আজঃ বুধবার ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

স্থায়ী হলেন চসিকের ৪৫৯ অস্থায়ী কর্মচারী।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) আরও ৪৫৯ জন অস্থায়ী কর্মচারীকে স্থায়ী করা হয়েছে। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন সোমবার টাইগারপাসে কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয়ে অস্থায়ী কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময়কালে এ ঘোষণা দেন। এসময় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চসিক সূত্র জানায়, বিভিন্ন ক্যাটাগরির ১৯টি পদের বিপরীতে কর্মরত এসব কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে অস্থায়ী ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। নতুন করে স্থায়ী হওয়াদের মধ্যে কারিগরি, প্রশাসনিক ও সহায়ক পদের কর্মীরা রয়েছেন। বিদ্যুৎ, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, অফিস সহায়তা, পরিচ্ছন্নতাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেবাখাতে তারা কর্মরত ছিলেন।

মেয়র বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৪৫০ জন অস্থায়ী কর্মচারীকে স্থায়ী করা হয়েছে। তিনি বলেন, চসিকের উন্নয়ন কার্যক্রম গতিশীল রাখতে দক্ষ ও অভিজ্ঞ জনবল প্রয়োজন। দীর্ঘদিন অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালনকারী কর্মচারীরা নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করেছেন। তাদের চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। তিনি আরও জানান, যেসব পদের ক্ষেত্রে জনবল কাঠামোয় অনুমোদিত পদ রয়েছে এবং মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র পাওয়া গেছে, সেসব পদে পর্যায়ক্রমে স্থায়ীকরণ করা হচ্ছে।

অন্যান্য পদের ক্ষেত্রেও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। অনুমোদন সাপেক্ষে আরও কর্মচারীকে স্থায়ী করা হবে বলে জানান তিনি। ডা. শাহাদাত বলেন, চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিত হলে কর্মীদের দায়িত্ববোধ ও কর্মউদ্দীপনা বাড়ে, যা সরাসরি নাগরিক সেবার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সংরক্ষিত এমপির মনোনয়ন পেতে চট্টগ্রামের নারী প্রার্থীদের অতীতের কর্মকান্ড হাইকমান্ডে তুলে ধরার চেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। যার ফলে চট্টগ্রাম থেকে বিএনপির একাধিক নেত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হওয়ার প্রত্যাশায় রয়েছেন। সংসদ ও সরকার গঠনের পর এবার দলীয় মনোনয়ন পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ চলমান রয়েছে। বিশেষ করে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের একাধিকজন নেত্রী সক্রিয় যোগাযোগ রাখছেন।সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন, সংরক্ষিত আসনে চট্টগ্রামের যোগ্য ও ত্যাগীদের মূল্যায়ন চাই।

চট্টগ্রাম থেকে আলোচনায় থাকা সম্ভাব্যদের মধ্যে রয়েছেন, বিএনপির সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেত্রী ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা। আইন অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা এবং দলীয় কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার কারণে তাঁর নাম আলোচনায় এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অনদিকে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি, সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মহিলা দলের সভাপতি মেহেরুন নেছা নার্গিস, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সভাপতি জান্নাতুল নাঈম রিকু, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদা খানম এবং মহিলা দলের নেত্রী মেহেরুন্নসা নার্গিসের নামও মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় রয়েছেন। এছাড়াও জাসাসের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক নাজমা সাঈদ ও ফটিকছড়ির গুম হওয়া বিএনপি নেতা শহিদুল আলম সিরাজ চেয়ারম্যানের সহধর্মিনী সুলতানা পারভীনের নামও আলোচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

বিএনপির দলীয় একাধিক সূত্র বলছে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, পেশাগত দক্ষতা ও তৃণমূলের গ্রহণযোগ্যতাকে গুরুত্ব দিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিও মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে। তবে সংরক্ষিত নারী আসনে তফসিলের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।দলীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রত্যাশীরা।

সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেত্রী ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা বলেন, আমি সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দল আমাকে মনোনয়ন দেয়নি। এখনো দলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে মেনে নেব। সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, আমি গত ১৭ বছর ধরে আন্দোলন-সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত আছি।

ছাত্র জীবন থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এই দীর্ঘ পথচলায় একাধিক মামলা ও পাঁচ-ছয় বার গ্রেপ্তারও হয়েছি। অনেক সময় বাসায় থাকতে পারিনি, পরিবার-পরিজনের সঙ্গ থেকেও বঞ্চিত হয়েছি। আমি চাই, চট্টগ্রামে আমার এই দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মূল্যায়ন করা হোক। ব্যক্তিগত জীবনে আমি কোনো প্রাপ্তির কথা ভাবিনি; শুধু আদর্শ ও দলের জন্য কাজ করে গেছি। আমার মতো ত্যাগী নেত্রীদের যথাযথ সম্মান ও মূল্যায়ন করা সময়ের দাবি। ২০০১ সালেও আমি মনোনয়ন নিয়েছিলাম, তখনও মূল্যায়ন করা হয়নি। ম্যাডাম ভবিষ্যতে মূল্যায়নের আশ্বাস দিয়েছিল।

সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে জাসাসের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক নাজমা সাঈদ বলেন, আন্দোলন-সংগ্রাম ও দলীয় কর্মসূচিতে ঝুঁকি নিয়েও দীর্ঘদিন সক্রিয়ভাবে কাজ করে গেছি। চট্টগ্রামের পাশাপাশি ঢাকার বিভিন্ন কর্মসূচিতেও ছিলাম সরব, পাশাপাশি অনলাইন ও অফলাইন—দুই মাধ্যমেই দলের পক্ষে ভূমিকা রেখেছি।

চট্টগ্রামে ভোগ্যপণ্যের বাজার খাতুনগঞ্জে অভিযান, জরিমানা গুনল সাত প্রতিষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশের বৃহৎ ভোগ্যপণ্যের বাজার খাতুনগঞ্জে অভিযান চালিয়ে সাত প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন অভিযোগে ১ লাখ ২১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার এ অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয় ও জেলা।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ক্ষতিকর হায়ড্রোজ খাদ্যে ব্যবহার উপযোগী বলে বিক্রি করায় মেসার্স আমেনা ট্রেডার্সকে ৫০ হাজার টাকা, রঙ দেয়া মুগডাল বিক্রি করায় মেসার্স হাজী স্টোরকে ৪০ হাজার টাকা, কেকে মেয়াদ উল্লেখ না থাকা ও অনুমোদনহীন বিদেশি পণ্য বিক্রি করায় মধুবন ইন্টারন্যাশনালকে ১০ হাজার টাকা, পোড়া তেল ও ক্ষতিকর হায়ড্রোজ ব্যবহার করে রান্না করায় রহমান হোটেল ৮ হাজার টাকা, মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় মেসার্স আনাস ট্রেডিংকে ৫ হাজার টাকা, আল হাকিম বাণিজ্যালয়কে ৪ হাজার টাকা, চা পাতার প্যাকেট মূল্য না থাকায় এ আর এল টি হাউসকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

তারেক রহমানকে দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়ে গেজেট প্রকাশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজনৈতিক প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে দীর্ঘ ২০ বছর পর পুনরায় রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। 
মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারির পর সরকারিভাবে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।  সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি এই নিয়োগ প্রদান করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ