চট্টগ্রামের পেয়ারা কদর সারা বাংলাদেশ।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ ও পটিয়া উপজেলার সুস্বাদু পেয়ারা উৎপাদনের জন্য সারা দেশে বিখ্যাত। এখানকার উৎপাদিত কাঞ্চন পেয়ারা স্বাদ, গুণগতমান ও আকারের জন্য সুখ্যাতি কুড়িয়েছে বহুকাল থেকে। ফলে এই পেয়ারা এখন একটি বিশেষ কৃষিপণ্য হিসেবে সারা দেশে পরিচিতি লাভ করেছে। চন্দনাইশ উপজেলার হাসিমপুর, সৈয়দাবাদ, ও কাঞ্চননগর পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও, রতনপুর এলাকায় এ জাতের পেয়ারা উৎপাদন শুরু এবং বেশি উৎপাদন হয় বলে নামকরণ করা হয়েছে কাঞ্চন পেয়ারা।


  1. চন্দনাইশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কয়েক দশক ধরে বাণিজ্যিকভাবে পেয়ারা চাষ করে আসছেন দুই সহস্রাধিক কৃষক। এ অঞ্চলের মাটি ও জলবায়ু পেয়ারা উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এখানকার পেয়ারাগুলো আকারে বড়, সুস্বাদু, রসালো ও সহজে নষ্ট হয় না। জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পেয়ারার ব্যাপক ফলন হয়।
  2. তবে পেয়ারা চাষিদের অভিযোগ, সরাসরি বাগান থেকে হাটে পেয়ারা পরিবহনের ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত সমস্যা, হিমাগারের অভাব ও পেয়ারার ন্যায্যদাম না পাওয়াসহ বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হয় তাদের। এ ছাড়া বাজার ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতার ঘাটতি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ অনেক সময় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে উপজেলা কৃষি অফিস বলছে, চাষিদের আধুনিক পদ্ধতিতে পেয়ারা চাষে উদ্বুদ্ধ করতে প্রশিক্ষণ, রোগবালাই দমনে সহায়তা, প্রণোদনা প্রদান, উপকরণ বিতরণ ও বাগান পর্যবেক্ষণের
  3. মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধির চেষ্টা চলমান।

চন্দনাইশ উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ৭৫০ হেক্টর জমিতে পেয়ারা চাষ হয়েছে। তার মধ্যে ৭৩০ হেক্টর জমিতে কাঞ্চন পেয়ারা ও বাকি ২০ হেক্টর জমিতে অন্যান্য জাতের পেয়ারা চাষ করেছেন চাষিরা। প্রতি হেক্টর জমিতে ১৫ মেট্রিক টন পেয়ারা উৎপন্ন হয়। পেয়ারার মৌসুমে এখানকার উৎপাদিত পেয়ারার ছোট বড় হাট গুলো বসে উপজেলার রৌশনহাট বাজার, খাঁনহাট বাজার, বাগিছাহাট বাজার, কাঞ্চননগর বাদামতল বাজার, জামিজুরি, হাশিমপুর, বাদামতল দোহাজারী, পটিয়া থানা হাট,কমলমুন্সির হাটসহ বিভিন্ন এলাকায় ছোট-বড় পেয়ারার হাট বসে।

সেখানে সকাল থেকে চাষিরা পেয়ারা নিয়ে ভিড় জমান। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে পেয়ারা কেনাবেচা। এ হাটগুলো চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী হওয়ায় চট্টগ্রাম নগরী, কক্সবাজার, বান্দরবান, সহ সারা দেশের পর্যটকদের আসা যোগাযোগ পথ সহজ হওয়ার পাইকারি ব্যবসায়ীরা সহজেই পেয়ারা তাদের নিজ নিজ গন্তব্যে পরিবহন করতে পারেন।

পেয়ারা চাষীরা বলেন সাধারণত জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কাঞ্চন পেয়ারার মৌসুম হিসেবে পরিচিত। চলতি মৌসুমের শুরু থেকে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও কোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হওয়ার ফলে এ বছর উৎপাদন ভালো হয়েছে। কিন্তু হিমাগারের অভাবে পেয়ারা বেশি দিন সংরক্ষণ করা যাচ্ছে না। এ উপজেলার হাশিমপুর ও কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়নে পেয়ারা বাগানের প্রধান কেন্দ্রস্থল। বর্তমানে বাগানজুড়ে কয়েক হাজার শ্রমিক কাজ করছেন। সরকার যদি আরও আধুনিক কৃষি সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও মধ্যস্বত্বভোগী ব্যতীত সরাসরি পেয়ারা বাজারজাতকরণে সহায়তা করলে একদিকে যেমন চাষিরা উপকৃত হবে অন্যদিকে এ অঞ্চলের পেয়ারা আন্তর্জাতিক বাজারেও পরিচিতি লাভ করবে। কাঞ্চন পেয়ারা আকারে বড়, সুস্বাদু ও সহজে নষ্ট হয় না। অন্যান্য জাতের পেয়ারার চেয়ে কাঞ্চন পেয়ারার চাহিদা বেশি। আমরা প্রতি মৌসুমে এখান থেকে পেয়ারা সংগ্রহ করে বিভিন্ন জেলার ফলের আড়তে পাঠাই। মাসখানেক আগে থেকে কাঞ্চন পেয়ারা বাজার আসতে শুরু করেছে তাই এখন দাম একটু বেশি। তবে কিছুদিন পার হলে দাম কিছুটা কমে আসবে।

চন্দনাইশের বিভিন্ন সমতল ও পাহাড়ি অঞ্চলে দেড় সহস্রাধিক বাগানে পেয়ারা চাষ হয়। এখানকার উৎপাদিত কাঞ্চন পেয়ারার সুখ্যাতি দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এ অঞ্চলের মানুষের জীবিকা ও অর্থনীতির জন্য কাঞ্চন পেয়ারা আশীর্বাদস্বরূপ। সঠিক পরিকল্পনা, আধুনিক কৃষিব্যবস্থাপনা ও সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয়ে পেয়ারা বাংলাদেশের একটি অন্যতম কৃষিপণ্যে পরিণত হতে পারে।

চন্দনাইশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আজাদ হোসেন বলেন, ‘চলতি মৌসুমে উপজেলাজুড়ে কাঞ্চন পেয়ারার ফলন ভালো হয়েছে। পেয়ারা বাগানে রোগবালাই দমন ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে চাষিদের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আগামী ৫ অক্টোবর দিনব্যাপী বন্দর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দিলে দেশের কী লাভ হবে, তা সরকারকে জনগণের কাছে স্পষ্ট করতে হবে। একইভাবে এনসিটি ইজারা দেওয়া হলে দেশের কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে, সে বিষয়েও সরকারের সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ে সংলাপের প্রয়োজন রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটি আহূত আগামী ৫ অক্টোবর দিনব্যাপী বন্দর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে জাতীয় ফেডারেশন ও বেসিক ইউনিয়নগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। তাঁরা এ বিষয়ে প্রয়োজনে সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় সংলাপ আয়োজনের আহ্বান জানান।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সুলতান আহমদ হলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রামের আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার।সঞ্চালনা করেন কমিটির সদস্যসচিব ফজলুল কবির মিন্টু।সভা থেকে আগামী ৫ অক্টোবর বন্দর ভবনের সামনে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচিতে সর্বস্তরের শ্রমিক, জাতীয় ফেডারেশন, বেসিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র। বন্দরের সঙ্গে জাতীয় অর্থনীতি ও বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের স্বার্থ জড়িত। তাই বন্দরের ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনায় জাতীয় স্বার্থের পাশাপাশি শ্রমিকদের অধিকার ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বক্তারা ৫ অক্টোবরের অবস্থান কর্মসূচি সফল করতে বিভিন্ন জাতীয় ফেডারেশন, বেসিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান। তবে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি ও আন্দোলনকে সরকার দুর্বলতা হিসেবে বিবেচনা করলে তা ভুল হবে। সে ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে দাবি আদায়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে। প্রয়োজনে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে অবরোধ ও হরতালের মতো কর্মসূচিও ঘোষণার কথা জানান তারা।
সভায় আলোচনায় অংশ নেন টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি তপন দত্ত, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও বন্দর সিবিএর সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এসকে খোদা তোতন, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শ ম জামাল উদ্দিন, টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামাল খান, জাতীয়তাবাদী ডক শ্রমিক দলের সভাপতি মো. হারুন ও

সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল বাতেন, সহ-সম্পাদক ইব্রাহীম ফরাজি, বিএফটিইউসির সভাপতি আনোয়ারুল হক হুনি, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ মিয়া, বন্দর উইঞ্চ ক্রেন অপারেটর সমিতির নেতা ইমাম হোসেন স্বপন, বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুর রহিম, কমিউনিটি সেন্টার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. পারভেজ, চট্টগ্রাম যুব ট্রেড ইউনিয়ন নেটওয়ার্কের সদস্যসচিব হাসিবুর রহমান বিপ্লব, লুৎফুন্নাহার সোনিয়া, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের নেতা হেলাল উদ্দিন কবির, ইমান আলী জানুসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আগামী মাসে যুক্ত হচ্ছে আরও ১টি আন্তঃনগর ট্রেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম: ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেনে যাতায়াতের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এ কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই রুটে আগামী মাসে আরও একটি আন্তঃনগর ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচল করা মহানগর এক্সপ্রেসকে কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মাসের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে নতুন রুটে ট্রেনটি চলাচল শুরু করতে পারে। বর্তমানে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে দুই জোড়া এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে দুই জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করছে।

এদিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের ট্রেনগুলোর মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। বর্তমানে দুই জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করলেও একটি মাত্র রেক দিয়ে চারটি ট্রেন পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলে প্রায়ই সময়সূচিতে বিঘ্ন ঘটছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের।
রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক সুজিত বিশ্বাস বলেন, কক্সবাজার রুটে বিপুল যাত্রীর চাহিদা রয়েছে। এ কারণে মহানগর এক্সপ্রেসকে কক্সবাজার পর্যন্ত চালানোর প্রস্তুতি চলছে। এতে যাত্রীরা আরও স্বস্তি ও নিরাপদে পর্যটন শহরে যাতায়াত করতে পারবেন। একই সঙ্গে রেলওয়ের আয়ও বাড়বে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকার কমলাপুর থেকে রাত সাড়ে ৮টায় ছেড়ে সকাল ৬টার দিকে কক্সবাজার পৌঁছাতে পারে। ফিরতি ট্রেনটি সকাল ৯টায় কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। একদিকে যেতে সময় লাগতে পারে প্রায় সাড়ে ৯ ঘণ্টা। বর্তমানে মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকার কমলাপুর থেকে রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। পথে বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট, ফেনী ও কুমিরাসহ বিভিন্ন স্টেশনে যাত্রাবিরতি রয়েছে। কক্সবাজার পর্যন্ত রুট বাড়ানো হলে এসব এলাকার যাত্রীরাও সরাসরি পর্যটন নগরীতে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।তবে রুট সম্প্রসারণের আগে কক্সবাজারে ট্রেনটির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নতুন রুটে চলাচলের সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতাগুলো পর্যালোচনা করছে রেলওয়ে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ