাকরিতে এ সুযোগ নেই।
এমডিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে যারা উদ্যোক্তা আছেন, তাদের অধিকাংশ কোথাও না কোথাও জব করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা দিয়ে তারা উদ্যোক্তা হয়েছেন। চাকরি করে জমানো টাকা ও ব্যাংক লোন দিয়ে তারা ব্যবসা শুরু করেন।
তাই আগামী দিনের উদ্যোক্তাদের বলতে চাই, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা যথেষ্ট সনাতনী। কোনো ইন্টার্নশিপ বা জব না করেই তরুণরা এমবিএ বা মাস্টার্স করে ফেলেন। কিন্তু আমাদের দেশের পরিবারগুলো সুযোগ না দিয়েই চাকরির জন্য সন্তানকে পাঠিয়ে দেয়। ফলে তাদের হন্য হয়ে ঘুরতে হয়। যেহেতু বাজার ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো অভিজ্ঞতাকেই মূল্য দেবে।
এ সময় আইএলও হেড অব চিটাগাং অফিস অ্যালেক্সসিউস চিছাম বলেন, শ্রম বাজারের সঙ্গে শিক্ষার মধ্যে অনেক অসঙ্গতি আছে। আমি নিজেও অনেক সুযোগ পাইনি। গ্রাম ও শহরের শিক্ষায় পার্থক্য আছে। চাকরির বাজারে বিদেশ থেকে পড়ে আসা, ভালো ইংরেজি জানে এমন মানুষের সঙ্গে আমাকে ফাইট দিতে হয়।
চিটাগং ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ফারহানা যুথী বলেন, আমাদের সামাজিকভাবে উদ্যোক্তা হওয়া কঠিন। টাকা কোথায় পাব, লোন কে দেবে- এসব রিস্ক আছে। পরিবারগুলো সবসময় বলে স্থায়ী চাকরি প্রয়োজন। না হলে দায়িত্ব নিতে পারবে না। এ কারণে তরুণরা উদ্যোক্তা রিস্ক নিতে চায় না।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনসিসির কর্ণফুলী রেজিমেন্টের সাবেক অ্যাডজুট্যান্ট আবদুল্লাহ আল মামুন ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ইয়ুথ চিফ এএনএম তামজীদ।
এর আগে ইউএসএইডের অর্থায়নে ও ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ ক্যাম্পেইনে ছিল নাগরিক সমস্যা নিয়ে থিয়েট্রিকাল পারফর্ম্যান্স, কুইজ ও ভিডিও মেসেজ প্রতিযোগিতা এবং ক্যাম্পেইনের রিল প্রদর্শনী। শেষে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পরে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ও মাল্টিপার্টি এডভোকেসি ফোরামের (ম্যাফ) প্রতিনিধি ক্যাম্পেইনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।ইউএসএইডের স্ট্রেনদেনিং পলিটিক্যাল ল্যান্ডস্কেপ (এসপিএল) প্রকল্পের আওতায় ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ‘আমিও জিততে চাই’ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে সারাদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলায় আলোচনা, নাট্য প্রদর্শনী, বিতর্ক প্রতিযোগিতাসহ নানা কর্মসূচি পরিচালনা করছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অবৈধ স্থাপনা, খাল দখলের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিলেন চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি খাল-নালা পরিষ্কার কার্যক্রম তদারকির পাশাপাশি অবৈধ দখল ও নাগরিক অসচেতনতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান। সোমবার সকালে মেয়র প্রথমে বহদ্দারহাট কাঁচা বাজার সংলগ্ন সড়ক পরিদর্শন করেন।

এ সময় সড়কের ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত উচ্ছেদের নির্দেশ দেন মেয়র। পরে বহদ্দারহাট এলাকায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চলমান খাল সংস্কার কাজ ঘুরে দেখেন এবং পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা বাঁধগুলো অপসারণের নির্দেশনা দেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলের সুবিধার্থে সেখানে একটি বেইলি ব্রিজ নির্মাণেরও নির্দেশ দেন মেয়র।এরপর তিনি ৪ নম্বর চান্দগাঁও ওয়ার্ডের ফরিদার পাড়া এলাকায় পরিচালিত নালা ও খাল পরিষ্কার অভিযান পরিদর্শন করেন। পরে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের খাজা রোড এলাকায় নালা-খাল পরিষ্কার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তিনি।

চসিক সূত্র জানায়, বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে মাসব্যাপী নালা-নর্দমা ও খাল পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। জলাবদ্ধতা কমাতে মাঠপর্যায়ে তদারকি বাড়ানোর পাশাপাশি পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাকে সচল রাখতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, শুধু প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না, নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে। মানুষ যত্রতত্র ময়লা ফেললে খাল-নালা আবারও ভরাট হবে এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে। পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

মাত্র এক ঘণ্টায় পানি নেমে গেছে, এটি ইতিবাচক দিক—সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর চলমান খাল সংস্কার ও জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রমের কারণে সাময়িকভাবে কিছু এলাকায় পানি জমলেও পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেক উন্নত হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, “এবার পানি দীর্ঘসময় স্থায়ী হয়নি। মাত্র ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘণ্টার মধ্যেই পানি নেমে গেছে, যা আমাদের জন্য ইতিবাচক বার্তা।


শনিবার রাতে প্রবর্তক মোড় এলাকায় পরিদর্শনে এসে মেয়র বলেন, খাল সংস্কার ও বাঁধ অপসারণের কাজ চলমান থাকায় কিছু এলাকায় সাময়িক ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। তবে নগরবাসী ও গণমাধ্যমকে সহায়তার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেড ও সিডিএ’কে অন্তত পাঁচ থেকে সাত দিন সময় দিতে হবে।তিনি জানান, হিজড়া খাল, জামালখান খাল, মুরাদপুর খাল ও রামপুর খালসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রায় ৩০টি বাঁধ অপসারণের কাজ চলছে। এসব কাজ সম্পন্ন করতে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে পাঁচ দিন সময় চাওয়া হলেও শনিবার আবারও বৃষ্টি হওয়ায় কাজ বাধাগ্রস্ত হয়েছে তাই তিনি অতিরিক্ত আরও দুই দিন সময় লাগতে পারে। প্রয়োজনে আরও কয়েকদিন সময় বাড়ানো হতে পারে।

মেয়র বলেন, “যেকোনো ভারী বৃষ্টিতে কিছু সময়ের জন্য পানি জমতেই পারে। কিন্তু সেটি দীর্ঘসময় স্থায়ী হলেই কেবল তাকে জলাবদ্ধতা বলা যায়। আগে অনেক এলাকায় দুই থেকে তিন দিন পর্যন্ত পানি থাকত, এখন এক ঘণ্টার মধ্যেই নেমে যাচ্ছে। এটিকে ইতিবাচকভাবে দেখতে হবে।তিনি আরও বলেন, চলমান বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে চসিক ইতোমধ্যে ১৫ এপ্রিল থেকে নালা-নর্দমা ও খাল পরিষ্কারের কার্যক্রম শুরু করেছে, যা আগামী ছয় মাস অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি নগরীর ২১টি খাল খননের জন্য ডিপিপি প্রণয়ন করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন জানান, সিডিএর অধীনে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেড বিভিন্ন খাল ও সেতু সংলগ্ন এলাকায় কাজ করছে। তবে নগরবাসীর দুর্ভোগ বিবেচনায় কিছু স্থানে সাময়িকভাবে কাজ স্থগিত রেখে বাঁধ অপসারণ করা হয়েছে, যাতে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন হতে পারে।তিনি বলেন, “রিটেইনিং ওয়াল ও শিটপাইলের কিছু কাজ এখনই শেষ করা সম্ভব হবে না। কারণ এগুলো সরিয়ে ফেললে রাস্তা ও খালের ক্ষতি হতে পারে। তাই ধাপে ধাপে কাজ সম্পন্ন করা হবে।

মেয়র আরও জানান, আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ২৫ মে থেকে ভারী বর্ষণ শুরু হতে পারে। তাই এর আগেই ২০ মে’র মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো কাজ করছে।
জলাবদ্ধতায় সাময়িক ভোগান্তির জন্য নগরবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করে মেয়র বলেন, “আমরা সবাই মিলে চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতামুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। তাই চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে ইতিবাচকভাবে দেখা এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া জরুরি।”

তিনি দাবি করেন, আগে যেসব এলাকায় দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা ছিল, তার অনেকগুলোতেই এবার পানি জমেনি। তবে হিজড়া খাল, কাট্টলী, গেইটস মোড়, চকবাজার ও জামালখান এলাকার কিছু অংশে পানি জমার বিষয়গুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ