আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির কমিটিতে পদ বঞ্চিত এনামুল হকে অনুসারীরা প্রেসক্লাবের সামনে নতুন বিএনপির আহবায়ক কমিটির বিরুদ্ধে মানববন্ধন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

মানববন্ধনে যোগ দিতে আসা অধিকাংশই এস আলম গ্রুপের কারখানায় কর্মরত শ্রমিক, এমনটাই অভিযোগ প্রতিপক্ষের।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এস আলম গ্রুপের ‘গাড়িাকান্ড’র কারণে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির কমিটিতে পদ বঞ্চিত এনামুল হকে অনুসারীরা প্রেসক্লাবের সামনে নতুন বিএনপির আহবায়ক কমিটির বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে। মানববন্ধনে যোগ দিতে আসা অধিকাংশই এস আলম গ্রুপের কারখানায় কর্মরত শ্রমিক।
বৃহস্পতিবার (৬ ই ফেব্রুয়ারি) বিকেল তিনটায় মিছিল সহকারে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হতে থাকে তারা। এসময় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির নতুন আহবায়ক ইদ্রিস মিয়া ছবি সম্বেলিত প্ল্যাকার্ড বহন করতে দেখা যায় এনামের অনুসারীদের।
এরআগে দুপুর একটায় প্রেসক্লাবের সামনে একদফা জড়ো হবার চেস্টা করে তারা। তবে স্থানীয় বিএনপির পূর্বঘোষিত ফ্যাসিবাদ বিরোধী মিছিলের কারণে তারা বেশি সময় অবস্থান করতে ব্যর্থ হয়। পটিয়া ও কর্ণফুলী উপজেলা থেকে বাসযোগে এনামের অনুসারীরা জামালখান এলাকায় এসে স্থানীয় ছাত্রদল-যুবদল কর্মীদের বাঁধার মুখে পড়ে। প্রেসক্লাবের সামনে ছাত্রলীগ – আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে চলা মিছিলের মুখোমুখি হয় এনামের অনুসারীরা। পরে তারা এলাকা ত্যাগ করে। পুনরায় বেলা তিনটার দিকে প্রেসক্লাবের সামনে এসে জড়ো হয় তারা। তবে পুলিশের বাধার মুখে পনের মিনিটেই এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয় দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এনামুল হকের অনুসারীরা।
দক্ষিণ জেলা বিএনপির নতুন আহবায়ক কমিটির বিরুদ্ধে করা মানববন্ধনে অংশ নিতে আসা কয়েকজন জানান ‘ইলিয়াস কন্ট্রাক্টর’ ও ‘ মাহবু ‘ নামের দুই ব্যক্তি তাদেরকে পাঠিয়েছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুইজনই এস আলম গ্রুপের ঠিকাদার। তারা এস আলম গ্রুপের বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিক সরবরাহ করে থাকেন।
আবু আহমেদ ও বশির উদ্দিন নামের দুই বিক্ষোভকারী জানান, বিএনপি কি নিয়ে মানববন্ধন করেছে তাদের জানা নেই। তবে ইলিয়াস বাসযোগে তাদের শহরে পাঠিয়েছেন। তাদের সাথে কথা বলার সময় পাশ থেকে কয়েকজন লোক এসে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে নিষেধ করেন।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির নতুন ঘোষিত আহবায়ক কমিটির আহবায়ক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়ার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ সম্বলিত প্লেকার্ড বহন করে তারা। সাবেক সিটি মেয়র প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা ‘ এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ‘ সাথে ইদ্রিস মিয়ার সখ্যতার অভিযোগ তোলে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতারা। তারা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে নতুন আহবায়ক ইদ্রিস মিয়ার সখ্যতা ছিলো। তিনি মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না।
পুলিশের অনুরোধে তারা সাড়ে তিনটার দিকে প্রেসক্লাব এলাকা ত্যাগ করে চেরাগি পাহাড়ের দিকে মিছিল নিয়ে সরে যান।
৫ই আগস্ট সরকার পতনের পর ‘এস আলম’ গ্রুপের লক্ষাধিক কোটি টাকা পাচারের বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতা এনামুল হক, আবু সুফিয়ান,মামুন মিয়াসহ দলটির নেতাদের সাথে দেশের অর্থ লুটপাটকারী এস আলম গ্রুপের সখ্যতার বিষয়টি দেশজুড়ে আলোচনা সমালোচনার জন্ম দেয়। নতুন কমিটি ঘোষণার পর মানববন্ধনে এস আলম গ্রুপের শ্রমিকদের অংশগ্রহণ করা নিয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির কোন নেতা কথা বলতে রাজি হন নি। মুঠোফোনে এনামুল হকের সাথে যোগাযোগ করা করা হলে তিনিও সাড়া দেন নি।
গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর দেশের আলোচিত শিল্পগোষ্ঠী এস আলমের বিলাসবহুল গাড়িকাণ্ডে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি। গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরের কালুরঘাট এলাকার একটি ওয়্যারহাউস থেকে একে একে ১৪টি বিলাসবহুল গাড়ি বের হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। আলোচিত-সমালোচিত শিল্প গ্রুপ এস আলমের গাড়িগুলো পার করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে দক্ষিণ জেলা বিএনপির তখনকার তিন নেতার বিরুদ্ধে। তাঁরা হলেন আগের কমিটির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক ও সদস্য মামুন মিয়া। ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ওই তিন নেতাকে দল থেকে শোকজ করা হয়। পরে তাঁদের তিনজনের প্রাথমিক সদস্যপদ স্থগিত করা হয়। অভিযুক্ত এনামুল হকসহ ওই নেতাদের নতুন আহবায়ক কমিটিতে পদে রাখা হয়নি। পদবঞ্চিত এনামুল হকের অনুসারীরা নতুন আহবায়ক কমিটির বিরুদ্ধে মানববন্ধন করতে জড়ো হয় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে।
প্রসঙ্গত, গত রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে পাঁচ সদস্যের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয় আলী আব্বাসকে। আংশিক এই কমিটিতে আরও আছেন লিয়াকত হোসেন ও মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা। তাদের দুজনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে।এর মধ্যে আহবায়ক ইদ্রিস মিয়া দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এবং সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন আনোয়ারা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র–এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, পাঠাগার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আব্দুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও আরিচ আহমেদ শাহসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিজয়ী মোট ৩০ জন সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করেছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদস্যগণ পেশাগত জীবনে র‍্যাফেল ড্র’তে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

সিভাসু’তে ‘দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে শীর্ষক ১০ দিনের প্রশিক্ষণ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ‘দ্গ্ধুজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক দশ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। সিভাসু’র পোল্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) এবং ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পিআরটিসি’র বোর্ড মিটিং কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও নিবন্ধক মো. ইসমাইল হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, ঢাকার যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সুব্রত কুমার সিকদার। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ এবং বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সিভাসু’র সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন পিআরটিসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

দশ দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দুধ থেকে দই, মিষ্টি, মাখন, ঘি, পনির, ছানা, লাবাং, বোরহানি, মাঠা ইত্যাদি তৈরির বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সিভাসু’র ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রফেসর ড. মো: সাইফুল বারী ও ডা. উম্মে সালমা আমিন,

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ, সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ওমর ফারুক, বিএসটিআই চট্টগ্রামের ফিল্ড অফিসার (সার্টিফিকেশন মার্কস উইং) প্রকৌ. মো: মাহফুজুর রহমান এবং ট্রেড গ্লোবাল লিমিটেড, ঢাকার সিনিয়র সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মো: শরিফ হোসেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, কুতুবদিয়া ও চকরিয়া অঞ্চলের দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ প্রকল্পের ২৫ জন সমবায় সমিতির সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ