আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

রাউজানে বিসিসিইউএল হাসপাতালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডা. শাহাদাত হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিকিৎসকরা ভালোভাবে সময় দেন না বলেই রোগীরা বিদেশে চলে যায় দেশের চিকিৎসকরা ভালোভাবে সময় দেন না বলেই রোগীরা বিদেশে চলে যায় বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ডাক্তাররা অনেক অভিজ্ঞ অনেক শিক্ষিত। আমরা রোগীদের সময় দিতে পারি না বিধায়, আমাদের রোগীরা বিদেশে চলে যাচ্ছে। ডাক্তাররা যদি বেশী রোগীর পরিবর্তে ২০ থেকে ২৫ জন রোগী দেখেন। আর প্রতিজন রোগীকে যদি ২০ মিনিট ধরে সময় দেওয়া যায় তাহলেই রোগীর আসল রোগের অবস্থা জেনে ভালো চিকিৎসা দেওয়া যাবে।

তিনি শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে রাউজান উপজেলাধীন চুয়েট সংলগ্ন পাহাড়তলী চৌমুহনীস্থ হাজী মকবুল টাওয়ারে বিসিসিইউএল জেনারেল হাসপাতালের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

রাউজানের নতুন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে উদ্দেশ্য করে শাহাদাত হোসেন বলেন, একটি হসপিটাল উদ্বোধন করা বড় কথা নয়, হসপিটালের মান ধরে রাখাই বড় কথা। হসপিটালের মান ধরে রাখার জন্য সবার প্রচেষ্টা থাকতে হবে।

তিনি বলেন, আপনারা যারা হসপিটালটি করেছেন এ হসপিটালের মান আপনারা ধরে রাখবেন। আমাদের এখান থেকে অধিকাংশ রোগী ভারতে চলে যায়, ভারতে যাতে রোগী চলে যেতে না হয় সেজন্য আপনাদের হাসপাতালে সেবার মান বৃদ্ধি করবেন।

রাউজানে ডায়ালাইসিস মেশিন আনার কারণে গ্রামবাসীর জন্য উপকার হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রাউজানে এ প্রথম ডায়ালাইসিস মেশিন, এটা আমার খুব ভালো লেগেছে। গ্রামবাসীর জন্য উপকারে আসবে। এছাড়াও বাচ্চাদের জন্য এনআইসিইউ সেন্টার, শহরের বেশ কয়েক জায়গায় থাকলেও গ্রামে নেই। রাউজানে থাকছে, এটা একটা চমৎকার উদ্যোগ নিয়েছেন আপনারা।

জনগণের অধিকার ঠিকভাবে পূরণ করতে হবে মন্তব্য করে চসিক মেয়র বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা, এসব মানুষের অধিকার। যেগুলো আমরা এতদিন পাইনি, এই অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এখন আমরা যারা আছি, সবাইকে মানুষের অধিকার যথাযথভাবে দিতে হবে। আমরা যদি আগের মতো মনে করি যে, তাদের অধিকার হরণ হয়েছে দেখে আমরাও অধিকার হরণ করবো, তা হবে না। এ চিন্তা থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। এরপরই ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ শহরকে আমাদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তাহলেই আমরা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে পারব।

দি বিসিসিইউএল জেনারেল হাসপাতালের চেয়ারম্যান ভদন্ত শাসন রক্ষিত ভিক্ষু’র সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় যুগ্ম নিবন্ধক বাবু আশীষ কুমার বড়ুয়া, মো. দুলাল মিঞা, রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিসান বিন মাজেদ, জেলা সমবায় অফিসার মুরাদ আহম্মদ, রাউজান সহকারি কমিশনার (ভূমি) অং ছিং মারমা, চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি প্রফেসর জাহাঙ্গীর চৌধুরী, সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাউজান থানার ওসি একেএম শফিকুল আলম চৌধুরী, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বাবু রুবেল বড়ুয়া হৃদয়, রাউজান উপজেলা প্রকৌশলী আবুল কালাম, উপজেলা সমবায় অফিসার ওবাইদুল হক, কালব’র

পরিচালক বাবু উত্তম কুমার দে, পাহাড়তলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়াররম্যান শ্রীমতি অর্পিতা মুৎসুদ্দী, মকবুল টাওয়ারের স্বত্বাধিকারী আবদুল হক, মো. মোস্তফা, বিসিসিইউএল’র ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক উজ্জ্বল মুৎসুদ্দী, বাংলাদেশ বুড্ডিস্ট ডক্টরস এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রফেসর ডা. চৌধুরী চিরঞ্জীব বড়ুয়া প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিপদে ফেলে গেছে সমর্থকদের, নির্দোষদের পাশে আছে বিএনপি: ফখরুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সমর্থকদের বিপদে ফেলে গেছেন, তাদের মধ্যে যারা অন্যায় করেনি, বিএনপি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, এ কথা বলেছেন দলের মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ (বুধবার, ২৮ জানুয়ারি) নিজ আসনে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এর আগে এমপি নির্বাচন করছি ১৫ বছর আগে। মাঝখানে আমরা আর কোনো ভোট দিতে পারিনি। সব ভোট নিয়ে গেছে ওরা। কারা? ওই ফ্যাসিস্ট, হাসিনার লোকেরা, পুলিশ, প্রশাসন। এবার একটা সঠিক ভোট হবে বলে আশা করছি আমরা। অর্থাৎ যার ভোট, সে দিতে পারবে। যাকে খুশি তাকে দিতে পারবে।

তিনি বলেন, এবারের ভোটটা একটু অন্যরকম হচ্ছে। অন্যান্যবার এলাকায় আমার খালি দৌড়াদৌড়ি করি, নৌকা আর ধানের শীষ, নৌকা আর ধানের শীষ। এবার তো নৌকা নাই, নৌকা এবার পালাইছে। চলে গেছে হাসিনা, যারা সমর্থক আছে, তাদের বিপদে ফেলে গেছে। আমরা সে বিপদ থেকে তাদের পাশে দাঁড়াইছি।

যারা অন্যায় করেছে তাদের জন্য শাস্তি হবে উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, আমরা হিন্দু ভাইদের বলছি, আপনারা কোনো চিন্তা করবেন না, আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে। যারা অন্যায় করছে তাদের জন্য শাস্তি হবে। যারা অন্যায় করেনি, সাধারণ মানুষ, তাদের আমরা আমাদের বুকের মধ্যে রেখে দেবো।
তিনি শেষে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে ধানের শীর্ষে ভোট চান বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল।
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জনগণ গণতন্ত্রের পথে যাবে : আমীর খসরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণের ওপর আস্থা রেখে নির্বাচন করা ভালো। সব ধরনের খুটিনাটি নিয়ে, প্রপাগান্ডা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার যে প্রক্রিয়া সে পথে তো জনগণ যাবে না, জনগণ যাবে গণতন্ত্রের পথে। তারা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সে পথেই চলছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর ৩৮ নং দক্ষিণ মধ্য হালিশহর ওয়ার্ডের সল্ট গোলা ক্রসিং থেকে নিশ্চিন্তপাড়া ওয়ার্ড অফিস মাইজপাড়া, ১ নং সাইট, হিন্দু পাড়া, বাকের আলি ফকির টেকসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি ১২ তারিখ ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।আমীর খসরু বলেন, প্রত্যেক নির্বাচনে ছোটখাটো কিছু ঘটনা ঘটে থাকে এটার জন্য বা এটার অর্থ এই নয় যে নির্বাচনে লেভেল ফিল্ড নেই। সব জায়গায় সব সময় সারা বিশ্বে ঘটে থাকে ছোটখাটো ঘটনা। এটার জন্য নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা অর্থাৎ যারা নির্বাচন চায় না তারা এই কাজগুলো এই কথাগুলো বলে।কিছু ছোটখাটো ঘটনা, এটা সারা বিশ্বে ঘটছে, এটা বাংলাদেশেও ঘটেছে। জনগণের সমর্থনে এ নির্বাচন হচ্ছে। এটা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। এই নির্বাচনে তার মালিকানা ফিরে পেতে চায় মানুষ।

তারা নির্বাচিত সরকার দেখতে চায়, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দেখতে চায়, যারা তাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে, জবাবদিহি থাকবে। সে অপেক্ষায় তারা আছে। এটাকে বাধাগ্রস্ত করতে যারাই যাবে তারা নিজেরাই বাধাগ্রস্ত হবে। তাদের রাজনৈতিক কোনো ভবিষ্যৎ থাকবে না। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মহানগর বিএনপির সদস্য হাজী হানিফ সওদাগর প্রমুখ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ