আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ, ২০২৬

পাবনার ভাঙ্গুড়া মহিলা ডিগ্রী কলেজে টিউটোরিয়াল পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণ।

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার পাবনা প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নারী শিক্ষার অন্যতম বিদ্যাপীঠ ভাঙ্গুড়া মহিলা ডিগ্রী কলেজ এ ভূগোল বিভাগের টিউটোরিয়াল পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত।মহিলা ডিগ্রী কলেজ এর অধ্যক্ষ জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল এর সভাপতিত্বে আজকের এই ভূগোল বিভাগের টিউটোরিয়াল পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে সকাল ১০ ঘটিকায় অত্র মহিলা ডিগ্রী কলেজ এর অডিটোরিয়াম ক্লাস রুমে। অত্যান্ত সুশৃঙ্খল জাঁকজমকপূর্ণভাবে সকাল বেলায় কলেজের সকল ছাত্রী,শিক্ষকমন্ডলী ও কর্মচারীবৃন্দের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়।

সুসজ্জিত নারী শিক্ষার অন্যতম বিদ্যাপীঠ মহিলা ডিগ্রী কলেজ এর সুন্দর মনোরম পরিবেশ রক্ষিত ছায়াঘেরা দক্ষ অধ্যক্ষের মননশীল জ্ঞানের পরিসরে অত্র মহিলা ডিগ্রী কলেজটি তার পরিচর্যায় অত্যান্ত বৃক্ষরাজে ভরপূর্ণ সুন্দর পরিবেশ বর্তমান মহিলা ডিগ্রী কলেজ টির সকল অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলীর উপস্থিতিতে ভূগোল বিভাগ এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অত্র মহিলা ডিগ্রী কলেজ এর অধ্যক্ষ জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল স্যার তার বক্তব্যে বলেন বর্তমানে শিক্ষার প্রতিযোগিতা অনেক বেশি, তাই সবাই কে বেশি বেশি করে প্রতিটি বিষয় মনোযোগসহকারে পড়াশোনা করতে হবে,যাতে তুমি প্রতিটি বিষয় ভালো ফলাফল করতে পারো, আজকের এই ভূগোল বিভাগের টিউটোরিয়াল পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণের আয়োজন যেন মহিলা ডিগ্রী কলেজ এর সকল বিভাগের টিউটোরিয়াল পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণ আগামীতে অত্র কলেজে হয়,এই আশা আমি করি তোমাদের ভালো ফলাফলের জন্য।
আমি অত্র মহিলা ডিগ্রী কলেজের ভূগোল বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ প্রভাষক মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম ও প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার কে অভিনন্দন সহ আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।

মহিলা ডিগ্রী কলেজ এর ভালো পড়াশোনার পরিবেশ রক্ষা করা জন্য।ডিজিটাল বিজ্ঞানের যুগে নারী শিক্ষা অন্যতম জ্ঞান অর্জন করে পরিবেশ ও সমাজ কে সুন্দরভাবে সাজিয়ে দেশ ও বিশ্ব কে এগিয়ে নিতে সাহায্য কাজ করছে এ সমাজের নারীরা,তাই তোমাদেরকেই অবশ্যই আগে নিজেকে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে তৈরি হতে হবে।
নারীরা জ্ঞান অর্জন করে পরিবেশ ও সমাজ কে এগিয়ে নিবে।তবেই পরিবেশ ও সমাজ সুন্দরভাবে এগিয়ে যাবে।

এসময়ে আরো বক্তব্য দেন মহিলা ডিগ্রী কলেজ এর ভূগোল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম আলাল, সন্মানিত সদস্য জনাব মোঃ এহতেশাম মন্টু, বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জনাব মোঃ আমজাদ হোসেন কাজল, ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ কামরুল ইসলাম বাবু, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ আমিরুল ইসলাম রতন,রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ মিজানুর রহমান ও হিসাববিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ লুৎফর রহমান প্রমূখ। আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র মহিলা ডিগ্রী কলেজ এর সকল ছাত্রী,কর্মচারী ও অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী।

ভূগোল বিভাগের টিউটোরিয়াল পরীক্ষার পুরস্কার দেওয়া হয় মোট ১৮ জন কৃতি ছাত্রীদের কে, আজকের এই টিউটোরিয়াল পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে ভূগোল বিভাগের পক্ষে প্রভাষক মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম আলাল অধ্যক্ষ ও সন্মানিত সদস্য কে পুরস্কার দিয়ে সন্মানিত করেন। পুরস্কার বিতরণ শেষে দুই উপস্থাপিকাকে পুরস্কার দেওয়া হয় তাদের সুন্দর উপস্থাপনার জন্য। টিউটোরিয়াল পরীক্ষায় প্রথম হোন মানবিক বিভাগের কৃতি ছাত্রী নুর আফরিন পিতা স্কুল শিক্ষক মোঃ আমিনুল ইসলাম গ্রামঃ পার-ভাঙ্গুড়া,রোল নম্বর -৪০।
টিউটোরিয়াল পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন অত্র মহিলা ডিগ্রী কলেজ এর দুই কৃতি ছাত্রী।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঈদ জামাত সকাল ৮টায়, প্রস্তুত চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ময়দান :চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদ-উল-ফিতরের কেন্দ্রীয় জামাত উপলক্ষে চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ঈদগাহ ময়দান সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বুধবার জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। পরিদর্শনকালে মেয়র নগরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং রমজানের শিক্ষাকে হৃদয়ে ধারণ করে চট্টগ্রামের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- ইসলামিক ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোস্তফা মনসুর আলম খান, চসিকের জনসংযোগ ও প্রটোকল কর্মকর্তা আজিজ আহমদ, নির্বাহী প্রকৌশলী আনু মিয়া, মেয়রের একান্ত সহকারী জিয়াউর রহমান জিয়া এবং সমাজকল্যাণ ও সংস্কৃতি কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, প্রায় ৬৫ হাজার বর্গফুট এলাকাজুড়ে বিশাল প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে এবং নিচে কার্পেটিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা মাথায় রেখে ওপরে টারপলিন দেওয়া হয়েছে, যাতে আবহাওয়া প্রতিকূল হলেও ঈদের জামাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে। এছাড়া প্রায় ২৫০টি পাখা, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, ৫০টি মাইক এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গত সাত দিন ধরে চসিকের উদ্যোগে এসব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যাতে মুসল্লিরা নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে নামাজ আদায় করতে পারেন।

ডা. শাহাদাত বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার মুসল্লি এই কেন্দ্রীয় জামাতে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত মুসল্লির কথা বিবেচনায় রেখে দুটি জামাতের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে-প্রথম জামাত সকাল ৮টায় এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।তিনি আরও বলেন, মুসল্লিদের নির্বিঘ্ন প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য তিনটি গেট খোলা রাখা হবে, পাশাপাশি পেছনের গেটটিও ব্যবহারের উপযোগী করা হচ্ছে, যাতে কোনো ধরনের ভিড় বা হুড়োহুড়ি না হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ বাহিনীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

নগরীর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে চসিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অপরাধ দমনে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় চলছে এবং নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, গত ১৬ মাসে চট্টগ্রামে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের মধ্যে একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যা একটি ‘সেফ সিটি’ বা নিরাপদ নগরী গড়ার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

মাঠ পরিদর্শনকালে মেয়র আরো বলেন, প্রথম ও প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদের খতিব আলহাজ্ব সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী এবং দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আহমদুল হক আল কাদেরী।এছাড়া নগরীতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে সকাল ৮টায় ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে যথাক্রমে লালদীঘি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন শাহী জামে মসজিদ, হযরত শেখ ফরিদ (রঃ) চশমা ঈদগাহ মসজিদ, সুগন্ধা আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, চকবাজার সিটি কর্পোরেশন জামে মসজিদ, জহুর হকার্স মার্কেট জামে মসজিদ, দক্ষিণ খুলশী (ভিআইপি) আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, আরেফীন নগর কেন্দ্রীয় কবরস্থান জামে মসজিদ, সাগরিকা গরুবাজার জামে মসজিদ এবং মা আয়েশা সিদ্দিকী চসিক জামে মসজিদ (সাগরিকা জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সংলগ্ন)।

চট্টগ্রাম কারাগারে ঈদের হাসি ফোটাতে নানা উদ্যেগ, বন্দীরা আপ্যায়িত হবে বিশেষ খাবারে ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদে কারাবন্দীদের মুখে হাসি ফোটাতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ। প্রায় ছয় হাজার বন্দীদের মাঝে কারাগার কর্তৃপক্ষ ছড়িয়ে দিতে চায় ঈদের আনন্দ। ঈদের দিন কারাগারে স্বজনদের কাছে ছুটলেও চার দেয়ালের বাইরে যাবার সুযোগ নেই কারাবন্দীদের। সরকারি নিয়মীতির মধ্যে থেকেই দেখা করতে হয়। এবার ঈদে কারাগারে বন্দীদের পায়েস, মুড়ি, গরুর ও ছাগলের মাংসের ব্যবস্থা থাকবে। তবে ঈদের পরদিন স্বজনরা বাসায় রান্না করা খাবার দিতে পারবেন বন্দীদের। বাহিরের কোন বাবুচি নয়, কারাবন্দী কয়েদীরা এই রান্না করবেন বলে জানা গেছে। এবার কারাবন্দী মায়ের সাথে ৪৫ শিশুও ঈদ করবে বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ শরীফ জানান, বিধি অনুযায়ী আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি ঈদে যেন বন্দীদের মন খারাপ না থাকে। ঈদ উপলক্ষে বিশেষ রান্নার আয়োজন করা হবে কারাগারে। কারাগারের ভেতরে অনুষ্ঠিত হবে ঈদের জামাত। সকাল সাড়ে সাতটায় কারাগারে কর্মরত অফিসার ও কর্মচারীরা নামাজ পড়বেন।

সাড়ে আটটায় অনুষ্ঠিত হবে বন্দীদের ঈদের নামাজ। সকালে বন্দীদের সরবরাহ করা হবে পায়েস, মুড়ি। দুপুরে মুসলিম বন্দীদের জন্য গরুর মাংস। অন্য ধর্মালম্বীদের জন ছাগলের মাংসের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া সবার জন্য থাকবে মুরগির মাংস ও মিষ্টি। রাতে পোলাও এবং পান সুপারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঈদের পরদিন স্বজনরা বাসায় রান্না করা খাবার দিতে পারবেন বন্দীদের।
কারগারসূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম কে›ন্দ্রীয় কারাগারে সাজা, মত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ও হাজতি মিলে বন্দীর সংখ্যা ছিলো প্রায় ছয় হাজার। সেই হিসেবে প্রায় ছয় হাজার বন্দী এবার চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে ঈদ উদযাপন করবেন।

বিপুল সংখ্যাক বন্দীর জন্য কারাগারে উন্নত খাবারের রান্নার আয়োজন করা হয়েছে। করা হয়েছে বাহারি আলোকসজ্জা। ইচ্ছে করলেও কারাবন্দীরা সারাবছর ঘরে রান্নার স্বাদ নিতে পারেন না। তবে ঈদের পরদিন স্বজনরা চাইলে বাড়ির রান্না করা খাবার দিতে পারবেন বন্দীদের।
জানা গেছে, ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম কারাগার ১৯৯৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় কারাগারে উন্নীত হয়। কারাগারের পাঁচ তলা বিশিষ্ট পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ভবনের প্রতিটিতে ৩০০ জন ও কর্ণফুলী, সাংগু ও হালদা ভবনের প্রতিটিতে ২৪০ জন বন্দী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন। পাঁচ কক্ষ বিশিষ্ট দুটি ফাঁসির সেল ভবন, ৩২ কক্ষ বিশিষ্ট একটি সেল ভবন রয়েছে।

এবার পেশাদার কোন বাবুর্চি নয়, কারাবন্দী কয়েদীরা ২৮ চুলায় এসব রান্না তৈরি করবেন। বন্দীদের রান্নার জন্য দুটি রান্না ঘরে ২৮টি চুলা (চৌকা) রয়েছে। এছাড়া চারতলা বিশিষ্ট একটি মহিলা কয়েদি ও দুই তলা বিশিষ্ট মহিলা হাজতি ব্যারাক রয়েছে দুটি। কাগজে কলমে দুই হাজার ২’শ ৪৮ জন বন্দীর ধারণক্ষমতা সম্পন্ন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীর সংখ্যা ছিল প্রায় ছয় হাজার। এদিকে কোন অপরাধ না করেও কারাগারে বন্দী রয়েছে ৪৫ শিশু। নানা অপরাধে জড়িত কারাবন্দী মায়ের সাথে শিশুরাও বন্দী জীবনযাপন করছে। জেলার সৈয়দ শাহ শরীফ জানান, বন্দী মায়ের সাথে শিশুদের ছয় বছর বয়স পর্যন্ত কারাগারে রাখা হয়। কারাগারে থাকা শিশুদের জন্য খেলাধূলা ও পড়াশোনার ব্যবস্থা রয়েছে। ছয় বছর বয়স পার হলেও তাদেরকে সমাজ সেবার আওতাধীন বিভিন্ন শিশু সদনে পাঠানো হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ