আজঃ শুক্রবার ৮ মে, ২০২৬

কবিতা শুধু সাহিত্য নয়, এটি প্রতিবাদের শক্তিশালী মাধ্যম

প্রেস রিলিজ

চসিকের স্বাধীনতা বইমেলার আলোচনা সভায় কবি জিন্নাহ চৌধুরী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

লেখক ও কবি জিন্নাহ চৌধুরী বলেছেন, কবিতা শুধু সাহিত্য নয়, এটি প্রতিবাদের শক্তিশালী মাধ্যম। কবিতা সবসময় মানুষের কথা বলে, মুক্তির কথা বলে। অনেক না বলা কথা কবিতার মাধ্যমেই প্রকাশ পায়। কবিতা কখনো মাথা নত করে না। যত অন্যায় ও সুবিধাবাদই আসুক, কবিতা তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে নগরীর কাজীর দেউরী জেলা স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম মাঠের বই মেলা মঞ্চে স্বাধীনতার বই মেলার আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ১৯ দিন ব্যাপি বই মেলার ১৭ তম দিনে কবিতাপাঠ উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত কবি সাহিত্যিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, তাদের লেখনী সমাজকে সচেতন ও মানবিক করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একজন অসৎ বা ভীতু মানুষ কখনো প্রকৃত কবি হতে পারে না। কবিতা সাহস, সততা ও ভালোবাসার প্রতীক।

অনুষ্ঠানের আলোচক কবি ও সাংবাদিক নাজিম উদ্দীন শ্যামল বলেন, স্বাধীনতার পরও দেশের মানুষের কাঙ্ক্ষিত মুক্তি পুরোপুরি অর্জিত হয়নি। এই না পাওয়ার বেদনা থেকেই সমাজে নানা বৈষম্য, সুবিধাবাদের চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আমরা দেশ স্বাধীন করেছি, গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখেছি। কিন্তু আজও সেই প্রকৃত মুক্তির পূর্ণ স্বাদ আমরা পাইনি।

তিনি বলেন, দেশের মানুষ, মাটি ও মানবিক মূল্যবোধের ওপর নানা সময় অত্যাচার হয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোও বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা জাতির জন্য উদ্বেগজনক।অনুষ্ঠানে বেতার ও টেলিভিশনের শিল্পী সীমা পাল, এড. অর্পিতা দাস, সুমিত্রা বিশ্বাস ও এড. শুভাগত চৌধুরী গান পরিবেশন করেন এবং চসিকের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

লেখক ও কবি জিন্নাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আলোচক ছিলেন কবি ও সাংবাদিক নাজিম উদ্দীন শ্যামল, স্বাগত বক্তব্য রাখেন কবি আলী প্রয়াস। কবিতা পাঠ করেন অধ্যাপক কবি রুহু রুহেল, কবি সাথী দাস, কবি রেজাউল করিম, কবি বিদ্যুৎ কুমার দাস, কবি আলমগীর ইমন, রাজিব রাহুল, আকতারী ইসলাম, নাহিদা আকতার নাজু, মিনহাজ মাসুম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন টিভি ও বেতারের উপস্থাপিকা নাহিদা নাজু।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কবিয়াল রমেশ শীলের জন্মদিনে দুইদিন ব্যাপী ‘রমেশ উৎসব’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা, ১৯৪৮ সালে কলকাতার শ্রদ্ধানন্দ পার্কে ‘বঙ্গের শ্রেষ্ঠ কবিয়াল’ উপাধিপ্রাপ্ত, মাইজভাণ্ডারী গানের অন্যতম গীতিকার ও কবিকুল সম্রাট, উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ কবিয়াল, একুশে পদকপ্রাপ্ত লোককবি রমেশ শীলের ১৪৯ তম জন্মবার্ষিকী শনিবার (৯ মে)। চট্টগ্রামের বোয়ালখালী পৌরসভার গোমদণ্ডী গ্রামে রমেশ সমাধি প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে ২ দিনব্যাপী রমেশ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

কবিয়াল রমেশ স্মৃতি ট্রাস্টের আয়োজনে ১ম দিন কবির সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন, রমেশ শিল্পী গোষ্ঠীর পরিবেশনায় রমেশ সংগীত ও আলোচনা সভা, সন্ধ্যায় স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় রমেশ গীতি; ২য় দিন কবির সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন, রমেশ শিল্পী গোষ্ঠীর পরিবেশনায় রমেশ সংগীতানুষ্ঠান, আলোচনা সভা, টিভি ও বেতার শিল্পীদের পরিবেশনায় রমেশ রচিত মাইজভাণ্ডারী গানের আসর বসবে বলে আয়োজক কমিটি জানান।

বিদায়ের সাজানো কফিন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তুমি একবার ‘না’ বলো
আমি থেমে যাব
নি:শব্দ রাতের মতো
অসীমে মাঝে মিশে যাব ।

আমি হারিয়ে যাব
অনেক দূরে—
যেখানে কেউ খুঁজে পাবেনা
মায়া মমতাহীন গহীন অন্ধকারে ।

এই পৃথিবী আমার নয়
এই ফুলের বাগান আমার নয়
এখানে কেউ কারো নয়
শুধুই মিথ্যা মায়াময় ।

এখানে অবুঝ প্রেমের খেলা
এখানে ক্ষণিকের ফুলের মেলা
এখানে অজানা পথে চলা
এখানে ঝরা ফুলের মালা ।

এখানে চোখের জলে
কষ্টের ফুল ফোটে
এখানে বোবা কান্নায়
পাথরে ফুল ফোটে ।

আমি যাব চলে
অনেক অনেক দূরে,
কে যেন ডাকে মোরে
মায়া নদীর তীরে ।

আবার আসিব ফিরে
হারানো দিনের গানে
সকল কষ্ট ভুলে যাব
ক্ষণিকের মহামিলনে ।

যদি আর না ফিরি
এই সাজানো বাগানে,
একটি ফুল ছিটিয়ে দিও
বিদায়ের সাজানো কফিনে ।

রচনাকাল :২৭/৪/২০২৬

আলোচিত খবর

দীর্ঘ ২১ দিন বন্ধ থাকার পর চালু হলো ইস্টার্ন রিফাইনারি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: দীর্ঘ ২১ দিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে উৎপাদনে ফিরেছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল)। শুক্রবার সকাল ৮ থেকে চট্টগ্রামের এই শোধনাগারটিতে পুনরায় পরিশোধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
ইআরএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শরীফ হাসনাত বলেন, কুতুবদিয়ায় অবস্থানরত ক্রুড অয়েলবাহী জাহাজ থেকে লাইটারিংয়ের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল রিফাইনারিতে পৌঁছানো শুরু হয়েছে। এর পরপরই চালু করা হয় শোধনাগারটি।ইআরএল সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর নতুন কোনো ক্রুড অয়েলের চালান দেশে পৌঁছায়নি। ফলে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ১২ এপ্রিল রাতে ইস্টার্ন রিফাইনারির ক্রুড অয়েল ডিস্টিলেশন ইউনিট সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এর মধ্যে বুধবার দুপুরে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের জাহাজটি কুতুবদিয়া চ্যানেলে এসে পৌঁছায়। যুদ্ধ শুরুর পর এটিই দেশে আসা প্রথম ক্রুড অয়েলের চালান। হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে জাহাজটি বাংলাদেশে আসে। ২৪৯ দশমিক ৯৫ মিটার দীর্ঘ জাহাজটি কর্ণফুলী নদী হয়ে বন্দরের ডলফিন জেটিতে ভিড়তে না পারায় নিয়ম অনুযায়ী ছোট ছোট ট্যাংকারে তেল খালাস করে পতেঙ্গার ইআরএলে নেওয়া হচ্ছে। এ প্রক্রিয়াকে লাইটারিং বলা হয়।এদিকে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ থাকায় ‘নর্ডিকস পলাক্স’ নামের আরেকটি জাহাজে থাকা বিপিসির এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়ে আছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধন করে, যা দেশের মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে। দেশের বাকি জ্বালানি চাহিদার বড় অংশ আমদানিনির্ভর। বর্তমানে দেশে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এছাড়া ফার্নেস অয়েল, পেট্রোল, অকটেন, কেরোসিন ও জেট ফুয়েলেরও উল্লেখযোগ্য চাহিদা রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) মোট ৬৮ লাখ ৩৫ হাজার ৩৪১ টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ