আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৯বিজিবি’র দায়িত্বাধীন খড়কপুর ও সুরানপুর বিওপি’র উদ্বোধন।

বদিউজ্জামান রাজাবাবু  চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী শিবগঞ্জ এবং ভোলাহাট উপজেলার সীমান্তের জনসাধারণ এবং আন্তর্জাতিক সীমারেখার নিরাপত্তা প্রদানের জন্য মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) নিরলসভাবে কাজ করে আসছে। কিন্তু উক্ত ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ ভোলাহাট উপজেলাধীন সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত ভোলাহাট বিওপি ও জেকে পোলাডাংগা বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকা বড় এবং সীমান্ত হতে দূরে অবস্থিত হওয়ায় উক্ত বিওপিদ্বয়ের পক্ষে চোরাচালান দমনের জন্য টহল

পরিচালনা করা খুবই কষ্টসাধ্য ছিল। উক্ত প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ভারসাস্য রক্ষার্থে সদর দপ্তর বিজিবি’র নির্দেশনা অনুযায়ী সুরানপুর এবং খড়কপুর নামক স্থানদ্বয়ে নতুন ২টি বিওপি নির্মাণ করা হয়। উক্ত বিওপি ২টি’র নির্মাণ কাজ গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে শুরু হয় এবং অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করার জন্য মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) বর্ডার গার্ড

বাংলাদেশ, উত্তর-পশ্চিম রিজিয়ন সদর দপ্তর, রংপুর, রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদুর রহমান, এসজিপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে ১ম পর্বে খড়কপুর বিওপি এবং ২য় পর্বে সুরানপুর বিওপি’র শুভ উদ্বোধন করেন। এছাড়াও-জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বিশেষ মোনাজাত, বৃক্ষরোপন, এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিজিবি সদস্য ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজিবি সেক্টর কমান্ডার, রাজশাহী, অধিনায়ক, মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এবং স্টাফ অফিসারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সৈনিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি বিওপি ২টি’র উদ্বোধন কার্যশেষে মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং বিজিবি’র কার্যক্রম পরিচালনায় স্থানীয় জনসাধারণসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। পরিশেষে বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক এই মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে বিজিবি সদস্যরা সর্বদা সীমান্তে অর্পিত দায়িত্ব ন্যায় ও নিষ্ঠার সাথে পালন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভোট চুরি করতে আসলে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে হবে সারজিস আলম।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এবার যে ভোট চুরি করতে আসবে, তাকে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন বলে মন্তব্য করেছেন পঞ্চগড়-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের এনসিপি দলের প্রার্থী সারজিস আলম। পঞ্চগড় উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী শেষ জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন-রক্ত দিয়ে দিবেন, জীবন দিয়ে দিবেন, একটা ভোট চুরি করতে দিবেন না। যে ভোট চুরি করার আশায় আসবে তার একমাত্র ঠিকানা হবে হাসপাতাল। তাকে বাড়ি থেকে শেষ বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন। আমরা স্পষ্ট করে নির্বাচন কমিশনসহ সবাইকে বলতে চাই, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা বিন্দুমাত্র কোনো ধরনের নীল নকশা কেউ যদি বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করে, সর্বশেষ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পরিণতি যেন তারা মনে রাখে। তার গলায় জুতার মালা ছিল, আপনার গলায় কোন মালা থাকবে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। ১২ তারিখের লড়াই আমাদের মুক্তির লড়াই। ১২ তারিখের লড়াই ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লড়াই। আমরা জীবন দিয়ে, রক্ত দিয়ে এ লড়াইয়ে বিজয়ী হবো।

পাবনা-০৩ আসনে জামায়াতের এমপি পদপ্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে সামনে রেখে পাবনা-০৩ (চাটমোহর,ভাঙ্গুড়া,ফরিদপুর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী মাওলানা আলী আছগার তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মাওলানা মহি উদ্দিন সাহেব আমীরে জামায়াতে ইসলামী ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখা।

“চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ” শিরোনামে ঘোষিত এ ইশতেহারে-শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ, কর্মসংস্থান, নারী ও শিশু কল্যাণ, সামাজিক নিরাপত্তা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দুর্নীতিমুক্ত সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ইশতেহারে বলা হয়, নির্বাচিত হলে চাটমোহর,ভাঙ্গুড়া,ফরিদপুর এই তিন উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। শিক্ষা খাতে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষার মানোন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো আধুনিকায়ন, চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হয়।
কৃষি খাতে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত, আধুনিক কৃষি প্রশিক্ষণ, সার-বীজ সহজলভ্য করা এবং সরকারি উদ্যোগে কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। পাশাপাশি নদীভাঙন রোধ, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিবেশ সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
ইশতেহারে আরও উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় পর্যায়ে শিল্প স্থাপন ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।

এমপি পদপ্রার্থী মাওলানা আলী আছগার বলেন, ৭০,পাবনা-০৩ এলাকায় “আমি নির্বাচিত হলে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে তিন এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কাজ করব ইনশাল্লাহ।একটি ন্যায়ভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতেই আমার এই অঙ্গীকার।”তিনি উন্নয়ন ও সুশাসন বাস্তবায়নে এলাকাবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ