আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে ক্যাম্পেইন, পারিবারিক চাপে উদ্যোক্তা হতে চায় না তরুণরা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ছবি-৬
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একঝাঁক তরুণ শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধির অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘আমিও জিততে চাই’ নামে ক্যাম্পেইন। বুধবার সকালে নগরের থিয়েটার ইনস্টিটিউটে (টিআইসি) এ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতে ছিল রেজিস্ট্রেশন পর্ব। এরপর জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠান।সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র রিজিওনাল ম্যানেজার মো. সদরুল আমিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের ডেপুটি চিফ অফ পার্টি আমিনুল এহসান।
তিনি বলেন, আমাদের সবার জীবনের সমস্যাগুলোর দিকে তাকালে কিছুটা মিল খুঁজে পাব। যেমন, ট্রাফিক সমস্যা, ডেঙ্গু আতঙ্ক। এছাড়া বেকারত্বের মতো সমস্যাগুলো আগে থেকেই রয়েছে। কিন্তু দেশে ক্ষমতায় পরিবর্তন এলেও আমাদের জীবনে পরিবর্তন আসে না। আমিনুল এহসান বলেন, ‘আমিও জিততে চাই’ প্ল্যাটফর্ম থেকে আমরা আপনাদের দাবি সরকার ও রাজনৈতিক দলের কাছে নিয়ে যাব। আর এর সাফল্য নির্ভর করছে আপনাদের অংশগ্রহণের ওপর।পরে ‘যুব কর্মসংস্থান: প্রত্যাশা ও সুপারিশ’ শীর্ষক পলিসি ডায়ালগে অংশগ্রহণ করেন ক্লিপটন গ্রুপের ডিরেক্টর এবং সিইও এমডিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী।
সরকারি চাকরির পেছনে তারুণ্যের একরোখা আগ্রহ নিয়ে তিনি বলেন, আসলে সরকারি চাকরি মানে নিশ্চিত জীবন। কোনো জবাবদিহি নেই। বেসরকারি চাকরিতে সেটা নেই। ফলে তরুণদের কাছে সরকারি চাকরি লোভনীয় বিষয়। অন্যদিকে বেসরকারি চাকরিতে এ সুযোগ নেই।
এমডিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে যারা উদ্যোক্তা আছেন, তাদের অধিকাংশ কোথাও না কোথাও জব করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা দিয়ে তারা উদ্যোক্তা হয়েছেন। চাকরি করে জমানো টাকা ও ব্যাংক লোন দিয়ে তারা ব্যবসা শুরু করেন।
তাই আগামী দিনের উদ্যোক্তাদের বলতে চাই, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা যথেষ্ট সনাতনী। কোনো ইন্টার্নশিপ বা জব না করেই তরুণরা এমবিএ বা মাস্টার্স করে ফেলেন। কিন্তু আমাদের দেশের পরিবারগুলো সুযোগ না দিয়েই চাকরির জন্য সন্তানকে পাঠিয়ে দেয়। ফলে তাদের হন্য হয়ে ঘুরতে হয়। যেহেতু বাজার ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো অভিজ্ঞতাকেই মূল্য দেবে।
এ সময় আইএলও হেড অব চিটাগাং অফিস অ্যালেক্সসিউস চিছাম বলেন, শ্রম বাজারের সঙ্গে শিক্ষার মধ্যে অনেক অসঙ্গতি আছে। আমি নিজেও অনেক সুযোগ পাইনি। গ্রাম ও শহরের শিক্ষায় পার্থক্য আছে। চাকরির বাজারে বিদেশ থেকে পড়ে আসা, ভালো ইংরেজি জানে এমন মানুষের সঙ্গে আমাকে ফাইট দিতে হয়।
চিটাগং ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ফারহানা যুথী বলেন, আমাদের সামাজিকভাবে উদ্যোক্তা হওয়া কঠিন। টাকা কোথায় পাব, লোন কে দেবে- এসব রিস্ক আছে। পরিবারগুলো সবসময় বলে স্থায়ী চাকরি প্রয়োজন। না হলে দায়িত্ব নিতে পারবে না। এ কারণে তরুণরা উদ্যোক্তা রিস্ক নিতে চায় না।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনসিসির কর্ণফুলী রেজিমেন্টের সাবেক অ্যাডজুট্যান্ট আবদুল্লাহ আল মামুন ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ইয়ুথ চিফ এএনএম তামজীদ।
এর আগে ইউএসএইডের অর্থায়নে ও ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ ক্যাম্পেইনে ছিল নাগরিক সমস্যা নিয়ে থিয়েট্রিকাল পারফর্ম্যান্স, কুইজ ও ভিডিও মেসেজ প্রতিযোগিতা এবং ক্যাম্পেইনের রিল প্রদর্শনী। শেষে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পরে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ও মাল্টিপার্টি এডভোকেসি ফোরামের (ম্যাফ) প্রতিনিধি ক্যাম্পেইনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।ইউএসএইডের স্ট্রেনদেনিং পলিটিক্যাল ল্যান্ডস্কেপ (এসপিএল) প্রকল্পের আওতায় ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ‘আমিও জিততে চাই’ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে সারাদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলায় আলোচনা, নাট্য প্রদর্শনী, বিতর্ক প্রতিযোগিতাসহ নানা কর্মসূচি পরিচালনা করছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঈদ জামাত সকাল ৮টায়, প্রস্তুত চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ময়দান :চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদ-উল-ফিতরের কেন্দ্রীয় জামাত উপলক্ষে চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ঈদগাহ ময়দান সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বুধবার জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। পরিদর্শনকালে মেয়র নগরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং রমজানের শিক্ষাকে হৃদয়ে ধারণ করে চট্টগ্রামের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- ইসলামিক ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোস্তফা মনসুর আলম খান, চসিকের জনসংযোগ ও প্রটোকল কর্মকর্তা আজিজ আহমদ, নির্বাহী প্রকৌশলী আনু মিয়া, মেয়রের একান্ত সহকারী জিয়াউর রহমান জিয়া এবং সমাজকল্যাণ ও সংস্কৃতি কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, প্রায় ৬৫ হাজার বর্গফুট এলাকাজুড়ে বিশাল প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে এবং নিচে কার্পেটিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা মাথায় রেখে ওপরে টারপলিন দেওয়া হয়েছে, যাতে আবহাওয়া প্রতিকূল হলেও ঈদের জামাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে। এছাড়া প্রায় ২৫০টি পাখা, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, ৫০টি মাইক এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গত সাত দিন ধরে চসিকের উদ্যোগে এসব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যাতে মুসল্লিরা নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে নামাজ আদায় করতে পারেন।

ডা. শাহাদাত বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার মুসল্লি এই কেন্দ্রীয় জামাতে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত মুসল্লির কথা বিবেচনায় রেখে দুটি জামাতের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে-প্রথম জামাত সকাল ৮টায় এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।তিনি আরও বলেন, মুসল্লিদের নির্বিঘ্ন প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য তিনটি গেট খোলা রাখা হবে, পাশাপাশি পেছনের গেটটিও ব্যবহারের উপযোগী করা হচ্ছে, যাতে কোনো ধরনের ভিড় বা হুড়োহুড়ি না হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ বাহিনীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

নগরীর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে চসিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অপরাধ দমনে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় চলছে এবং নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, গত ১৬ মাসে চট্টগ্রামে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের মধ্যে একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যা একটি ‘সেফ সিটি’ বা নিরাপদ নগরী গড়ার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

মাঠ পরিদর্শনকালে মেয়র আরো বলেন, প্রথম ও প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদের খতিব আলহাজ্ব সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী এবং দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আহমদুল হক আল কাদেরী।এছাড়া নগরীতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে সকাল ৮টায় ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে যথাক্রমে লালদীঘি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন শাহী জামে মসজিদ, হযরত শেখ ফরিদ (রঃ) চশমা ঈদগাহ মসজিদ, সুগন্ধা আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, চকবাজার সিটি কর্পোরেশন জামে মসজিদ, জহুর হকার্স মার্কেট জামে মসজিদ, দক্ষিণ খুলশী (ভিআইপি) আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, আরেফীন নগর কেন্দ্রীয় কবরস্থান জামে মসজিদ, সাগরিকা গরুবাজার জামে মসজিদ এবং মা আয়েশা সিদ্দিকী চসিক জামে মসজিদ (সাগরিকা জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সংলগ্ন)।

পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাই শহরের পরিচ্ছন্নতার মূল চালিকাশক্তি:চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাই শহরের সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতার মূল চালিকাশক্তি বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঈদ উপহার বিতরণকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

মহানগরের কাজীর দেউরি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই উপহার হস্তান্তর করেন মেয়র। এবার চসিকের মোট ৩ হাজার ২৭০ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী প্রত্যেকে ৫ হাজার টাকা করে ঈদ উপহার পাচ্ছেন। এর আগে গত রোববার বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য ঈদ উপহারের অর্থের চেক সংশ্লিষ্ট মেয়র ও প্রশাসকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাই একটি শহরের সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতার মূল চালিকাশক্তি। তারা দিন রাত পরিশ্রম করে, রোদ বৃষ্টি উপেক্ষা করে নগরবাসীর জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করেন।

তাদের এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে প্রদত্ত এই ঈদ উপহার একটি মানবিক উদ্যোগ, যা কর্মীদের মনোবল আরও বাড়াবে।তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে একটি ক্লিন সিটি হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শহরের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল কাজ, যার উপর পুরো নগরের ভাবমূর্তি নির্ভর করে।
মেয়র আরও বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে পরিবর্তন এনে রাতের বেলায় ময়লা অপসারণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে, যার ফলে শহরের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা অনেকটাই উন্নত হয়েছে। তবে এখনও কিছু ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে ময়লা পরিবহনের সময় রাস্তায় বর্জ্য পড়ে যাওয়া, যানবাহন দ্রুত চালানোর কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

মেয়র পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সুরক্ষার জন্য প্রদত্ত ইউনিফর্ম ও সুরক্ষা সামগ্রী নিয়মিত ব্যবহার করার আহ্বান জানান। মেয়র বলেন, এই সরঞ্জামগুলো আপনাদের নিরাপত্তার জন্যই দেয়া হয়েছে। এগুলো ব্যবহার করলে যেমন আপনাদের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে, তেমনি নগরের ভাবমূর্তিও উন্নত হবে। মেয়র নগরবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে চসিক বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বর্জ্য থেকে সম্পদ উৎপাদনের লক্ষ্যে রিসাইক্লিং, বায়োগ্যাস, গ্রিন ডিজেল এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, উন্নত দেশগুলো বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করছে, আর আমাদের দেশে এখনো অনেকেই অনিয়মভাবে বর্জ্য ফেলছেন, যা জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ দূষণের অন্যতম কারণ।তিনি জানান, বাসা থেকে সরাসরি বর্জ্য সংগ্রহের একটি উদ্যোগ নেওয়া হলেও নাগরিকদের আর্থিক আপত্তির কারণে তা বন্ধ করা হয়েছে। এখন থেকে চসিক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিনামূল্যে বাসা থেকে বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

মেয়র পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই শহর আমাদের সবার। আপনারা যদি আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করেন, তাহলে চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করা সম্ভব। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরী ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা প্রমূখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ