আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় বেহাল সড়কে চরম দুর্ভোগ।

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার পাবনা প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভাঙ্গুড়া পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক- কলেজপাড়া থেকে মাস্টারপাড়া পর্যন্ত প্রায় অর্ধ কিলোমিটার অংশ দীর্ঘদিন ধরে চরম অবহেলার শিকার। সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য গর্ত, যা সামান্য বৃষ্টিতেই কাদা-পানিতে পরিণত হয়ে চলাচল সম্পূর্ণ দুর্বিষহ করে তুলছে। প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হওয়া সত্ত্বেও এমন ভগ্নদশায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও যানবাহন চালকরা।

জানা গেছে, এই সড়কটি শুধু ভাঙ্গুড়া পৌরসভার বাসিন্দাদের জন্যই নয়, বরং উপজেলা পরিষদ, থানা, হাটবাজার, হাজী জামাল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ, ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ জেলা সদরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী প্রধান রুট। অষ্টমিষা, খানমরিচ ও দিলপাশার ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহার করেন। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় প্রতিদিন চরম দুর্ভোগে পড়ছেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, চিকিৎসক, ব্যবসায়ী, রোগী ও সাধারণ মানুষ।

পথচারী মিনু রহমান খান বলেন, এই রাস্তায় হাঁটতে গেলে পা আটকে যায়, পিছলে পড়ে আহত হচ্ছি। স্কুল-কলেজে যেতে খুব কষ্ট হয়।গাড়ি চালক মধু হোসেন জানান, গর্তে চাকা পড়ে প্রায়ই গাড়ি নষ্ট হচ্ছে। এতে ঝুঁকি যেমন বাড়ছে, তেমনি খরচও বাড়ছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, বছরের পর বছর ধরে কোনো স্থায়ী সংস্কার না হওয়ায় জনজীবনে মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। তারা অবিলম্বে সড়কটির পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।ভাঙ্গুড়া পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. নাজমুন নাহার বলেন, সড়কটির অবস্থা সম্পর্কে আমরা অবগত। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু হবে।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ