আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও দস্তগীর চৌধুরীর অবদান স্মরণীয়:চসিক মেয়র.

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

:
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন,আওয়ামী লীগের দুঃশাসনেও বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম দস্তগীর চৌধুরী সাহসিকতার সঙ্গে রাজনীতি করেছেন । শুক্রবার চট্টগ্রাম মহানগরের কদমতলী মোড়ে নির্মিতব্য ‘দস্তগীর চৌধুরী চত্বর’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
মেয়র আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধা দস্তগীর চৌধুরী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। এক-এগারোর সময় তিনি চট্টগ্রামে প্রথম গ্রেপ্তার হওয়া রাজনীতিক ছিলেন। তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ডেপুটি মেয়র হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও তাঁর অবদান স্মরণীয়। তিনি চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

শহরের পরিচ্ছন্নতা, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, প্লাস্টিক, পলিথিন, ডাবের খোসা যেখানে-সেখানে না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলতে হবে, যাতে জলাবদ্ধতা কমে এবং ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি কমে। করোনা সংক্রমণও বাড়ছে, সবাইকে মাস্ক পরতে হবে ও সতর্ক থাকতে হবে।চট্টগ্রামের বাকলিয়া আইল্যান্ড এলাকায় ‘ওয়ান সিটি, টু টাউন’ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা চট্টগ্রামকে একটি ক্লিন, গ্রীন ও হেলদি সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এটি শুধু চট্টগ্রামের নয়, পুরো দেশের জন্যও একটি উদাহরণ হবে।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য হাজী মো. সালাউদ্দিন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর, যুগ্ম আহ্বায়ক এসএম সাইফুল আলম, জেলা রেড ক্রিসেন্ট ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম ইউসুফ, সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন জিয়া, মরহুম দস্তগীর চৌধুরীর পরিবারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করলো পাকিস্তান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে আসর বয়কটের হুশিয়ারী দেয়ার একদিন পার হতে না হতেই সবাইকে অবাক করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আসরের জন্য দল ঘোষণা করলো পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিব)। বিসিবিকে সমর্থন জানিয়ে আসর বর্জন করলে পিসিবিকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। আইসিসির এমন হুশিয়ারীর পরপরই বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করলো পাকিস্তান।

আধুনিক ক্রিকেটের রূপকার আরাফাত রহমান কোকো : চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন একজন সফল ক্রীড়া সংগঠক এবং বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে তার ভূমিকা ছিল অপরিসীম এমনটি মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, দেশে আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম নির্মাণে কোকো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন এবং রাজনীতির বাইরে থেকে খেলাকে কেবল খেলা হিসেবে দেখেই তিনি কাজ করে গেছেন।

শুক্রবার রাতে সন্ধ্যায় নগরীর লালদীঘি চসিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে মহানগর কোকো স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত মিলাদ মাহফিল ও কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন এসব কথা বলেন।মেয়র আরও বলেন, আজকের ক্রিকেটের যে ভিত্তি এবং সাফল্য আমরা দেখতে পাই, তার পথপ্রদর্শক ছিলেন আরাফাত রহমান কোকো।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা চট্টগ্রাম-৯ আসনের বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ান বলেন, কোকো ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী, নিরহংকারী এবং প্রচারবিমুখ একজন মানুষ। তিনি একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হওয়া সত্ত্বেও তার মৃত্যুতে মানুষের যে ঢল নেমেছিল, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল।

চট্টগ্রাম মহানগর কোকো স্মৃতি সংসদের সভাপতি হাসান রুবেলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এন মোহাম্মদ রিমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সদস্য আনোয়ার হোসেন লিপু, ইসমাইল বালি এবং সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মান্নান, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জিয়াউর রহমান জিয়া। এছাড়া মহানগর বিএনপি, অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং কোকো স্মৃতি সংসদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে শহীদ জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া এবং তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। দোয়া শেষে স্থানীয় দুঃস্থ, অসহায় ও এতিমদের মাঝে খাবার এবং কম্বল বিতরণ করা হয়।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ