আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

নির্বাচিত সরকার ছাড়া জনগণের সমস্যা সমাধান সম্ভব নয় – আবু সুফিয়ান

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেছেন, গত ১৬ বছরে বিএনপি কে ধবংস করার জন্য আওয়ামীলীগ অনেক ষড়যন্ত্র করেছিল। কিন্তু বিএনপির প্রতি জনগণের ভালোবাসা, আস্থা ও সমর্থন থাকায় বিএনপিকে তারা ভাঙ্গতে পারেনি। জনগণের শক্তিতে বিএনপি আরোও শক্তিশালী হয়েছে। জনগণ আওয়ামীলীগের সাথে ছিলনা। ক্ষমতায় ঠিকে থাকতে যুবলীগ, ছাত্রলীগ, গুন্ডালীগ, র‌্যাব, পুলিশ ও প্রশাসন ছিল তাদের একমাত্র ভরসা। জনগণের বিরুদ্ধে তারা অনেক বাহিনী নামিয়েছিল। কিন্তু জনগণের প্রতিরোধের মুখে তাদের কোন বাহিনী দাঁড়াতে পারেনি। বরঞ্চ ক্ষমতা ছেড়ে আওয়ামীলীগ পালাতে বাধ্য হয়েছে। যারা ছাত্র-জনতার বুকে গুলি চালিয়েছিল, নিরীহ ছাত্র-জনতার রক্তে নিজেদের হাতকে রঞ্জিত করেছিল সেসকল আওয়ামী সন্ত্রাসীদের কোন ছাড় নেই, কোন ক্ষমা নেই। যেখানে পালিয়ে যাকনা কেন, আইনের হাত থেকে তাদের রেহাই নেই। বাংলাদেশের মাটিতে তাদের সকল অপকর্মের বিচার হবে।
রোববার ওয়ার্ডস্থ শমসের পাড়া হাজী চাঁন মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে শমসের পাড়া ইউনিট বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘আলোচনা সভা ও শীতবস্ত্র বিতরণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরোও বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে স্বৈরাচার সরকারকে হঠিয়ে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ পেলেও মানুষের দুর্ভোগ এখনো লাঘব হয়নি। এখনো নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কমেনি। সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্নীতি কমেনি। সন্ত্রাসী কমেনি, চাঁদাবাজি কমেনি। আওয়ামীলীগ যেভাবে দুর্নীতির মাধ্যমে মানুষের পকেট কেটেছিল সে দুর্নীতি বন্ধ করে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য বিএনপি রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে ৩১দফা প্রণয়ন করেছে। জনগণের মেন্ডেট নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা ৩১দফা বাস্তবায়িত করবো। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। অন্তবর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। আমরা রাজনৈতিকগুলো তাদের সমর্থন দিয়েছি এবং সহযোগীতা করছি। অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে আহবান- জনগণ নির্বাচন চায়। তাই অতী দ্রুত সংস্কার কাজ শেষ করে নির্বাচনের রোডম্যাপ দিন। মানুষ ধৈর্য্য ধরে আছে, এই ধৈর্য্য বেশিদিন থাকবেনা। কারণ নির্বাচিত সরকার ছাড়া জনগণের সমস্যা সমাধান কোনভাবে সম্ভব নয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন লিপু, সাবেক সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলম, গিয়াস উদ্দিন ভুইয়া, ম. হামিদ, মনছুর আলম। বিএনপি নেতা রফিক কোং এর সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নুরুল আমিন, মোরশেদ কামাল মো. শহীদুজ্জামান, নাছির উদ্দিন, মো. আলমগীর, ইউসুফ আলী লিটন, নুরুল ইসলাম, মো. সরোয়ার, জহুরুল ইসলাম জহির, কামাল হোসেন খোকন, নাজিম উদ্দিন, আব্দুল্লাহ আল মুনির রাফি, মো. ইমরান,বাহাদুর আলম, সরোয়ার উদ্দিন, মো. সাহেদ প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগে আতর্কিত হামলা ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১০ আসনের জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীর নির্বাচনী গণসংযোগে হামলার ঘটনা ঘটেছে। মহানগরের খুলশী থানাধীন আমবাগান রেলগেট এলাকায় মঙ্গলবার রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, গণসংযোগ চলাকালে হঠাৎ করে একদল দুর্বৃত্ত হামলা চালায়। এতে জামায়াতের অন্তত ৮ জন নেতাকর্মী আহত হন।
আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে শামসুজ্জামান হেলালী অভিযোগ করে বলেন, অতর্কিতভাবে স্থানীয় বিএনপির লোকজন আমাদের শান্তিপূর্ণ গণসংযোগে হামলা চালিয়েছে।

এতে আমাদের নেতাকর্মীরা আহত হয়েছেন।এদিকে হামলার পর এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা বা আটকের তথ্য পাওয়া যায়নি।

শ্রীবরদীর জামায়াতের সেক্রেটারি নিহতের ঘটনায় ঢাবি ছাত্রদের প্রতিবাদ মিছিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে ১০টায় তিনি মারা যান। এই প্রাণহানির ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ