আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

কারবালা প্রসঙ্গে রাসূল (সা.)-এর ভবিষ্যদ্বাণী:-

কারবালা কোন ইতিহাস নয়, এটা এক ন্যায়ের প্রতীক”। যা শিক্ষা দেয়- —-

-এস এম এম সেলিম উল্লাহ

সত্য কখনো মাথা নত নাহি করে , গর্দানও যেতে পারে সত্যের তরে ।"

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কারবালার শিক্ষা ও আহলে বাইতের মর্যাদা:-
হযরত ইমাম হোসাইন (রা.) ইসলাম ও সত্যের জন্য আত্মত্যাগ করেছেন। তিনি ইয়াজিদের অন্যায় বায়াত গ্রহণ না করে শহীদ হন। ইসলামের স্বরূপ ও মর্যাদা রক্ষায় ইমাম (রা.)’র ভূমিকা অনন্য।
কুরআন ও হাদিসে নবী (দ.) পরিবারের (আহলে বাইত) মর্যাদা বিশেষভাবে উল্লেখিত হয়েছে। পবিত্র আহলে বাইতকে ভালোবাসা ঈমানের অংশ।
রাসূল (দ.) বলেন, হাসান ও হোসাইন (রা.) জান্নাতী যুবকদের নেতা। তাঁদের ভালোবাসা মানে ইসলামের ত্যাগ ও সত্যের আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করা।
✦ আহলে বাইতের প্রেম ও কারবালার অনুপ্রেরণা:-
কারবালার আত্মত্যাগ শুধু ইতিহাস নয়, বরং ন্যায়ের প্রতীক। এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আত্মবিসর্জনের প্রতীক।
রাসূল (দ.) এর বহু হাদিসে আহলে বাইতের প্রতি ভালোবাসা, তাদের মর্যাদা ও শাফায়াতের কথা বলা হয়েছে।রাসূল (সা.) বলেন:“হুসাইন আমার থেকে, আমি হুসাইন থেকে। যে হুসাইনকে ভালোবাসবে, আল্লাহ তাকে ভালোবাসবেন।” (তিরমিজি)।
★কারবালা প্রসঙ্গে রাসূল (সা.)-এর ভবিষ্যদ্বাণী:-
রাসূলুল্লাহ (সা.) ইমাম হুসাইন (রাঃ)-এর শাহাদতের পূর্বাভাস দেন। হযরত উম্মে সালামা (রাঃ)-কে রাসূল (সা.) জানালেন—জিবরাঈল (আঃ) এসে বললেন, তাঁর নাতি হুসাইন (রাঃ) কারবালার ময়দানে শহীদ হবেন এবং সেই জমিনের মাটিও রাসূল (সা.)-এর কাছে পৌঁছে দেন। (মুসনাদ আহমদ)।
♦ কারবালার ইতিহাস (সংক্ষেপে):-সময়: ১০ মহররম, ৬১ হিজরি (১০ অক্টোবর, ৬৮০ খ্রিঃ)।ইমাম হুসাইন (রাঃ) কুফাবাসীদের ডাকে সাড়া দিয়ে পরিবারসহ কারবালায় পৌঁছান। সেখানে তাঁকে ফাঁদে ফেলে পানিবঞ্চিত করা হয়।১০ মহররম রোযা অবস্থায় ইমাম (রাঃ) ও তাঁর সাথিরা নির্মমভাবে শহীদ হন।ইয়াজিদের বাহিনী তাঁর মুবারক মাথা কেটে দামেশকের রাজপ্রাসাদে পাঠায়।
✦ হাররার করুণ ইতিহাস:-
ইমাম হোসাইন (রা.)-এর শাহাদাতের পর ইয়াজিদের সেনারা মদিনায় নারকীয় হত্যাকাণ্ড চালায়, যাকে হাররার ঘটনা বলা হয়। অসংখ্য সাহাবা ও তাবেঈ শহীদ হন। মুসলিম ইবনে ওকবা’র বাহিনী মদিনায় তিনদিন ধরে লুট, হত্যা ও নির্যাতন চালায়। সিরাত লেখকগণ বর্ণনা করেন বিশেষ করে কুরতুবী বলেন মদীনাবাসীদের মদিনা থেকে বাইরে চলে যাওয়ার কারণ এই হারার মর্মান্তিক ঘটনা যে সময় মদিনা শরীফ অবশিষ্ট সাহাবা এবং তাবেঈদের দ্বারা পরিপূর্ণ এবং লোক বসতিতে ভরপুর এবং তার চিত্তাকর্ষক সাদৃশ্য বিদ্যমান মদীনাবাসীদের ওপর একের পর এক বিপর্যয় এবং অঘটন নেমে আসে ফলে তারা মদিনা ছেড়ে বাইরে চলে যায় । দুষ্ট ইয়াজিদ মুসলিম ইবনে ওকবা র নেতৃত্বে এক বিশাল সৈন্যবাহিনী যুদ্ধ করার জন্য মদিনায় প্রেরণ করে। ওই সৈন্যবাহিনী কমবক্ত লোকেরা এই হারার নামক স্থানে নিতান্ত নির্মমতা এবং অবমাননার সাথে এই মহাত্মা গণের শহীদ করেন। তারা তিন দিন পর্যন্ত মসজিদে নববীর সম্মান হানির কাজে লিপ্ত ছিল। এই মর্মান্তিক ঘটনার প্রাক্কালে এজিদের কুচক্রী দল শিশু এবং মেয়ে লোক ব্যতীত ১২৪৯৭ জন লোককে হত্যা করে। যার মধ্যে ছিল ১৭০০ মুহাজির, আনসার, তাবেঈ,ওলামা ১০ হাজার সাধারণ লোক ৭০০ হাফেজে কুরআন ৯৭ জন কুরাইশ। ওই ঘটনায় এজিদের সৈন্যবাহিনী নানা প্রকার অত্যাচার অনাচার ও ধৃষ্টতাপূর্ণ অপকর্মে লিপ্ত হয় যেনার মত ভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। বর্ণিত আছে এই ঘটনার পর ১০০০ মেয়েলোক অবৈধ সন্তান প্রসব করে। যেসব সাহাবায়ে কেরামকে মদিনায় জোরপূর্বক অমানুষিকভাবে হত্যা করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন ফেরেস্তা স কর্তৃক গোসল প্রাপ্ত হযরত হানজালার পুত্র হযরত আব্দুল্লাহ, তিনি সাত পুত্র সহ শহীদ হন।এই ঘটনায় প্রসিদ্ধ সাহাবী হযরত আবু সাঈদ খুদরী সর্বশেষ লাঞ্ছিত হন এজিদ বাহিনীর হাতে। বর্ণিত আছে এই গুন্ডাবাহিনী তার দাড়ি মোবারক গোড়া থেকে উচ্ছেদ করে ফেলে। লোকেরা তার দাড়ির এই অবস্থা দেখে জিজ্ঞেস করতেন আপনি কি দাড়ি নিয়ে খেলছেন এবং দাড়ি উচ্ছেদ করে ফেলেছেন? তিনি উত্তর দিতেন না। বরং ওই শাওন দেশীয় লোক গুলো আমার উপর অত্যাচার করেছে তাদের একদল লোক আমার ঘরে প্রবেশ করে ঘরের সমস্ত আসবাবপত্র নিয়ে যায় তারপর আরেকদল প্রবেশ করে কোন আসবাবপত্র না পেয়ে তারা আমার দাড়ি নিয়ে টানা হেচরা করে যার পরিণতি তোমরা এখন দেখছো। এই দুষ্টু লোকেরা এভাবে আরো কত যে অবর্ণনীয় নিপীড়ন ও নির্যাতন চালিয়েছে তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।

✦ ইসলামের নীতিবোধ ও ইয়াজিদি বর্বরতা:-
ইসলামে অন্যায়, অবিচার, হিংসা, চুরি, নারী নির্যাতন, মদ্যপান ইত্যাদি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ । অথচ ইয়াজিদের বাহিনী এসবের সকল সীমা অতিক্রম করেছিল।
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য আজ কিছু লোক কারবালা এবং ওই ঘটনা নিয়ে মহরম মাস আসলে “শাক দিয়ে মাছ ঢাকার মতো”এজিদের সাফাই গেয়ে নিজেদেরকে এজিদের উত্তরসূরী হিসেবে প্রমাণ করতে ব্যস্ত। যা চরম ভাবে ইসলাম ও মানবতার পরিপন্থী। অপরদিকে কেহ আহলে বাইতের প্রেম-ভালবাসা দেখালে তাদেরকে শিয়া নামে অপপ্রচারে ব্যাকুল হয়ে ওঠে। আমার বর্ণিত সত্য ঘটনা গুলোতে কারো সন্দেহ হলে সে যেন যুগের শেষ মুহাদ্দিস হযরত আব্দুল হক মুহাদ্দিস দেহলভী লিখিত “জজবুল কুলুব ইলা দিয়ারেল মাহবুব”কিতাবখানা পড়ে দেখেন।

♥ হযরত ইমাম হুসাইনের (রাঃ) বিখ্যাত ভাষণ:-“অপমান আমাদের ধাতে নেই। আমি তরবারি বেছে নিয়েছি। আমি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করবো না।”
★ কারবালার শহীদগণ:-হাশেমি পরিবার:-
আলী আকবর (রাঃ), আলী আসগর (রাঃ), হযরত আব্বাস (রাঃ), কাসিম (রাঃ), আউন (রাঃ), মুহাম্মদ (রাঃ)।সাহাবা ও তাঁদের বংশধর:-মুসলিম ইবনে আওসাজা, হানী ইবনে উরওয়া, যুহায়ের ইবনে কায়ন, জোন, নাফে ইবনে হিলাল, হুর ইবনে ইয়াজিদ (তওবা করে শহীদ), সহ মোট ৭২ জন শহীদ হন ‌।
✦ আধুনিক মুসলিমদের শিক্ষা:-
আজকের মুসলিম সমাজের অধঃপতনের কারণ হলো আদর্শ থেকে বিচ্যুতি, সত্যকে গোপন করা এবং ন্যায়বিচার ভুলে যাওয়া।কারবালার শিক্ষা হলো সত্যের পক্ষে অটল থাকা ও মিথ্যার সঙ্গে আপোষ না করা। আত্মত্যাগ, ধৈর্য, তাকওয়া ও ন্যায়পরায়ণতার শিক্ষা।আহলে বাইত ও ইমাম হুসাইনের (রাঃ) ভালোবাসা রাখা—ঈমানের অপরিহার্য অংশ।
✦ উপসংহার:-
কারবালা শুধু ইতিহাস নয়; এটি ন্যায়, আত্মত্যাগ ও সত্যের প্রতীক। রাসূল (সা.) এর হাদিসসমূহ আমাদের জানান যে, আহলে বাইতকে ভালোবাসা ও সম্মান জানানো ইসলামের মৌলিক শিক্ষা।কারবালার ত্যাগ আমাদের জীবনে সত্য, ন্যায় ও আল্লাহর পথে অবিচল থাকার শিক্ষা দেয়। কারবালা মানেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো, সত্যের পথে অবিচল থাকা এবং প্রকৃত ইসলামি জীবন গড়া। আশুরার আত্মত্যাগের শিক্ষা গ্রহণ করে ইসলামি জীবনধারা গড়ার তরে বিশ্ব মুসলিম উম্মার প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।
আল্লাহ্‌ আমাদের সকলকে সেই ত্যাগ ও প্রেমের আদর্শ অনুসরণ করার তৌফিক দিন—আমিন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র–এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, পাঠাগার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আব্দুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও আরিচ আহমেদ শাহসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিজয়ী মোট ৩০ জন সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করেছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদস্যগণ পেশাগত জীবনে র‍্যাফেল ড্র’তে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

সিভাসু’তে ‘দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে শীর্ষক ১০ দিনের প্রশিক্ষণ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ‘দ্গ্ধুজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক দশ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। সিভাসু’র পোল্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) এবং ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পিআরটিসি’র বোর্ড মিটিং কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও নিবন্ধক মো. ইসমাইল হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, ঢাকার যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সুব্রত কুমার সিকদার। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ এবং বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সিভাসু’র সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন পিআরটিসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

দশ দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দুধ থেকে দই, মিষ্টি, মাখন, ঘি, পনির, ছানা, লাবাং, বোরহানি, মাঠা ইত্যাদি তৈরির বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সিভাসু’র ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রফেসর ড. মো: সাইফুল বারী ও ডা. উম্মে সালমা আমিন,

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ, সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ওমর ফারুক, বিএসটিআই চট্টগ্রামের ফিল্ড অফিসার (সার্টিফিকেশন মার্কস উইং) প্রকৌ. মো: মাহফুজুর রহমান এবং ট্রেড গ্লোবাল লিমিটেড, ঢাকার সিনিয়র সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মো: শরিফ হোসেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, কুতুবদিয়া ও চকরিয়া অঞ্চলের দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ প্রকল্পের ২৫ জন সমবায় সমিতির সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ