চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ কোটি টাকার কাপড়ভর্তি কনটেইনার গায়েবের ঘটনায় গ্রেফতার-২

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আমদানিকৃত তিন কোটি টাকার কাপড়ের রোলভর্তি কনটেইইনার গায়েবের ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা জালিয়াতির মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্যবাহী কন্টেইনার বের করে নিয়েছিল। তারা হলেন- পটিয়ার জিরি ইউনিয়নের উত্তর কৈয়গ্রামের মো. মোর্শেদ আলম (৩১) ও পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার মো. সাইদুর রহমান (৫১)। দুজনই চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকার প্যারামাউন্ড ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানের জেটি সরকার হিসেবে নিয়োজিত ছিল।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রহিম জানান, জালিয়াতির মাধ্যমে কন্টেইনার গায়েব করে দেওয়ার অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সহায়তায় টার্মিনাল ম্যানেজারের দপ্তরের সামনে থেকে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার দুজন ঘটনার সময় অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের সহায়তায় জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে পণ্যবাহী কন্টেইনারটি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খালাস করে নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ১১ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ৭ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল ম্যানেজারের দপ্তরের এফসিএল সেকশনে থাকা অভিযুক্তরা তাদের সহযোগীদের সঙ্গে যোগসাজশে প্রতারণার আশ্রয় নেয়। এ সময় ডকুমেন্ট ও স্বাক্ষর জাল করে অন-ডেট ও অন-চেসিস অ্যাসাইনমেন্টের কপি আসল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।এরপর ওই জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে পণ্যসহ একটি কন্টেইনার চট্টগ্রাম বন্দরের ১ নম্বর গেট দিয়ে বের করে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় বন্দর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি জনসচেতনতার ওপর গুরুত্ব

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রাম নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে বিশেষ মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। কর্মসূচির আওতায় ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে লার্ভা ধ্বংস, মশক নিধন ওষুধ ছিটানো এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

পরিচালিত এ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব আশরাফুল আমিন। এ সময় তিনি মশক নিধন কার্যক্রমের সার্বিক অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

কার্যক্রম পরিদর্শনকালে আশরাফুল আমিন বলেন, “ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। নগরবাসীকে নিরাপদ রাখতে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রামও পরিচালনা করা হচ্ছে।”

তিনি বলেন, “শুধু মশক নিধন ওষুধ ছিটিয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে। একই সঙ্গে বাসাবাড়ি, ছাদ, নির্মাণাধীন ভবন ও আশপাশের এলাকায় যাতে পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে নগরবাসীকে আরও সচেতন হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীরও দায়িত্ব রয়েছে। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহযোগিতা করলে মশাবাহিত রোগের বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ক্রাশ প্রোগ্রাম চালানো হচ্ছে। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, লার্ভা নিধন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।মশক নিধন কর্মসূচিতে চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মশক নিধনকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৪৫

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৪৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এর মধ্যে একজনকে আগের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাকি ৪৪ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) পেয়ার আহমেদ। এর আগে শুক্রবার জেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জেলা পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া ঠেকানো, জননিরাপত্তা নিশ্চিত ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত এ অভিযান চলছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সুধারাম মডেল থানায় ছয়জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে একজনকে আগের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং পাঁচজনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়। কোম্পানীগঞ্জ থানায় ১২ জন, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ছয়জন, চরজব্বর থানায় দুজন, সোনাইমুড়ী থানায় ছয়জন, চাটখিল থানায় ছয়জন এবং কবিরহাট থানায় সাতজনকে আটক করে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার আরও বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও অপরাধপ্রবণতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি কিশোরদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সমন্বয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালানো হবে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ