আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামের পেয়ারা কদর সারা বাংলাদেশ।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ ও পটিয়া উপজেলার সুস্বাদু পেয়ারা উৎপাদনের জন্য সারা দেশে বিখ্যাত। এখানকার উৎপাদিত কাঞ্চন পেয়ারা স্বাদ, গুণগতমান ও আকারের জন্য সুখ্যাতি কুড়িয়েছে বহুকাল থেকে। ফলে এই পেয়ারা এখন একটি বিশেষ কৃষিপণ্য হিসেবে সারা দেশে পরিচিতি লাভ করেছে। চন্দনাইশ উপজেলার হাসিমপুর, সৈয়দাবাদ, ও কাঞ্চননগর পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও, রতনপুর এলাকায় এ জাতের পেয়ারা উৎপাদন শুরু এবং বেশি উৎপাদন হয় বলে নামকরণ করা হয়েছে কাঞ্চন পেয়ারা।


  1. চন্দনাইশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কয়েক দশক ধরে বাণিজ্যিকভাবে পেয়ারা চাষ করে আসছেন দুই সহস্রাধিক কৃষক। এ অঞ্চলের মাটি ও জলবায়ু পেয়ারা উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এখানকার পেয়ারাগুলো আকারে বড়, সুস্বাদু, রসালো ও সহজে নষ্ট হয় না। জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পেয়ারার ব্যাপক ফলন হয়।
  2. তবে পেয়ারা চাষিদের অভিযোগ, সরাসরি বাগান থেকে হাটে পেয়ারা পরিবহনের ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত সমস্যা, হিমাগারের অভাব ও পেয়ারার ন্যায্যদাম না পাওয়াসহ বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হয় তাদের। এ ছাড়া বাজার ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতার ঘাটতি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ অনেক সময় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে উপজেলা কৃষি অফিস বলছে, চাষিদের আধুনিক পদ্ধতিতে পেয়ারা চাষে উদ্বুদ্ধ করতে প্রশিক্ষণ, রোগবালাই দমনে সহায়তা, প্রণোদনা প্রদান, উপকরণ বিতরণ ও বাগান পর্যবেক্ষণের
  3. মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধির চেষ্টা চলমান।

চন্দনাইশ উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ৭৫০ হেক্টর জমিতে পেয়ারা চাষ হয়েছে। তার মধ্যে ৭৩০ হেক্টর জমিতে কাঞ্চন পেয়ারা ও বাকি ২০ হেক্টর জমিতে অন্যান্য জাতের পেয়ারা চাষ করেছেন চাষিরা। প্রতি হেক্টর জমিতে ১৫ মেট্রিক টন পেয়ারা উৎপন্ন হয়। পেয়ারার মৌসুমে এখানকার উৎপাদিত পেয়ারার ছোট বড় হাট গুলো বসে উপজেলার রৌশনহাট বাজার, খাঁনহাট বাজার, বাগিছাহাট বাজার, কাঞ্চননগর বাদামতল বাজার, জামিজুরি, হাশিমপুর, বাদামতল দোহাজারী, পটিয়া থানা হাট,কমলমুন্সির হাটসহ বিভিন্ন এলাকায় ছোট-বড় পেয়ারার হাট বসে।

সেখানে সকাল থেকে চাষিরা পেয়ারা নিয়ে ভিড় জমান। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে পেয়ারা কেনাবেচা। এ হাটগুলো চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী হওয়ায় চট্টগ্রাম নগরী, কক্সবাজার, বান্দরবান, সহ সারা দেশের পর্যটকদের আসা যোগাযোগ পথ সহজ হওয়ার পাইকারি ব্যবসায়ীরা সহজেই পেয়ারা তাদের নিজ নিজ গন্তব্যে পরিবহন করতে পারেন।

পেয়ারা চাষীরা বলেন সাধারণত জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কাঞ্চন পেয়ারার মৌসুম হিসেবে পরিচিত। চলতি মৌসুমের শুরু থেকে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও কোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হওয়ার ফলে এ বছর উৎপাদন ভালো হয়েছে। কিন্তু হিমাগারের অভাবে পেয়ারা বেশি দিন সংরক্ষণ করা যাচ্ছে না। এ উপজেলার হাশিমপুর ও কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়নে পেয়ারা বাগানের প্রধান কেন্দ্রস্থল। বর্তমানে বাগানজুড়ে কয়েক হাজার শ্রমিক কাজ করছেন। সরকার যদি আরও আধুনিক কৃষি সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও মধ্যস্বত্বভোগী ব্যতীত সরাসরি পেয়ারা বাজারজাতকরণে সহায়তা করলে একদিকে যেমন চাষিরা উপকৃত হবে অন্যদিকে এ অঞ্চলের পেয়ারা আন্তর্জাতিক বাজারেও পরিচিতি লাভ করবে। কাঞ্চন পেয়ারা আকারে বড়, সুস্বাদু ও সহজে নষ্ট হয় না। অন্যান্য জাতের পেয়ারার চেয়ে কাঞ্চন পেয়ারার চাহিদা বেশি। আমরা প্রতি মৌসুমে এখান থেকে পেয়ারা সংগ্রহ করে বিভিন্ন জেলার ফলের আড়তে পাঠাই। মাসখানেক আগে থেকে কাঞ্চন পেয়ারা বাজার আসতে শুরু করেছে তাই এখন দাম একটু বেশি। তবে কিছুদিন পার হলে দাম কিছুটা কমে আসবে।

চন্দনাইশের বিভিন্ন সমতল ও পাহাড়ি অঞ্চলে দেড় সহস্রাধিক বাগানে পেয়ারা চাষ হয়। এখানকার উৎপাদিত কাঞ্চন পেয়ারার সুখ্যাতি দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এ অঞ্চলের মানুষের জীবিকা ও অর্থনীতির জন্য কাঞ্চন পেয়ারা আশীর্বাদস্বরূপ। সঠিক পরিকল্পনা, আধুনিক কৃষিব্যবস্থাপনা ও সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয়ে পেয়ারা বাংলাদেশের একটি অন্যতম কৃষিপণ্যে পরিণত হতে পারে।

চন্দনাইশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আজাদ হোসেন বলেন, ‘চলতি মৌসুমে উপজেলাজুড়ে কাঞ্চন পেয়ারার ফলন ভালো হয়েছে। পেয়ারা বাগানে রোগবালাই দমন ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে চাষিদের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সাপ্তাহিক বাণিজ্যিক রাজধানী পত্রিকার ইফতার মাহফিল ও “বাণিজ্যিক রাজধানী—প্রহসন নয়, বাস্তবায়ন চাই” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য এবং “বাণিজ্যিক রাজধানী—প্রহসন নয়, বাস্তবায়ন চাই” শীর্ষক এক আলোচনা সভা শনিবার ১৪ মার্চ বিকেল ৪টায় নগরীর মোমিন রোডস্থ চট্টগ্রাম একাডেমির ফয়েজ নুর নাহার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পত্রিকার উপদেষ্টা ও টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আলহাজ্ব মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় নির্ধারিত প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: মঞ্জুরুল কিবরিয়া।

নগরীতে একাধিক ইফতার মাহফিল ও তীব্র যানজটের অনিবার্য কারণে নির্ধারিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত হতে না পারায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়ন পর্ষদ এর কার্যকরী সভাপতি আলহাজ্ব শাহসূফি শাহজাদা সৈয়দ সিরাজুদ্দৌলা। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়ন পর্ষদ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী গোলাপ রহমান। প্রধান বক্তা ছিলেন উদ্যোক্তা, গবেষক ও সংগঠক সিআরবির সমন্বয়ক জিয়াউল হক খন্দকার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ সিরাজুদ্দৌলা বলেন, মাহে রমজান সংযম, আত্মশুদ্ধি ও মানবিকতার মাস। এই মাস মানুষের ভেতরের নৈতিক শক্তিকে জাগ্রত করে এবং সমাজে ন্যায়, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্যিক রাজধানীর দাবিটি অনেক সময় কেবল কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। এখন সময় এসেছে বাস্তব উদ্যোগের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে সত্যিকারের বাণিজ্যিক রাজধানীতে রূপান্তর করার।

তিনি আরও বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যানজট নিরসন এবং বাজার ব্যবস্থাপনার উন্নতির মাধ্যমে নগরীর অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে অত্র সংগঠন ব্যবসায়ী সমাজের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে আগ্রহী বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সাপ্তাহিক বাণিজ্যিক রাজধানী পত্রিকার সম্পাদক ও দৈনিক ঘোষণা পত্রিকার বোয়ালখালী প্রতিনিধি আলমগীর রানার সঞ্চালনে অনুষ্ঠিত এ সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক আবদুল্লাহ মজুমদার।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক সোনার বাংলার চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ইমরান হোসেন। দৈনিক বর্তমান বাংলার প্রধান সমন্বয়কারী সিরাজুল মনির। মানবাধিকারকর্মী শাহজালাল।
উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দেশবার্তার ব্যুরোচীফ মো: আনিসুর রহমান ফরহাদ, দৈনিক ঘোষণার বিশেষ প্রতিনিধি এস এম সামজাত, সূফি কথার বার্তা সম্পাদক আল সিরাজ ভাণ্ডারী, হাফিজুল মোর্শেদ, মো: রাশেদ, আলমগীর, আবুল বাশার, আবদুল্লাহ আল হাবিব, মো: রানা, শাফায়েত উদ্দিন, মো: নাছির, নুরুল আবসার, আবদুল মাবুদ, সুমাইয়া, জান্নাতুল ফেরদৌস, মো; সাঈদ, মো: ইভান প্রমুখ।

পবিত্র কোরআন তেলোয়াত করেন লেখক ও গবেষক এস এম ওসমান। নাতে রাসুল(দ:) পরিবেশন করেন এইচ এম নিজামুদ্দীন চৌধুরী আলিফ। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন আদনান লাভলু, আরফাত শাওন, আবিদুর মাহিন, নিজামুদ্দিন আলিফ, আতিকুর আবির প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে আলহাজ্ব মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। দেশের আমদানি-রপ্তানির বড় অংশই এই নগরীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তাই “বাণিজ্যিক রাজধানী” শব্দটি যেন শুধু স্লোগান না হয়ে বাস্তবে রূপ পায়, সে লক্ষ্যে সরকার, সিটি কর্পোরেশন ও ব্যবসায়ী সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, মাহে রমজান আমাদের সংযম, সততা ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। এই শিক্ষাকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারলে সমাজে ন্যায় ও সাম্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও সততা ও নৈতিকতার চর্চা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

আলোচনা সভায় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে সমাজে নৈতিকতা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির আহ্বান জানান। একই সঙ্গে চট্টগ্রামকে সত্যিকারের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভা শেষে দেশ, মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া, মোনাজাত ও ইফতারের আয়োজন করা হয়।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে বিআরটিএ’র সতর্ক সংকেত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে সতর্ক সংকেত হিসেবে লাল পতাকা স্থাপন করেছে। ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ৯টি বাঁকে উভয় পাশে সারিবদ্ধভাবে এসব পতাকা বসানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছরে এসব বাঁকে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে গত বছরের ঈদুল ফিতরের দিন সকালে লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়া এলাকায় একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কয়েকজন নিহত হন। এরপর থেকেই বাঁকগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি ওঠে।

মহাসড়কে চলাচলকারী কয়েকজন বাস চালক জানান, রাতে বা কুয়াশার সময় হঠাৎ বাঁক সামনে চলে আসায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। নতুন করে লাল পতাকা বসানোয় আগেভাগেই সতর্ক হওয়া সহজ হবে।তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু অস্থায়ী পতাকা নয়-স্থায়ী সাইনবোর্ড, গতিসীমা নির্দেশনা, রিফ্লেক্টর ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও জরুরি। পাশাপাশি অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

বিআরটিএর তালিকা অনুযায়ী, যেসব স্থানে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেশি, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে লোহাগাড়ার চুনতির শেষ সীমানায় বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য সংলগ্ন বাঁক, লোহাগাড়া–চুনতির জাঙ্গালিয়া বাঁক, চুনতির ডেপুটি বাজারের আগে ও পরের বাঁক, চুনতি ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকা, লোহাগাড়া রাজাঘাটা, সাতকানিয়ার মিঠা দীঘি, চন্দনাইশের খানহাট পুকুর এবং পটিয়ার পাইরুল মাজারসংলগ্ন বাঁক।

বিআরটিএ চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) উথুয়াইনু চৌধুরী বলেন, ঈদের সময় এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাই ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোতে আগাম সতর্কতা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিআরটিএর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি বাঁকের উভয় পাশে পাঁচটি করে মোট ১০টি লাল পতাকা বসানো হয়েছে। ফলে দূর থেকেই চালকেরা বিপজ্জনক বাঁক সম্পর্কে সতর্ক হতে পারবেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ