আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

প্রশাসন নজরদারি প্রয়োজন চট্টগ্রামে খুচরা বাজারে পেঁয়াজের বেশী দাম, পাইকারীতে কম

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: বন্দর নগরী চট্টগ্রামে খুচরা বাজারে বেশি দামেই বিক্রি করা হচ্ছে পেঁয়াজ। আড়ত আর খুচরা বাজারের মধ্যে ব্যবধান প্রায় ২০ টাকার মত। এর এক মাস আগে হঠাৎ করে দেশের বাজারে বাড়তে শুরু করে পেঁয়াজের দাম। এই সময়ে প্রতি কেজিতে প্রায় ৩০টাকা পর্যন্ত বাড়ে নিত্যপণ্যটির দাম। বেড়ে যাওয়া সেই পেঁয়াজের দাম দুই সপ্তাহ ধরে পাইকারি বাজারে পড়তির দিকে। কিন্তু সেটির সুফল পাচ্ছেন না ভোক্তারা। খুচরা বাজারে বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে পণ্যটি।
খাতুনগঞ্জের পেঁয়াজের আড়তদাররা বলেছেন, আড়তে দাম কমার খবর ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছায় না। এই সুযোগটা নেন দোকানিরা। প্রশাসন নজরদারি বাড়ালে দাম কমার প্রকৃত সুফল পাবেন ভোক্তারা।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কমলেও খুচরায় কমছে না দাম। আড়তদাররা বলছেন, পাইকারিবাজার থেকে খুচরা পর্যায়ের দোকানে যাওয়া পর্যন্ত গাড়িভাড়া-নষ্ট হওয়া পেঁয়াজ বাদ দেওয়ার পর লাভসহ প্রতি কেজিতে ৫ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করা সম্ভব। অর্থাৎ ৭০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে পেঁয়াজের দাম। কিন্তুবহদ্দারহাট ও দুই নম্বর গেটের কর্ণফুলী কমপ্লেক্সসহ কয়েখটি বাজারে দেখা যায় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়।
দেশের ভোগ্যপণ্যের অন্যতম বৃহত্তম পাইকারিবাজার খাতুনগঞ্জে দেখা যায়, সারি সারি পেঁয়াজ নিয়ে আসা ট্রাক। আড়তগুলোতেও বস্তায় বস্তায় পেঁয়াজ। স্বাভাবিকভাবে সরবরাহ বেশি থাকায় দামও কমছে। ১০দিন আগেও এখানে পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজিতে মানভেদে ৭০ থেকে ৭২টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। গতকাল সপ্তাহের শুরুর দিন সেই দাম আরও কমে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়।
দুই কারণে পেঁয়াজের দাম কমছে বলে জানিয়েছেন খাতুনগঞ্জের অন্যতম বড় পেঁয়াজ বিক্রির প্রতিষ্ঠান মেসার্স কাজী স্টোরের স্বত্বাধিকারী মো. জাবেদ ইকবাল। তিনি বলেন, বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়েছে। এছাড়া সরবরাহ অনুযায়ী পাইকারি ক্রেতাও নেই। এ কারণে পেঁয়াজের দাম পড়তির দিকে আছে।
বহদ্দারহাটের মুদি দোকানি সাহাব উদ্দিন বলেন, আড়তে ৬৫ টাকা পেঁয়াজ হলেও সেটা খুচরা বাজার পর্যন্ত আসতে আসতে অনেক খরচ বেড়ে যায়। গাড়ি ভাড়া আর শ্রমিকের খরচ তো আছেই। এছাড়া অনেক পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যায়। আবার খোসা ফেলার পর ওজনও কমে যায়। সেজন্য আড়তের চেয়ে খুচরায় দাম কিছুটা বেশি।
এদিকে রাস্তায় রাস্তায় বিক্রি করা ভ্যানগাড়িগুলোতে দাম কিছুটা কম রয়েছে। সেখানে মানভেদে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে নিত্যদিনের রান্নার প্রয়োজনীয় এই মসলাটি। দোকানের ভাড়া-কর্মচারীর বেতনসহ আনুষঙ্গিক খরচ না থাকায় পেঁয়াজ দোকানের চেয়ে কম দামে দিতে পারছেন বলে জানিয়েছেন বহদ্দারহাটে ভ্যানে করে নিয়মিত পেঁয়াজ বিক্রি করা জাহাঙ্গীর আলম।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ