আজঃ মঙ্গলবার ৩ মার্চ, ২০২৬

নারীদের শক্তিশালী জনসম্পদে পরিণত করা সরকারের লক্ষ্য : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

চট্টগ্রাম বিভাগীয় পর্যায়ের অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫ বিতরণ অনুষ্ঠানে অদম্য নারীর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি বলেছেন, আমাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিক কর্মসূচীর মধ্যে বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন অন্যতম। দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদেরকে স্বনির্ভর, আত্মপ্রত্যয় এবং শক্তিশালী জনসম্পদে পরিণত করা বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালীন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করে মেয়েদের জন্য এইচ.এস.সি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। এছাড়া নারীদের সার্বিক কল্যাণে তিনি অনেকগুলো কর্মসূচী বাস্তবায়ন করেছিলেন। তাঁরই সুযোগ্য পুত্র বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্সমতায় আসার পর নারীদের ক্ষমতায়নে কাজ করছেন। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও বেগবান করতে প্রত্যেক নারীকে উদ্যেক্তা হিসেবে গড়ে উঠার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তারা কাজও শুরু করেছেন।


সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত বিভাগীয় পর্যায়ের অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে বিভাগীয় পর্যায়ে ৩ ক্যাটাগরিতে ৪ জন অদম্য নারীকে ফুল, ক্রেস্ট ও সনদপত্রসহ সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন প্রধান অতিথি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি। সম্মাননাপ্রাপ্ত সফল নারীরা হচ্ছেন-শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া গ্রামের মোহাম্মদ আবদুল হালিমের মেয়ে আসমা আকতার রুনা, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের শামসুল ইসলামের মেয়ে শমলা বেগম, সফল জননী নারী ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার চরমজলিশপুর গ্রামের আমিন আহমদ ভূঁঞার স্ত্রী বেগম তাজকেরা চৌধুরী ও সফল জননী নারী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার চান্দনপুর পাখাচং গ্রামের আবদুল কাদেরের মেয়ে বিলকিছ বেগম। অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্ত সফল নারীরা তাদের জীবন-সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করেন।

অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বৈরী পরিস্থিতিতে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের সাথে কথা বলে সমাজ ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা মেরামতের লক্ষ্যে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে বিএনপি ৩১ দফা ঘোষনা করেন এবং ২০২৪ সালের জুলাই মাসে জাতির সামনে প্রকাশ করা হয়েছিল। বিএনপি চেয়ারম্যান ও বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী ইশতেহারে ৩১ দফার ৮টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে কাজ শুরু করেছে। তন্মধ্যে অন্যতম হচ্ছে-ফ্যামিলি কার্ড। এটি পাবেন পরিবারের প্রধান নারী। কোন রাজনৈতিক বিবেচনা বা জনপ্রতিনিদিদের মাধ্যমে নয়, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও এডমিন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষ তালিকার মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে, যাতে পরবর্তীতে কোন সরকার এটি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে না পারে। পাইলট প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৪টি জেলার ১৪টি ওয়ার্ড/উপজেলার মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের পতেঙ্গা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্চারামপুর ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার লামা উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের সবক’টি পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে।

পুরস্কারপ্রাপ্ত অদম্য নারীদের বক্তব্যের আলোকে তিনি বলেন, আজকের অদম্য নারীদের মধ্যে এ পুরস্কার সীমাবদ্ধ নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামে-ইউনিয়নে-পৌরসভা-উপজেলা-থানা-নগর ও জেলা পর্যায়ে এটি ছড়িয়ে আছে। বাংলাদেশের প্রতিটি নারী সম্মানের হকদার। বাংলাদেশে যত নারী আছেন তারা কোন না কোন জায়গায় অদম্যতার পরিচয়ে ঠিকে আছেন। অদম্য নারীদের জীবন-যুদ্ধে হার না মানার কাহিনীর ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা দরকার এবং সমাজের অন্যান্য নারীদেরকে এ ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। আমরা বাংলাদেশের জন্য কাজ করতে চাই, চট্টগ্রামের জন্য অনেক কিছু করতে চাই, এজন্য সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আরও বলেন, সংবিধানে সকলের সমান অধিকার। ১৯ কোটি মানুষের দেশে ৪ কোটি মানুষও যদি কর্মক্ষম বা অর্থনীতির বাইরে থাকে তাহলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বা কাঙ্খিত উন্নয়ন কোনভাবে সম্ভব নয়। পুরুষের পাশাপাশি নারীরা উদ্যেক্তা হয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসলে দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে এবং উন্নত সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারবো।
তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশকে যদি সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়, সমতা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হয়, তাহলে আমাদের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীদেরকে সাথে নিয়ে পথ চলতে হবে। উন্নত সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়তে নারী-পুরুষের সমতা আনায়ন অত্যন্ত জরুরী।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো.জিয়াউদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ নাজিমুল হক, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অদম্য নারী পুরস্কার কর্মসূচীর অতিরিক্ত পরিচালক ও কর্মসূচী পরিচাল মোঃ মনির হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত বিভাগীয় পরিচালক (উন্নয়ন) নুসরাত সুলতানা। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আতিয়া চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে নির্বাচিত অদম্য নারীগণ, সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অধীন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

স্থগিত শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী প্রয়াত নুরুজ্জামান বাদল ভাইয়ের ছোট ভাই মো. মাসুদুর রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্থগিত হওয়া শেরপুর-৩ আসনে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন প্রয়াত নুরুজ্জামান বাদলের ছোট ভাই মো. মাসুদুর রহমান।রোববার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন শেরপুর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী ও প্রচার বিভাগের প্রধান মুহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া। তিনি বলেন-মতামতের ভিত্তিতে এবং কেন্দ্রের পর্যালোচনায় প্রয়াত নুরুজ্জামান বাদল ভাইয়ের ছোট ভাই মো. মাসুদুর রহমানকে প্রার্থী করা হয়েছে।

মহিলা সংরক্ষিত আসনে ত্যাগী ও যোগ্য নেত্রী গোলতাজ বেগমকে চট্টগ্রাম মহানগর থেকে মনোনীত করার আহ্বান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল চট্টগ্রাম নগরে গত ৩৮ বছরে ধরে ত্যাগী ও যোগ্য নেত্রীদের তালিকায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা ও কেন্দ্রীয় মহিলা দল নেত্রী গোলতাজ বেগমের নাম উল্লেখযোগ্য। ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে অনেক জুলুম নির্যাতন সহ্য করেও সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন। উল্লেখ্য যে, ১৯৭৮ সালের মহানগর বিএনপির কমিটিতে তার বাবা ২৮নং ওয়ার্ডের বিএনপির ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। সে সময় থেকে তার পরিবার বিএনপির আদর্শ ও জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত তার ধারাবাহিকতায় গোলতাজ বেগম চট্টগ্রাম কলেজে ১৯৮৮ থেকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে শুরু করে অদ্যবধি অনেক ত্যাগ তিতিক্ষার মাধ্যমে ২০২৬ সাল পর্যন্ত রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন। তার স্বামী বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম।

১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে ২৮নং ওয়ার্ডের কমার্স কলেজ এলাকায় আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের আক্রমণে তার বাড়িঘর ভাঙচুর সহ অগ্নি সংযোগ করা হয়েছিল। জীবন ঝুকি নিয়ে গোলতাজ বেগম, তার ভাইদের সহযোগিতায় সে নির্বাচনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও পরবর্তীতে উপ-নির্বাচনে আমির খসরু মাহমুদকে নির্বাচিত করার জন্য প্রান্তিক পর্যায়ে সাংগঠনিক কাজ করেন। ২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ২৮নং ওয়ার্ডে নিজ বসতবাড়ীতে আওয়ামী লীগের ছত্র ছায়ায় তার বাড়ি ঘর এবং সামনের দোকান দখল করে রাখে। ২০২০ এর করোনা কালীন সময়ে এলাকার মানুষের জন্য নিবেদিত প্রাণ হিসেবে কাজ করার স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর স্বাক্ষরিত স্বীকৃতি পত্র প্রদান করেন। একজন শিক্ষিত, মার্জিত এবং উদ্যোক্ত পরিচালক হিসেবে সমাজে তার অবদান অনশীকার্য।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর জন্য সকল ওয়ার্ডে গণসংযোগ কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। গোলতাজ বেগম ফ্যাসিবাদ বিরোধী দীর্ঘ সাড়ে সতের বছর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশনায় ঢাকায় জাতীয় রাজনীতিতে এবং চট্টগ্রামের আঞ্চলিক রাজনীতিতে তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সুখে দুঃখে পাশে ছিলেন। তাই তার উল্লেখযোগ্য কাজ বিবেচনা করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে মহিলা সংরক্ষিত চট্টগ্রাম মহানগর আসন থেকে গোলতাজ বেগমকে মনোনীত করার জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের প্রতি নগরের ১৫টি থানার এবং ৪১টি সাংগঠনিক ওয়ার্ডের প্রান্তিক মহিলা নেত্রীবৃন্দ সহ সামাজিক, ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ আহ্বান জানিয়েছেন।

বিবৃতি দাতারা হলেন যথাক্রমে, রাহেলা সুলতানা, কামরুন্নেছা, খাদিজা বেগম, তানিয়া আক্তার, কমলা বেগম, তানজিনা আলম, সুইটি আক্তার, বেনু রানী শীল, ঋতুপর্ণা বড়ুয়া, সৃষ্টি গোমেজ, শাহনাজ আক্তার, পারভীন সুলতানা, সাহানা সিদ্দিকা, বৃষ্টি বড়ুয়া, মরিয়ম বেগম, পারভিন খাতুন, হেনা বেগম, মালা আক্তার, সাবিহা সুলতানা, কুসুম আক্তার, কামরুন্নাহার ডলি, সাহানুর সুলতানা, রেজিয়া বেগম, হাসনা বানু, জুলেখা আক্তার, মরিয়ম বেগম, মনি আক্তার, মুক্তা বেগম, রাশেদা বেগম, ইশরাত জাহান, উম্মে কুলসুম, হাবিবা আক্তার, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে আলোড়ন ক্লাবের কার্যকরী কর্মকর্তাবৃন্দ আল হেরা সামাজিক প্রতিষ্ঠানের কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দ, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, খাতুনগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, বৃহত্তর চট্টগ্রামের গার্মেন্টস্ কর্মকর্তা-কর্মচারী নেতৃবৃন্দ উল্লেখযোগ্য।

আলোচিত খবর

জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার পদে বিরোধী দল থেকে প্রতিনিধি নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন- জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার ২ মার্চ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি জানান, রাজনৈতিক ঐকমত্যকে গুরুত্ব দিয়ে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ডেপুটি স্পিকারের জন্য একটি নাম প্রস্তাব করতে অনুরোধ করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে মৌখিক ও সরাসরি যোগাযোগও করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্পিকার নির্বাচনের দিনই ডেপুটি স্পিকার পদেও নির্বাচন সম্পন্ন করা যেতে পারে। এতে সংসদ পরিচালনায় ভারসাম্য ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়- জাতীয় সনদের আলোকে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে সমঝোতা হয়েছে, সেটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ