আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাত স্ত্রী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীতে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাত করে খুনের ঘটনায় স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার গভীর রাতে নগরীর বন্দর থানার ধুমপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পারিবারিক কলহের জেরে তিনি স্ত্রীকে খুন করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। গ্রেফতার সবুজ খন্দকার (২৯) টাঙ্গাইল জেলার ভূঁঞাপুর উপজেলারে বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে নগরীর বন্দর থানার ধুমপাড়া সাগর রোড এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।

এর আগে শনিবার বিকেলে বন্দরের বাকের আলী টেকের মোড় এলাকায় চাঁদনি খাতুনকে (২৫) এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান তার স্বামী সবুজ খন্দকার। পরে স্থানীয়রা চাঁদনিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানায়, চাঁদনি সবুজের সঙ্গে আর সংসার করতে চাচ্ছিলেন না। তাই তিনি সবুজের বাসা ছেড়ে তার মামার বাসায় উঠেছিলেন। তিনি নগরীর ইপিজেডে এভারটোব বাংলাদেশ লিমিটেড নামে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।

সবুজ কয়েকবার তাকে ফিরিয়ে নিতে চাইলেও চাঁদনি যেতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বেশ কয়েকবার ঝগড়াও হয়। শনিবার বিকেলে চাঁদনি কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে বাকের আলী টেকের মোড় এলাকায় আগে থেকে উঁৎপেতে থাকা সবুজ তার গতিরোধ করেন।এরপর চাঁদনিকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে তিনি পালিয়ে যান। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই চাঁদনি মারা যান। এ ঘটনায় খুনের শিকার চাঁদনির বোন সবুজকে একমাত্র আসামি করে বন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মুহাম্মদ সুলতান আহসান বলেন, চাঁদনির যখন জ্ঞান ছিল তখন সে ওখানে থাকা লোকজনকে বলে গিয়েছিল তার স্বামী তাকে ছুরিকাঘাত করেছে। ঘটনার পরপরই আমাদের পাঁচটি টিম সবুজকে গ্রেফতার করতে অভিযানে নামে। বিভিন্ন মোড়ে আমাদের সোর্সদের সক্রিয় থাকতে বলা হয়। রাত দেড়টার দিকে ধুমপাড়া এলাকায় তার মোবাইলের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করতে আমরা সক্ষম হই।
ওসি সুলতান আহসান আরও বলেন, সে মূলত পালিয়ে যাওয়ার জন্য সুযোগ খুঁজছিল।

পুলিশকে দেখে সে দৌঁড়ও দিয়েছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সবুজ খুনের কথা স্বীকার করেছে। ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা ছুরিটি আমরা আগেই উদ্ধার করেছি। সবুজকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ