আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

রাজশাহী মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষের বাড়িতে ভাঙচুর

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক অধ্যক্ষের বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে । বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ভাঁড়রা গ্রামে
ওই বাড়িতে ভাঙচুর হয়।রাজশাহী মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও আওয়ামী–সমর্থিত সংগঠন ‘স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ’-এর (স্বাচিপ) সাংগঠনিক সম্পাদক নওশাদ আলীর বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। বুধবার মধ্যরাতে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ভাঁড়রা গ্রামে ওই বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালান ৪০ থেকে ৫০ জন।

উপজেলার বানেশ্বর ইউনিয়নের মাইপাড়া বাজার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দক্ষিণে ভাঁড়রা গ্রামের অবস্থান। সেখানে নওশাদের বাড়িতে সপরিবার থাকেন তাঁর ভাগনে ফয়সাল মোহাম্মদ রুবেল।

ফয়সাল জানান বুধবার দিবাগত রাত ১২টা ৫৫ মিনিটের দিকে গেট ভাঙার শব্দে তাঁদের ঘুম ভেঙে যায়। হামলাকারী ব্যক্তিরা হেমার দিয়ে বাইরের গেট ভেঙে বাড়িতে ঢোকেন। তাঁরা দোতলা বাসার নিচতলাতেই ছিলেন। হামলাকারী ব্যক্তিরা ভেতরে ঢুকে তাঁদের বাসা থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন। প্রাণের ভয়ে দুই শিশুসন্তান, স্ত্রী ও মাকে নিয়ে বাইরে চলে আসেন তিনি। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে হামলাকারী ব্যক্তিরা বাসার সব আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। এরপর শব্দ বন্ধ হলে তাঁরা বাসার দিকে ফিরে যান।

বৃহস্পতিবার সকালে ভাঁড়রা গ্রামের ওই বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির মেঝেতে পা ফেলার মতো অবস্থা নেই। সব জায়গায় আসবাব ও অন্য জিনিসপত্রের ভাঙা টুকরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। হামলাকারী ব্যক্তিরা প্রতিটি বাথরুমে ঢুকে ফিটিংসগুলো ভেঙে ফেলেছেন। প্রতিটি জানালার থাই গ্লাস ভাঙা অবস্থায় মেঝেতে ছড়িয়ে আছে।

বিছানাপত্রসহ অন্য আসবাবপত্র ভেঙে–চুরে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে রাখা হয়েছে মেঝেতে।
এ ব্যাপারে জানতে চিকিৎসক নওশাদ আলীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। কারা এ হামলা চালিয়েছেন, জানতে চাইলে ফয়সাল বলেন, হামলাকারী ব্যক্তিদের সবারই মুখ ঢাকা ছিল, ফলে কাউকে চিনতে পারেননি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন বলেন, এ ব্যাপারে তাঁদের কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। এমনকি কোনো খবরও দেয়নি। পুলিশ এ ব্যাপারে কিছুই জানে না।

এর আগে গত মঙ্গলবার বিকেলে একইভাবে উপজেলার পচামাড়িয়া গ্রামে উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা যুব আওয়ামী লীগের সভাপতি মৌসুমী রহমানের বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। দিনের বেলায় ওই ভাঙচুরের ঘটনা ঘটলেও পুলিশ ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পরও কিছু জানে না বলে জানিয়েছিল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভোট চুরি করতে আসলে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে হবে সারজিস আলম।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এবার যে ভোট চুরি করতে আসবে, তাকে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন বলে মন্তব্য করেছেন পঞ্চগড়-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের এনসিপি দলের প্রার্থী সারজিস আলম। পঞ্চগড় উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী শেষ জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন-রক্ত দিয়ে দিবেন, জীবন দিয়ে দিবেন, একটা ভোট চুরি করতে দিবেন না। যে ভোট চুরি করার আশায় আসবে তার একমাত্র ঠিকানা হবে হাসপাতাল। তাকে বাড়ি থেকে শেষ বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন। আমরা স্পষ্ট করে নির্বাচন কমিশনসহ সবাইকে বলতে চাই, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা বিন্দুমাত্র কোনো ধরনের নীল নকশা কেউ যদি বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করে, সর্বশেষ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পরিণতি যেন তারা মনে রাখে। তার গলায় জুতার মালা ছিল, আপনার গলায় কোন মালা থাকবে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। ১২ তারিখের লড়াই আমাদের মুক্তির লড়াই। ১২ তারিখের লড়াই ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লড়াই। আমরা জীবন দিয়ে, রক্ত দিয়ে এ লড়াইয়ে বিজয়ী হবো।

পাবনা-০৩ আসনে জামায়াতের এমপি পদপ্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে সামনে রেখে পাবনা-০৩ (চাটমোহর,ভাঙ্গুড়া,ফরিদপুর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী মাওলানা আলী আছগার তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মাওলানা মহি উদ্দিন সাহেব আমীরে জামায়াতে ইসলামী ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখা।

“চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ” শিরোনামে ঘোষিত এ ইশতেহারে-শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ, কর্মসংস্থান, নারী ও শিশু কল্যাণ, সামাজিক নিরাপত্তা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দুর্নীতিমুক্ত সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ইশতেহারে বলা হয়, নির্বাচিত হলে চাটমোহর,ভাঙ্গুড়া,ফরিদপুর এই তিন উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। শিক্ষা খাতে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষার মানোন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো আধুনিকায়ন, চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হয়।
কৃষি খাতে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত, আধুনিক কৃষি প্রশিক্ষণ, সার-বীজ সহজলভ্য করা এবং সরকারি উদ্যোগে কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। পাশাপাশি নদীভাঙন রোধ, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিবেশ সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
ইশতেহারে আরও উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় পর্যায়ে শিল্প স্থাপন ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।

এমপি পদপ্রার্থী মাওলানা আলী আছগার বলেন, ৭০,পাবনা-০৩ এলাকায় “আমি নির্বাচিত হলে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে তিন এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কাজ করব ইনশাল্লাহ।একটি ন্যায়ভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতেই আমার এই অঙ্গীকার।”তিনি উন্নয়ন ও সুশাসন বাস্তবায়নে এলাকাবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ