আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

জন্ম থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের নতুন প্রকল্পের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচী সম্পন্ন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শিশুর অন্ধত্ব প্রতিরোধে চোখের দৃশ্যমান ক্রটি নির্ণয়ে পাহাড়তলীস্থ চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সাথে জার্মান এনজিও সংস্থা ‘কাকস্’ ও রোটারী ক্লাব অব চিটাগাং খুলশী সেন্ট্রালের নতুন প্রকল্পের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচী সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় হাসপাতালের ইমরান সেমিনার হলে উক্ত কর্মসূচীতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, হাসপাতালের একাডেমিক কর্ডিনেটর অধ্যাপক ডা. মো. মনিরুজ্জামান ওসমানী। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের কনসালটেন্ট ডা. সোমা রানী রায়।

দৃশ্যমান চোখের ক্রটি নির্ণয়ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন চীফ কনসালটেন্ট ডা. নাসিমুল গনি চৌধুরী ও শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. অনন্যা সিন্হা। এতে প্রশিক্ষণ নেন প্রকল্প সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের ১৬ জন জুনিয়র চক্ষু বিশেষজ্ঞ। বক্তব্য রাখেন, রোটারী ক্লাব অব চিটাগাং খুলশী সেন্ট্রলেরপ্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান এরশাদুল মোস্তফা, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, রোটারী ক্লাব অব চিটাগাং ইমপেরিয়ালের ফাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান নজরুল ইসলাম নান্টু, চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের ডা. সুজিত কুমার বিশ্বাস, ডা. তাহমিনা, ডা. জেসমিন আক্তার, ডা. ইফতেখার শামীম প্রমূখ।উপস্থিত ছিলেন, ফিন্ড সুপার ভাইজার বোরহান উদ্দিন, জুনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা এসকান্দার হোসেন ওয়াসিম প্রমূখ।

প্রসঙ্গত, জন্ম থেকে ১৫ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুদের (ইপিআই টিকা প্রাপ্তকারী) টিকাদানকারীর মাধ্যমে চোখ পরীক্ষা করে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে জার্মান এনজিও কাকস্ এর অর্থায়নে ”টিকাদানকারীর মাধ্যমে শিশুর চক্ষু পরীক্ষা সুস্থ জীবন ও সুস্থ দৃষ্টির প্রতিশ্রুতি” নামে প্রকল্পটি কাজ শুরু হয়েছে। ৮৪ লক্ষ টাকার দুই বছর মেয়াদী প্রকল্পটি মাঠ পর্যায়ে পরিচালনা করছে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল এবং সমন্বয়ক হিসেবে তদারকি করছেন রোটারী ক্লাব অব চিটাগাং খুলশী সেন্ট্রাল। প্রকল্পের আওতায় জন্ম থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের চোখের অস্বাভাবিক লক্ষণগুলো সনাক্ত, ছানি, ক্যান্সার, টেরা চোখ, গ্লুকোমা ইত্যাদি নির্ণয় করে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হবে। চট্টগ্রাম ফেনী রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার, বান্দরবান এই ৬টি জেলায় প্রল্পটির কার্যক্রম চলবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ