আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

সুনামগঞ্জে সম্ভ্রম বাঁচাতে সিএনজি থেকে লাফিয়ে পড়লেন কিশোরী, ধর্ষণ চেষ্টায় জড়িত দু’জন গ্রেফতার।

সিলেট সংবাদদাতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাগুরায় শিশু কন্যা আছিয়ার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার নিজের সম্ভ্রম বাঁচাতে সিএনজি থেকে লাফিয়ে পড়ে এক কিশোরী যাত্রী আহত হওয়ার ঘটনায় সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে ধর্ষণ চেষ্টায় জড়িত চালক সহ দু’জন গ্রেফতার করেছে পুলিশ।শুক্রবার রাতে দিরাই থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে উপজেলার গছিয়া এলাকায় আত্বগোপনে থাকা ধর্ষণ চেষ্টায় জড়িতদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হল, উপজেলার রাজনগর ইউরিনয়নের জকিনগর গ্রামের তারা খানের ছেলে সিএনজি চালক ইমন খান, একই গ্রামের আব্দুর রউফ ওরফে রুপ মিয়ার ছেলে যাত্রীবেশী মিটু মিয়া।শুক্রবার রাতে ভিকটিম কিশোরীর পারিবারীক সুত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) বিকালে দিরাই উপজেলা সদর থেকে কেনাকাটা শেষে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরী বাড়ি ফেরার জন্য সদরের বাসষ্টেশন থেকে সিএনজিতে উঠে অন্য যাত্রীদের সাথে। ওই সিএনজিতে চালক সহ চালকের পূর্ব পরিচিত আরো দুই যাত্রী ছিলেন।

চালক সিএনজি চালিয়ে কিছু দূর যাওয়ার পর দুই যাত্র বেশী লম্পট চালকের সহযোগিতায় প্রথমে ওই কিশোরীর শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা চালায়।এক পর্যায়ে উপজেলার রফিনগরে কিশোরীর বাড়িমুখী রাস্তায় সিএনজি না নিয়ে সুনামগঞ্জ জেলা শহর মুখী ভুল পথে সিএনজি চালিয়ে যেতে থাকলে কিশোরীকে ধর্ষণ করা হতে পারে শঙ্কায় নিজের সম্ভ্রম বাঁচাতে চলন্ত সিএনজি থেকে শান্তিগঞ্জের গণিগঞ্জ বাজার এলাকায় পৌছলে জনসমাগম দেখে লাফিয়ে সড়কে পড়ে ওই কিশোরী আহত হন।

এরপর শান্তিগঞ্জের গণিগঞ্জ এলাকার এক বাসিন্দা স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহত অবস্থায় ওই কিশোরীকে উদ্যার করে পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার সন্ধায় চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করা হয়।শুক্রবার রাতে দিরাই থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন,হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কিশোরী ভিকটিমের সাথে জেলা পুলিশের দায়িত্বশীল অফিসারগণ কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত জেনেছেন, ধর্ষণ চেষ্টায় জড়িত আরো একজনকে গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান ওসি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ