আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

ভাঙ্গুড়ায় ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির প্রতিবাদে শিল্প ও বণিক সমিতির মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার পাবনা প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ব্যবসায়ীদের কাছে প্রকাশ্যে চাঁদা দাবির ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছে ভাঙ্গুড়া শিল্প ও বণিক সমিতি।

এ ঘটনায় দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সমিতির কার্যালয়ে সামনে এক মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

লিখিত বক্তব্যে সমিতির সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম জানান,গত ৪ সেপ্টেম্বর রাত ৯ টার দিকে ভাঙ্গুড়া বাজারের বকুলতলায় অবস্থিত বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এ.কে.এম. হানিফ (বাবলু)-এর অফিসে গিয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোতালেব হোসেন প্রকাশ্যে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন।টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকিও দেন তিনি।

বক্তব্যে বলা হয়,এটি স্পষ্ট চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। ব্যবসায়ী সমাজ কোনোভাবেই চাঁদাবাজদের কাছে মাথা নত করবে না—প্রয়োজনে রক্ত দিয়ে হলেও প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

সংবাদ সম্মেলনে শিল্প ও বণিক সমিতি চার দফা দাবি তুলে ধরে বলেন,অবিলম্বে মোতালেব হোসেনকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান, ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী এ.কে.এম. হানিফের অভিযোগ তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, রাজনৈতিক দলের শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে মোতালেব হোসেনকে সব পদ থেকে বহিষ্কার, ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভাঙ্গুড়া বাজারে স্থায়ী বিশেষ পুলিশ টহল জোরদার।

সমিতির নেতারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে অবস্থান কর্মসূচি, বাজার বন্ধ সহ কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব। এর দায়ভার তখন কিন্তু প্রশাসনকেই বহন করতে হবে।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন—এ.কে.এম. হানিফ বাবলু (উপদেষ্টা সদস্য), হাফিজ উদ্দিন বাহার (প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা সদস্য), মোঃ সাইফুল ইসলাম (সহ-সভাপতি), মাসুম হোসেন (কোষাধ্যক্ষ), আলহাজ্ব আবু বক্কার (পরিচালক), আব্দুল জলিল (পরিচালক), আক্কাস আলী (পরিচালক), আশরাফ আলী (সদস্য), মোহাম্মদ সেলিম (সদস্য), আব্দুল মতিন (সদস্য) প্রমুখ।
এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুর রহমান লিটন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ আলী, আব্দুল আলীম, মো. জামাল উদ্দিন, উপজেলা কৃষক দলের সাবেক আহ্বায়ক হুমায়ুন আহমেদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, সাবেক কমিশনার শহিদুল ইসলাম এবং কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক বায়েজিদ বোস্তামি।
এই অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মোঃ আব্দস সালাম নুর।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে বিআরটিএ’র সতর্ক সংকেত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে সতর্ক সংকেত হিসেবে লাল পতাকা স্থাপন করেছে। ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ৯টি বাঁকে উভয় পাশে সারিবদ্ধভাবে এসব পতাকা বসানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছরে এসব বাঁকে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে গত বছরের ঈদুল ফিতরের দিন সকালে লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়া এলাকায় একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কয়েকজন নিহত হন। এরপর থেকেই বাঁকগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি ওঠে।

মহাসড়কে চলাচলকারী কয়েকজন বাস চালক জানান, রাতে বা কুয়াশার সময় হঠাৎ বাঁক সামনে চলে আসায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। নতুন করে লাল পতাকা বসানোয় আগেভাগেই সতর্ক হওয়া সহজ হবে।তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু অস্থায়ী পতাকা নয়-স্থায়ী সাইনবোর্ড, গতিসীমা নির্দেশনা, রিফ্লেক্টর ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও জরুরি। পাশাপাশি অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

বিআরটিএর তালিকা অনুযায়ী, যেসব স্থানে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেশি, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে লোহাগাড়ার চুনতির শেষ সীমানায় বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য সংলগ্ন বাঁক, লোহাগাড়া–চুনতির জাঙ্গালিয়া বাঁক, চুনতির ডেপুটি বাজারের আগে ও পরের বাঁক, চুনতি ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকা, লোহাগাড়া রাজাঘাটা, সাতকানিয়ার মিঠা দীঘি, চন্দনাইশের খানহাট পুকুর এবং পটিয়ার পাইরুল মাজারসংলগ্ন বাঁক।

বিআরটিএ চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) উথুয়াইনু চৌধুরী বলেন, ঈদের সময় এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাই ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোতে আগাম সতর্কতা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিআরটিএর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি বাঁকের উভয় পাশে পাঁচটি করে মোট ১০টি লাল পতাকা বসানো হয়েছে। ফলে দূর থেকেই চালকেরা বিপজ্জনক বাঁক সম্পর্কে সতর্ক হতে পারবেন।

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ