আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ, ২০২৬

রাউজানে বিসিসিইউএল হাসপাতালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডা. শাহাদাত হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিকিৎসকরা ভালোভাবে সময় দেন না বলেই রোগীরা বিদেশে চলে যায় দেশের চিকিৎসকরা ভালোভাবে সময় দেন না বলেই রোগীরা বিদেশে চলে যায় বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ডাক্তাররা অনেক অভিজ্ঞ অনেক শিক্ষিত। আমরা রোগীদের সময় দিতে পারি না বিধায়, আমাদের রোগীরা বিদেশে চলে যাচ্ছে। ডাক্তাররা যদি বেশী রোগীর পরিবর্তে ২০ থেকে ২৫ জন রোগী দেখেন। আর প্রতিজন রোগীকে যদি ২০ মিনিট ধরে সময় দেওয়া যায় তাহলেই রোগীর আসল রোগের অবস্থা জেনে ভালো চিকিৎসা দেওয়া যাবে।

তিনি শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে রাউজান উপজেলাধীন চুয়েট সংলগ্ন পাহাড়তলী চৌমুহনীস্থ হাজী মকবুল টাওয়ারে বিসিসিইউএল জেনারেল হাসপাতালের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

রাউজানের নতুন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে উদ্দেশ্য করে শাহাদাত হোসেন বলেন, একটি হসপিটাল উদ্বোধন করা বড় কথা নয়, হসপিটালের মান ধরে রাখাই বড় কথা। হসপিটালের মান ধরে রাখার জন্য সবার প্রচেষ্টা থাকতে হবে।

তিনি বলেন, আপনারা যারা হসপিটালটি করেছেন এ হসপিটালের মান আপনারা ধরে রাখবেন। আমাদের এখান থেকে অধিকাংশ রোগী ভারতে চলে যায়, ভারতে যাতে রোগী চলে যেতে না হয় সেজন্য আপনাদের হাসপাতালে সেবার মান বৃদ্ধি করবেন।

রাউজানে ডায়ালাইসিস মেশিন আনার কারণে গ্রামবাসীর জন্য উপকার হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রাউজানে এ প্রথম ডায়ালাইসিস মেশিন, এটা আমার খুব ভালো লেগেছে। গ্রামবাসীর জন্য উপকারে আসবে। এছাড়াও বাচ্চাদের জন্য এনআইসিইউ সেন্টার, শহরের বেশ কয়েক জায়গায় থাকলেও গ্রামে নেই। রাউজানে থাকছে, এটা একটা চমৎকার উদ্যোগ নিয়েছেন আপনারা।

জনগণের অধিকার ঠিকভাবে পূরণ করতে হবে মন্তব্য করে চসিক মেয়র বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা, এসব মানুষের অধিকার। যেগুলো আমরা এতদিন পাইনি, এই অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এখন আমরা যারা আছি, সবাইকে মানুষের অধিকার যথাযথভাবে দিতে হবে। আমরা যদি আগের মতো মনে করি যে, তাদের অধিকার হরণ হয়েছে দেখে আমরাও অধিকার হরণ করবো, তা হবে না। এ চিন্তা থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। এরপরই ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ শহরকে আমাদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তাহলেই আমরা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে পারব।

দি বিসিসিইউএল জেনারেল হাসপাতালের চেয়ারম্যান ভদন্ত শাসন রক্ষিত ভিক্ষু’র সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় যুগ্ম নিবন্ধক বাবু আশীষ কুমার বড়ুয়া, মো. দুলাল মিঞা, রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিসান বিন মাজেদ, জেলা সমবায় অফিসার মুরাদ আহম্মদ, রাউজান সহকারি কমিশনার (ভূমি) অং ছিং মারমা, চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি প্রফেসর জাহাঙ্গীর চৌধুরী, সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাউজান থানার ওসি একেএম শফিকুল আলম চৌধুরী, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বাবু রুবেল বড়ুয়া হৃদয়, রাউজান উপজেলা প্রকৌশলী আবুল কালাম, উপজেলা সমবায় অফিসার ওবাইদুল হক, কালব’র

পরিচালক বাবু উত্তম কুমার দে, পাহাড়তলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়াররম্যান শ্রীমতি অর্পিতা মুৎসুদ্দী, মকবুল টাওয়ারের স্বত্বাধিকারী আবদুল হক, মো. মোস্তফা, বিসিসিইউএল’র ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক উজ্জ্বল মুৎসুদ্দী, বাংলাদেশ বুড্ডিস্ট ডক্টরস এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রফেসর ডা. চৌধুরী চিরঞ্জীব বড়ুয়া প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঈদ জামাত সকাল ৮টায়, প্রস্তুত চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ময়দান :চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদ-উল-ফিতরের কেন্দ্রীয় জামাত উপলক্ষে চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ঈদগাহ ময়দান সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বুধবার জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। পরিদর্শনকালে মেয়র নগরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং রমজানের শিক্ষাকে হৃদয়ে ধারণ করে চট্টগ্রামের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- ইসলামিক ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোস্তফা মনসুর আলম খান, চসিকের জনসংযোগ ও প্রটোকল কর্মকর্তা আজিজ আহমদ, নির্বাহী প্রকৌশলী আনু মিয়া, মেয়রের একান্ত সহকারী জিয়াউর রহমান জিয়া এবং সমাজকল্যাণ ও সংস্কৃতি কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, প্রায় ৬৫ হাজার বর্গফুট এলাকাজুড়ে বিশাল প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে এবং নিচে কার্পেটিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা মাথায় রেখে ওপরে টারপলিন দেওয়া হয়েছে, যাতে আবহাওয়া প্রতিকূল হলেও ঈদের জামাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে। এছাড়া প্রায় ২৫০টি পাখা, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, ৫০টি মাইক এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গত সাত দিন ধরে চসিকের উদ্যোগে এসব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যাতে মুসল্লিরা নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে নামাজ আদায় করতে পারেন।

ডা. শাহাদাত বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার মুসল্লি এই কেন্দ্রীয় জামাতে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত মুসল্লির কথা বিবেচনায় রেখে দুটি জামাতের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে-প্রথম জামাত সকাল ৮টায় এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।তিনি আরও বলেন, মুসল্লিদের নির্বিঘ্ন প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য তিনটি গেট খোলা রাখা হবে, পাশাপাশি পেছনের গেটটিও ব্যবহারের উপযোগী করা হচ্ছে, যাতে কোনো ধরনের ভিড় বা হুড়োহুড়ি না হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ বাহিনীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

নগরীর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে চসিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অপরাধ দমনে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় চলছে এবং নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, গত ১৬ মাসে চট্টগ্রামে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের মধ্যে একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যা একটি ‘সেফ সিটি’ বা নিরাপদ নগরী গড়ার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

মাঠ পরিদর্শনকালে মেয়র আরো বলেন, প্রথম ও প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদের খতিব আলহাজ্ব সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী এবং দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আহমদুল হক আল কাদেরী।এছাড়া নগরীতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে সকাল ৮টায় ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে যথাক্রমে লালদীঘি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন শাহী জামে মসজিদ, হযরত শেখ ফরিদ (রঃ) চশমা ঈদগাহ মসজিদ, সুগন্ধা আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, চকবাজার সিটি কর্পোরেশন জামে মসজিদ, জহুর হকার্স মার্কেট জামে মসজিদ, দক্ষিণ খুলশী (ভিআইপি) আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, আরেফীন নগর কেন্দ্রীয় কবরস্থান জামে মসজিদ, সাগরিকা গরুবাজার জামে মসজিদ এবং মা আয়েশা সিদ্দিকী চসিক জামে মসজিদ (সাগরিকা জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সংলগ্ন)।

চট্টগ্রাম কারাগারে ঈদের হাসি ফোটাতে নানা উদ্যেগ, বন্দীরা আপ্যায়িত হবে বিশেষ খাবারে ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদে কারাবন্দীদের মুখে হাসি ফোটাতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ। প্রায় ছয় হাজার বন্দীদের মাঝে কারাগার কর্তৃপক্ষ ছড়িয়ে দিতে চায় ঈদের আনন্দ। ঈদের দিন কারাগারে স্বজনদের কাছে ছুটলেও চার দেয়ালের বাইরে যাবার সুযোগ নেই কারাবন্দীদের। সরকারি নিয়মীতির মধ্যে থেকেই দেখা করতে হয়। এবার ঈদে কারাগারে বন্দীদের পায়েস, মুড়ি, গরুর ও ছাগলের মাংসের ব্যবস্থা থাকবে। তবে ঈদের পরদিন স্বজনরা বাসায় রান্না করা খাবার দিতে পারবেন বন্দীদের। বাহিরের কোন বাবুচি নয়, কারাবন্দী কয়েদীরা এই রান্না করবেন বলে জানা গেছে। এবার কারাবন্দী মায়ের সাথে ৪৫ শিশুও ঈদ করবে বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ শরীফ জানান, বিধি অনুযায়ী আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি ঈদে যেন বন্দীদের মন খারাপ না থাকে। ঈদ উপলক্ষে বিশেষ রান্নার আয়োজন করা হবে কারাগারে। কারাগারের ভেতরে অনুষ্ঠিত হবে ঈদের জামাত। সকাল সাড়ে সাতটায় কারাগারে কর্মরত অফিসার ও কর্মচারীরা নামাজ পড়বেন।

সাড়ে আটটায় অনুষ্ঠিত হবে বন্দীদের ঈদের নামাজ। সকালে বন্দীদের সরবরাহ করা হবে পায়েস, মুড়ি। দুপুরে মুসলিম বন্দীদের জন্য গরুর মাংস। অন্য ধর্মালম্বীদের জন ছাগলের মাংসের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া সবার জন্য থাকবে মুরগির মাংস ও মিষ্টি। রাতে পোলাও এবং পান সুপারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঈদের পরদিন স্বজনরা বাসায় রান্না করা খাবার দিতে পারবেন বন্দীদের।
কারগারসূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম কে›ন্দ্রীয় কারাগারে সাজা, মত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ও হাজতি মিলে বন্দীর সংখ্যা ছিলো প্রায় ছয় হাজার। সেই হিসেবে প্রায় ছয় হাজার বন্দী এবার চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে ঈদ উদযাপন করবেন।

বিপুল সংখ্যাক বন্দীর জন্য কারাগারে উন্নত খাবারের রান্নার আয়োজন করা হয়েছে। করা হয়েছে বাহারি আলোকসজ্জা। ইচ্ছে করলেও কারাবন্দীরা সারাবছর ঘরে রান্নার স্বাদ নিতে পারেন না। তবে ঈদের পরদিন স্বজনরা চাইলে বাড়ির রান্না করা খাবার দিতে পারবেন বন্দীদের।
জানা গেছে, ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম কারাগার ১৯৯৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় কারাগারে উন্নীত হয়। কারাগারের পাঁচ তলা বিশিষ্ট পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ভবনের প্রতিটিতে ৩০০ জন ও কর্ণফুলী, সাংগু ও হালদা ভবনের প্রতিটিতে ২৪০ জন বন্দী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন। পাঁচ কক্ষ বিশিষ্ট দুটি ফাঁসির সেল ভবন, ৩২ কক্ষ বিশিষ্ট একটি সেল ভবন রয়েছে।

এবার পেশাদার কোন বাবুর্চি নয়, কারাবন্দী কয়েদীরা ২৮ চুলায় এসব রান্না তৈরি করবেন। বন্দীদের রান্নার জন্য দুটি রান্না ঘরে ২৮টি চুলা (চৌকা) রয়েছে। এছাড়া চারতলা বিশিষ্ট একটি মহিলা কয়েদি ও দুই তলা বিশিষ্ট মহিলা হাজতি ব্যারাক রয়েছে দুটি। কাগজে কলমে দুই হাজার ২’শ ৪৮ জন বন্দীর ধারণক্ষমতা সম্পন্ন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীর সংখ্যা ছিল প্রায় ছয় হাজার। এদিকে কোন অপরাধ না করেও কারাগারে বন্দী রয়েছে ৪৫ শিশু। নানা অপরাধে জড়িত কারাবন্দী মায়ের সাথে শিশুরাও বন্দী জীবনযাপন করছে। জেলার সৈয়দ শাহ শরীফ জানান, বন্দী মায়ের সাথে শিশুদের ছয় বছর বয়স পর্যন্ত কারাগারে রাখা হয়। কারাগারে থাকা শিশুদের জন্য খেলাধূলা ও পড়াশোনার ব্যবস্থা রয়েছে। ছয় বছর বয়স পার হলেও তাদেরকে সমাজ সেবার আওতাধীন বিভিন্ন শিশু সদনে পাঠানো হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ