আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

পাইকগাছায় নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি মূলক সভা অনুষ্ঠিত।

পাইকগাছা প্রতিনিধ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাইকগাছায় বাংলা নববর্ষ-১৪৩২ উৎসব মুখর পরিবেশে উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে এগারোটায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, উপাধ্যক্ষ মিহির বরন মন্ডল, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহজাহান আলী শেখ।

এসময়ে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন শাহা, প্রানি সম্পদ কর্মকর্তা পার্থ প্রতিম রায়, উপজেলা হিসাব রক্ষন অফিসার আবুল বাশার, মুক্তিযোদ্ধা রনজিৎ কুমার রায়, সহকারী প্রোগ্রামার মৃদুল কান্তি দাস, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার ঘোষ, সহকারী কৃষি অফিসার এসএম মনিরুল হুদা, প্রধান শিক্ষিকা সেলিনা পারভীন, প্রেসক্লাব পাইকগাছা এর সভাপতি প্রকাশ ঘোষ বিধান, সাধারণ সম্পাদক এম জালাল উদ্দীন, সাংবাদিক নুরুল আমিন পলাশ, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম সানা, খোরশেদুজ্জামান, জনস্বাস্থ্য সহকারী প্রকৌশলী প্রশান্ত পাল, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ উৎপল কুমার বাইন, সচিব ফারুক হোসেন সরদার, শেখ মিরাজুল ইসলাম সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সাংবাদিক বৃন্দ।

সভায় পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা সহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

খুলনায় যুবতীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

খুলনার পূর্ব বানিয়াখামারের কাস্টম গলি থেকে গাছের ডালে ঝুলে থাকা ৪০ বছর বয়সী এক যুবতীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ । পুলিশ জানিয়েছে উক্ত লাশ খুলনা মহানগরীর নিরালা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা আনছার উদ্দিন শেখের মেয়ে। তার একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কাস্টম গলির একটি গাছের ডালে একজন নারীর লাশ ঝুলান্ত অবস্থায় দেখে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে লাশ খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। মৃতের মা পারুল বেগম।

যশোরে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যশোরে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের ফলে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। দু’দিনের ব্যবধানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ মাঝারি আকার ধারণ করেছে। বুধবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে দু’দিন যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও রেকর্ড করা হয়েছে।

যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানাগেছে, যশোরাঞ্চলে পৌষের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ব্যারোমিটারের পারদ নেমে গেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। শুরু হয় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) যশোরের তাপমাত্রা নেমে যায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ওইদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল। এর আগে যশোরে শুক্রবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিলো । এরপর গত তিনদিন তাপমাত্রার ব্যারোমিটারের পারদ সামান্য উর্ধ্বমুখি হলেও শীত কমেনি। বরং সূর্যের দেখা না মেলায় কুয়াশা আর উত্তরের বাতাসে বেড়েছে শীতের তীব্রতা।

আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, যশোরে এখন মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। বুধবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় গোপালগঞ্জে, ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যশোরে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বিরাজ করছে কুয়াশা ও বাতাসের দাপট। দুইয়ে মিলে হাড়ে কাঁপন লেগেছে।

যশোরাঞ্চলের উপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। প্রচন্ড শীতের কারণে মানুষজনের স্বাভাবিক কর্মকান্ড ব্যহত হচ্ছে। মোটা জ্যাকেট, মাফলারে ঢেকে মানুষজনকে জুবুথুবু হয়ে পথ চলতে দেখা যায়। হাড় কাঁপানো শীতে ঘর থেকে বের হননি অনেকে। শীতের কারণে সারা দিনই গরম পোশাক পরে মানুষজনকে চলাচল করতে দেখা যায়।

তবে শৈত্যপ্রবাহ হলেও ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই শ্রমজীবী মানুষের। যশোর শহরের লালদীঘি পাড়ে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪শ’ মানুষ শ্রম বিক্রির জন্য জড়ো হয়ে থাকেন। প্রচন্ড শীতে সেই সংখ্যা অর্ধেকে এসে দাঁড়িয়েছে। তবে তারপরও কাজ না পাওয়ায় অনেকেই বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। কিছু মানুষ অনেক বেলা অবধি অপেক্ষা করছেন কাজের আশায়।

যশোরের শার্শার দক্ষিন বুরুজ বাগান গ্রামের কৃষক বলেন, শীতে ঘরের বাইরে যাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু না যেয়ে তো উপায় নেই। এখন ইরি-বোরো রোপনের মৌসুম চলছে। ক্ষেতে সেচ চলছে। জমির পাক শেষ হলেও রোপনের জন্য শ্রমিক মিলেছ না প্রচন্ড শীেেতার জন্য। একই গ্রামের দিনমুজুর বাবুল হোসেন বলেন, আমি ক্ষেতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করি। এখন ইরি-বোরো রোপনের মৌসুম চললেও ঠান্ডা পানিতে নেমে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। শীতের ভিতরে অনেক কষ্ট হচ্ছে।

নাভারন এলাকার রিকশা ভ্যানচালক আবুল হাসান বলেন, শীতে ঘরে থেকে মানুষ বের হচ্ছে খুবই কম। এজন্য যাত্রী পাচ্ছি না। আয় রোজগারও কমেছে। খুবই কষ্টে দিন পার করছি। গায়ে কাঁপন ধরানো ঠান্ডায় মানুষের পাশাপাশি প্রাণিকূলেরও জবুথবু অবস্থা। মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

ইয়ানূর রহমান : যশোরে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের ফলে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। দু’দিনের ব্যবধানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ মাঝারি আকার ধারণ করেছে। বুধবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে দু’দিন যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও রেকর্ড করা হয়েছে।

যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানাগেছে, যশোরাঞ্চলে পৌষের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ব্যারোমিটারের পারদ নেমে গেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। শুরু হয় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) যশোরের তাপমাত্রা নেমে যায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ওইদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল। এর আগে যশোরে শুক্রবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিলো । এরপর গত তিনদিন তাপমাত্রার ব্যারোমিটারের পারদ সামান্য উর্ধ্বমুখি হলেও শীত কমেনি। বরং সূর্যের দেখা না মেলায় কুয়াশা আর উত্তরের বাতাসে বেড়েছে শীতের তীব্রতা।

আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, যশোরে এখন মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। বুধবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় গোপালগঞ্জে, ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যশোরে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বিরাজ করছে কুয়াশা ও বাতাসের দাপট। দুইয়ে মিলে হাড়ে কাঁপন লেগেছে।

যশোরাঞ্চলের উপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। প্রচন্ড শীতের কারণে মানুষজনের স্বাভাবিক কর্মকান্ড ব্যহত হচ্ছে। মোটা জ্যাকেট, মাফলারে ঢেকে মানুষজনকে জুবুথুবু হয়ে পথ চলতে দেখা যায়। হাড় কাঁপানো শীতে ঘর থেকে বের হননি অনেকে। শীতের কারণে সারা দিনই গরম পোশাক পরে মানুষজনকে চলাচল করতে দেখা যায়।

তবে শৈত্যপ্রবাহ হলেও ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই শ্রমজীবী মানুষের। যশোর শহরের লালদীঘি পাড়ে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪শ’ মানুষ শ্রম বিক্রির জন্য জড়ো হয়ে থাকেন। প্রচন্ড শীতে সেই সংখ্যা অর্ধেকে এসে দাঁড়িয়েছে। তবে তারপরও কাজ না পাওয়ায় অনেকেই বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। কিছু মানুষ অনেক বেলা অবধি অপেক্ষা করছেন কাজের আশায়।

যশোরের শার্শার দক্ষিন বুরুজ বাগান গ্রামের কৃষক বলেন, শীতে ঘরের বাইরে যাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু না যেয়ে তো উপায় নেই। এখন ইরি-বোরো রোপনের মৌসুম চলছে। ক্ষেতে সেচ চলছে। জমির পাক শেষ হলেও রোপনের জন্য শ্রমিক মিলেছ না প্রচন্ড শীেেতার জন্য। একই গ্রামের দিনমুজুর বাবুল হোসেন বলেন, আমি ক্ষেতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করি। এখন ইরি-বোরো রোপনের মৌসুম চললেও ঠান্ডা পানিতে নেমে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। শীতের ভিতরে অনেক কষ্ট হচ্ছে।

নাভারন এলাকার রিকশা ভ্যানচালক আবুল হাসান বলেন, শীতে ঘরে থেকে মানুষ বের হচ্ছে খুবই কম। এজন্য যাত্রী পাচ্ছি না। আয় রোজগারও কমেছে। খুবই কষ্টে দিন পার করছি। গায়ে কাঁপন ধরানো ঠান্ডায় মানুষের পাশাপাশি প্রাণিকূলেরও জবুথবু অবস্থা।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ