আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

জলন্ত প্রমাণ পুলিশ কনস্টেবল পদে ১৬ জন ভুয়া প্রক্সি পরীক্ষার্থী গ্রেফতার।

টাকা থাকলেই বগুড়া জেলা পুলিশকে দিয়ে মহা অন্যায় করা সম্ভব !

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  1.  জলন্ত প্রমাণ পুলিশ কনস্টেবল পদে ১৬ জন ভুয়া প্রক্সি পরীক্ষার্থী গ্রেফতার

বগুড়ায় পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগের লিখিত পরিক্ষায় প্রক্সি দিয়ে পাশ করার পর মৌখিক পরিক্ষা দিতে এসে ১২ চাকরি প্রার্থী ও ৪ দালালসহ মোট ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত রোববার রাতে বগুড়া পুলিশ লাইন্স থেকে ১২ জন পরিক্ষার্থী ও পরে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৪ দালালকে গ্রেফতার করা হয়। দালালদের কাছ থেকে ২ টি চেক ও ৬ টি ফাঁকা স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়েছে।
বগুড়া জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ইনচার্জ মোস্তাফিজ হাসান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতারকৃত চাকরি প্রার্থীরা হলো, সৈকত মিয়া, জিসান ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল রাকিব, সিয়াম সরকার , রতন মিয়া , আবিদ হাসান, হাসিবুল হাসান ফাইম , সামিউল ইসলাম সিয়াম , মেহেদী হাসান , ফজলে রাব্বী, ফুয়াদ আলী , শাহীন আলম। গ্রেফতার দালালরা হলো, বুলবুল ইসলাম , ফজলুল কবির সোহাগ, আতিকুল ইসলাম এবং রাসেল।
বগুড়া জেলা পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, বগুড়া জেলায় ৯৯ জন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের জন্য গত ১৪ অক্টোবর ৮০৭ জন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেন। এরমধ্যে ১৭৮ জন প্রার্থী লিখিত পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মৌখিক ও মনস্তাত্ত্বিক পরিক্ষার জন্য নির্বাচিত হন। গত রোববার সকাল ১০ টা থেকে মৌখিক ও মনস্তাত্ত্বিক পরিক্ষা শুরু হয়। পরিক্ষা চলাকালে পুলিশ সুপারের কাছে গ্রেফতার ১২ জনের কথাবার্তা অসংলগ্ন মনে হয়। এসময় তাদেরকে পৃথক করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ এবং লিখিত পরিক্ষার খাতার সাথে তাদের হাতের লেখা গড়মিল পাওয়া যায়। পরে তারা স্বীকার করে যে দালালদের মাধ্যমে ১৫ থেকে ১৮ লাখ টাকা পর্যন্ত চুক্তি করেছে। যার কারণে তাদেরকে লিখিত পরিক্ষায় সশরীরে অংশ নিতে হয়নি। তাদের ছবি পরিবর্তন করে দালালের সংগ্রহ করা প্রার্থী প্রক্সি পরিক্ষা দিয়ে লিখিত পরিক্ষায় তাদেরকে পাশ করিয়েছে।
ডিবি পুলিশের ইনচার্জ জানান গ্রেফতার ১২ জন প্রার্থীর দেয়া তথ্য অনুসারে রোববার রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চার দালালকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে ২ টি চেক ও ৬ টি ফাঁকা স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃতদের পুলিশ লাইন্সের পরিদর্শক মামুনুল হক বাদী হয়ে গতকাল সোমবার বগুড়া সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল বিকেলে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ