আজঃ মঙ্গলবার ৫ মে, ২০২৬

সত্যিকারের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্টায় সকলের অংশগ্রহন নিশ্চিত করা দরকার

প্রেস রিলিজ

চকরিয়াতে আইএসডিই‘র উদ্যোগে ইনক্লোসিভ ভোটার এডুকেশন এন্ড এওয়ারন্যান্স প্রকল্পর প্রকল্প পরিচিতি সভায় বক্তাগন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গনতন্ত্রকে সংখ্যাগরিষ্টের শাসন বলা হলেও দলমত, ধর্ম, বর্ন, গোষ্টি ও পেশার মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহন না হলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কায়েম ও টেকসই হয় না। যার কারণে ভোটে নির্বাচিত হয়েও অনেকেই স্বৈরচারী, বেপরোয়া ও জনমতকে উপেক্ষা করার ঘটনা বেড়ে যায়। একজন নাগরিক রাস্ট্রের যে কোন সিদ্ধান্তের সাথে দ্বিমতপোষন করতেই পারেন। কিন্তু অর্থ এই নয় যে, সে রাস্ট্রের বিরোধীতা করছে। তবে তার মতামত প্রকাশ করার স্বাধীনতা থাকতে হবে। যারা ভোট প্রদান করেন, তাদের সকলের প্রার্থী উ্ত্তীর্ন না ও হতে পারে। কিন্তু ভোটারের মত প্রকাশ করা, ও পছন্দসই প্রার্থীকে ভোট দেয়ার মাধ্যমে তার নাগরিক অধিকার ও গনতন্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহন জরুরি। সে জন্য সমাজের কোন অংশকে বাদ দিয়ে যে কোন উন্নয়ন ও প্রক্রিয়া যেরকম পরিপুর্নতা লাভ করে না সেরকম সমাজের কোন গোষ্ঠি বা অংশকে বাদ দিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াও শক্তিশালী হবে। তাই আগামি ২০২৬ সালের মহান জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী বিশেষ করে উপকূলীয় মৎস্যজীবী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, নতুন ভোটারদেরকে ভোটদানের পদ্ধতি, ভোটের গুরুত্ব এবং ভোটার হিসেবে করণীয় বিষয়ে সচেতন করে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আনতে নির্বাচনের সকল স্টেকহোল্ডারদের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে।

সোমবার ২৪ নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ সকাল ১১টায় কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা পরিষদ হল রুম- সুগন্দায় আইএসডিই বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেকটোরাল সিস্টেমস (আইএফইএস)-এর সহযোগিতায় ইনক্লোসিভ ভোটার এডুকেশন এন্ড এওয়ারন্যান্স প্রকল্পর প্রকল্প পরিচিতি সভায় বিভিন্ন বক্তাগন উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আইএসডিই নির্বাহী পরিচালক এস এম নাজের হেসাইন এর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন চকরিয়া-পেকুয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(এএসপি) অভিজিত দাশ, আইএফইএস এর ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর রোমেনা আমিন আর্চি। আইএসডিই মনিটরিং অফিসার সুপম বডুয়ার সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ তৌহিদুল আনোয়ার, আইএফইএস এর সিনিয়র কর্মসুচি ব্যবস্থাপক কানিজ ফাতেমা, আইএসডিই কর্মসুচি সমন্বয়কারী জাহাঙ্গীর আলম, দৈনিক পূর্বকোণের স্টাপ রিপোর্টার সংবাদিক জাহেদ চৌধুরী, দৈনিক সমকালের স্টাপ রিপোর্টার এমআর মাহমুদ, সমাজ কর্মী সো্য়াইবুল ইসলাম সবুজ, আশরাফ আলী প্রমুখ।

বক্তাগন একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন করতে স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের যে রকম দায়িত্ব ঠিক একই ভাবে সকল ভোটারদেরকে নির্বাচনীয় প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহন যে রকম জরুরি। জনগন স্বতঃসপুর্ত অংশগ্রহন করলে কোন অপশক্তি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধও করতে সাহস পাবে না অথবা বাধাগ্রস্থ করতে পারবে না। তাই আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল দলমত ও ধর্ম সম্প্রদায়ের সকলকে সংবিধান প্রদত্ত ভোটাধিকার প্রয়োগে উদ্ধুদ্ধ করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা, স্বাধীনভাবে নিজ নিজ এলাকার প্রতিনিধি নির্বাচনে অংশগ্রহনের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস ও নাগরিক মর্যাদা প্রয়োগ করার আহবান জানান।


উল্লেখ্য বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আইএসডিই আর্ন্তজাতিক উন্নয়ন সংস্থা আইএফইএস এর সহযোগিতায় আসন্ন ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সকল নাগরিকের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে “ইনক্লোসিভ ভোটার এডুকেশন এন্ড এওয়ারনেস প্রকল্পটি চকরিয়া, পেকুয়া এবং মহেশখালী উপজেলায় বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের আওতায় উপকূলীয় মৎস্যজীবী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, যুব ভোটারসহ বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ভোটদানের পদ্ধতি, ভোটের গুরুত্ব এবং ভোটার হিসেবে করণীয় বিষয়ে সচেতন করার জন্য ওঠান বৈঠক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়, মাইকং, প্রচারপত্র বিলি, মগ ভোটিং সেশন পরিচালনাসহ নানা প্রচারণা কর্মসুচির আয়োজন করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দেড় মাসের শিশু নিয়ে কারাগারে যাওয়া মায়ের মুক্তি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাহমিদ মুবিন রাতুলকে হত্যাচেষ্টার মামলায় দেড় মাসের মেয়েকে নিয়ে কারাগারে যাওয়া যুব মহিলা লীগের কর্মী শিল্পী বেগম জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।বুধবার বেলা ১২টার কিছু আগে কাশিমপুর কারাগার থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। এসময় পরিবারের সদস্যরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।শিল্পীর আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী বলেন, গতকাল দুপুরে জামিন নামঞ্জুর করে শিল্পীকে কারাগারে পাঠানো হয়। সন্ধ্যায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করলে জামিন পান তিনি।

শিল্পীর স্বামী রহিম হোসেন সোহাগ বলেন-গরমে বাচ্চাটা একটু অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ওর মা তো আগে থেকেই অসুস্থ। টেনশনের কারণে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েছে।শিল্পী বেগম ঢাকা মহানগর উত্তর যুব মহিলা লীগের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছে।

তেজকুনিপাড়ার রেলওয়ে কলোনি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।মঙ্গলবার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদ জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।স্বজনরা সে সময় বলেছিলেন, গত ৪ মার্চ ঢাকার আদ-দ্বীন হাসপাতাল সি সেকশনের মাধ্যমে শিল্পীর সন্তানের জন্ম হয়। এর পর বাথরুমে পড়ে বাঁ হাত ভেঙে যায় শিল্পীর।

জামিন নাকচ হওয়ার পর শিল্পী বলেন-সিজারের কাটা জায়গায় এখনো ব্যথা করে। বাচ্চাকে ঠিকমত খাওয়াতে পারি না। ও তো মরে যাবে।দেড় মাসের শিশুকে নিয়ে কারাগারে মা’– এমন খবর প্রচারের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে নানামুখি আলোচনা শুরু হয়। সন্ধ্যায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান মানবিক দিক বিবেচনা করে শিল্পীকে জামিন দেন।

রাতুলের হত্যা চেষ্টা মামলার বিবরণে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই চানখারপুল এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাহমিদ মুবিন রাতুল। সহপাঠীরা তাকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান৷ সেখানে ছাত্রলীগের অসংখ্য নেতা-কর্মী তাদের আক্রমণ করেন।

পরে আসামি শিল্পীর নির্দেশে ২৩ জুলাই সন্ধ্যায় এজাহারভুক্ত আসামিরাসহ অচেনা ১২০/১৩০ জন ওই শিক্ষার্থীর তেজগাঁওয়ের বাসায় হামলা চালায়। বাসার আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক্স জিনিসপত্র ভাংচুর করায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। তিন লাখ টাকার বিভিন্ন মালামাল লুটপাট ও চুরি করে নিয়ে যান আসামিরা। শিল্পী ও অন্য আসামিরা ওই শিক্ষার্থীর বাবা সোহেল রানাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন বলেও মামলায় অভিযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় গত বছরের ২৫ জানুয়ারি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ ১০৩ জনের নাম উল্লেখ করে অচেনা ১২০/১৩০ জনকে আসামি করে শিক্ষার্থী রাতুলের মা শাহনুর খানম তেজগাঁও থানায় মামলা করেন।

গ্যাস সরবরাহ কম, জ্বালানি সংকট চাকা ঘুরছেনা চট্টগ্রামের ১০ বিদ্যুৎকেন্দ্রের, চরম ভোগান্তি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকায় নগরের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং বেড়েছে, ফলে ভ্যাপসা গরমে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বাসিন্দারা। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রভাব পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায়, এমনকি দেখা দিয়েছে পানির সংকটও।জ্বালানি সংকটের কারণে এসব বিদ্যাৎকেন্দ্রগুলোর চাকা বন্ধ রয়েছে। যার ফলে বিদ্যুৎ ঘাটতি তীব্র আকার ধারণ করেছে। উৎপাদন কমে আসলেও গরমের কারণ বাড়ছে চাহিদা। ফলে লোডশেডিং আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।

এদিকে লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে বাড়ছে ভোগান্তি। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় দিনে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। এছাড়া চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাচ্ছে না বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা। নগরীর রাহাত্তারপুল এলাকার বাসিন্দা হুমায়ুন কবির বলেন, বৈশাখ মাসের গরমে বিদ্যুৎ ছাড়া টিকে থাকা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।ফটিকছড়ির ব্যবসায়ী হামিদুল ইসলাম বলেন, দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। দোকানে অনলাইনভিত্তিক কাজ করতে হয়। বিদ্যুৎ ছাড়া কাজ করা যায় না। আমরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি।পিডিবির চট্টগ্রাম নির্বাহী প্রকৌশলী ফাহমিদা জামান জানান, গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়া ও জ্বালানি সংকটের কারণে কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। ফলে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী লোডশেডিং কমবেশি হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্র জানায়, গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টায় চট্টগ্রামে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১ হাজার ২১১ দশমিক ২০ মেগাওয়াট। উৎপাদন হয় ১ হাজার ৩৫৩ দশমিক ৫০ মেগাওয়াট। তবে এর মধ্যে ১৪২ দশমিক ৩০ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করায় স্থানীয়ভাবে ৬৯ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হয়। এর আগে বেলা ১১টায় চাহিদা ছিল ১ হাজার ২৯১ দশমিক ৬০ মেগাওয়াট, বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যায় ১ হাজার ২০০ দশমিক ৭০ মেগাওয়াট। তখন লোডশেডিংয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯০ দশমিক ৯০ মেগাওয়াট।

পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামের ২৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে বর্তমানে ১০টি কেন্দ্র উৎপাদনের বাইরে রয়েছে। এর মধ্যে এনলিমা (১১৬ মেগাওয়াট), জুডিয়াক (৫৪ মেগাওয়াট), জুলধা-২ ও ৩ (প্রতিটি ১০০ মেগাওয়াট), রাউজান ১ ও ২ (প্রতিটি ২১০ মেগাওয়াট) এবং কক্সবাজারের উইন্ড প্ল্যান্ট উল্লেখযোগ্য। পিডিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার বেলা ১১টায় ১১টি ও সন্ধ্যা ৭টায় ১৫টি বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন ছিল শূন্যের কোঠায়। এরমধ্যে ১০ বিদ্যুৎকেন্দ্রে সকাল-সন্ধ্যা উৎপাদনের বাইরে ছিল। এর মধ্যে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র মাতারবাড়ী কোল পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে সকালে কিছু উৎপাদন মিললেও সন্ধ্যায় তা শূন্যে নেমে আসে। কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে সচল রয়েছে মাত্র দুটি।

বর্তমানে চট্টগ্রামের বিদ্যুৎ সরবরাহ মূলত নির্ভর করছে কয়েকটি কেন্দ্রের ওপর। সন্ধ্যার হিসাব অনুযায়ী বাঁশখালীর এসএস পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে ৬১২ মেগাওয়াট, শিকলবাহা কেন্দ্র থেকে ২১৮ মেগাওয়াট এবং মিরসরাইয়ের বি-আর পাওয়ার কেন্দ্র থেকে ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া গেছে।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ